ভাবুন একবার। বিকেল ৫টার পর রোডে সিএনজি পাচ্ছেন না একটাও! ঘটনাটা ঘটার সম্ভাবনা জেগেছে, এবং তা ঠেকলে যা হবে, তাতে আমাদের পকেট থেকে বরাবরের মতোই বাড়তি খসবে।
সরকার গত ১ মে থেকে ভাড়া বাড়িয়েছে সিএনজি অটোরিক্সার। নতুন এই বিধিতে প্রতি ২ কিলোমিটার আগের ১২টাকার বদলে এখন থেকে দিতে হবে সাড়ে ১৩টাকা। অন্যদিকে সিএনজি চালকদের দীর্ঘদিনের দাবি জমার টাকা সাড়ে ৬শ থেকে কমিয়ে করা হয়েছে সাড়ে ৪শ। সব পার্টি খুশ। তাছাড়া যে কোনো দূরত্বে নুন্যতম ১৫টাকা ভাড়ায় যাওয়ার অপশনও রাখা হয়েছে। সো যাবনা আর ১০টাকা বাড়াইয়া দিয়েন- হয়রানি থেকে হাঁফ ছেড়ে বাঁচার একটা সম্ভাবিলিটি তৈরি হয়েছিল।
বাস্তবতা ভিন্ন। মিটার বদলায়নি। কাজ চলছে। ১০ মের আগে নতুন মিটার অ্যাক্টিভেট হচ্ছে না। মালিকরা এটেছে নতুন ফন্দি। চালকদের জানিয়ে দিয়েছে- ঠিকাছে তোমরা সাড়ে ৪শ করেই জমা দিও। তবে বিকাল ৫টার মধ্যে গাড়ি জমা দিতে হবে। এরপর গাড়ি চালানো যাবে না, চালাতে হলে বাড়তি টাকা দিতে হবে। সকাল রাত চালাতে চাইলে ওই আগের জমাই দিতে হবে।
দাঁড়ালো কি ব্যাপারটা! পেটের দায়েই আপোষে যাবে চালকরা। দু'দফা ঘণ্টা খানেকের লাইনে দাঁড়িয়ে গ্যাস ভরার পর, তাদের ওই সাড়ে ৪শ জমা তুলে ঘরে নেবে কি? বন্ধের দিন কি করবে? অতএব যা ছিল আগে, তাই হবে।
শর্টট্রিপ মারার ঝামেলায় তারা অবশ্যই যাবে না। আগের মতোই শুনতে হবে, আমার গ্যাস নাই ভাই। দশ টাকা আগের মতোই বাড়াতে হবে। মিটারে বাড়তি দেবেন আরো ১৫। পাবলিক যথারীতি ধরা

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



