somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মরীচিকা ( পর্ব - ১৪ )

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমি তখন সপ্তম শ্রেণীতে পড়ি । শরীর ও মনে সবে পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে ; গলার স্বরও পাল্টে গেছে। এ সময় বিকালবেলা সময় পেলে খেলার মাঠে না গিয়ে বরং বাবার চব্বিশ ইঞ্চি সাইকেল নিয়ে পাড়ার আরো দুই বন্ধুর সঙ্গে পাশের গ্রামে যেতাম। ওখানে রাস্তার ধারে একটি গভীর নলকূপ ছিল। বিকালে আশপাশের মহিলাদের সঙ্গে কমবয়সী মেয়েরাও কলে জল নিতে আসতো । নিয়মিত আসা যাওয়ার ফলে এলাকার কয়েকটি উঠতি মেয়ের সঙ্গে আমাদের দেখা-সাক্ষাৎ হত। একটু আধটু কথা চালাচালি, মুচকি হাসি বা কলসির মুখে নারকেলের মালা দিয়ে আমাদেরকে উদ্দেশ্য করে জল ছিটানো প্রভৃতি ছিল আমাদের সদ্য কৈশরে পা দেওয়া জীবনে পরম কামনীয় । মিতালীকে এখানেই প্রথম দেখি । আমার চেয়ে হয়ত সামান্য বয়সে বড় অথবা নাও হতে পারে । কিন্তু অত্যন্ত ডেভলপ ফিগারের আদিবাসী মেয়েটির বড় বড় দুটি নিটোল বুক আঁটোসাঁটো করে পড়া ফ্রকের মধ্যে যেভাবে উকি মারতো তা ছিল আমার মতো সদ্য যৌবনে পা দেওয়া কিশোরদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় । নিতম্ভটা ছিল বেশ বড়। মেদ বর্জিত তলপেট ; সামনে বড় বড় দুটি বুক নিয়ে হাঁটার সময় কোমর দুলিয়ে সাপের মত ইনিয়ে-বিনিয়ে যখন হাঁটতো ; তখন শুধু আমরা নই, পিছন থেকে দেখতাম পথচলতি অনেক সাধারণ মানুষকেও ওর দিকে অবাক নয়নে তাকিয়ে থাকতে । অস্বীকার করব না তখন মিতালীর অ্যাপিয়ারেন্স যেকোনো বয়সি পুরুষের হাটবিট থমকে যাওয়ার পক্ষে যথেষ্ট ছিল। কোন এক আদিবাসী রমণীকে দেখে যদি বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ' তিন পাহাড়ের গান ' লিখে থাকেন , তাহলে আমার সেই ছোট্ট হৃদয়ে সেদিন অনেকটা স্থান জুড়ে ছিল মিতালী নামের একটি আদিবাসী মেয়ে ।

বৃহস্পতি ও রবিবার সপ্তাহে দুদিন গ্রামে হাট বসতো । আদিবাসী পাড়ার অন্যান্য মহিলাদের সঙ্গে মিতালীও হাটে যেত। এই দুই দিন অবশ্য আমরা মিতালীর আগমনের অপেক্ষায় থাকতাম । হাটবারে আমাদের এই অপেক্ষার পর্বটা শুরু হয়েছিল অদ্ভুত একটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে । বন্ধু বকুলই একদিন কলতলায় অন্যান্যদের মধ্যে আলাদাভাবে মিতালীকে দেখার কথা বলে। সেদিন আমরা বাকি দুই বন্ধু ওর কথায় গুরুত্ব দিই নি। বরং আদিবাসী হওয়ার জন্য বকুলের রুচি নিয়ে ওকে দু- চার কথা শুনেও দিয়েছিলাম। কিন্তু দু - এক দিন পর থেকে আড়চোখে একটু একটু করে দেখতে দেখতে অদ্ভুতভাবে ওর রুপের মায়াবলে আমরাও যেন বশীভূত হয়ে গেলাম। যে কথা বলছিলাম, সাপ্তাহিক হাট মানে তিন বন্ধু লোকালয় ছেড়ে একটু দূরে হাঁটাচলা করতাম । কখনো বা গায়ের মেঠো পথ ধরে হেঁটে বা ঘাসের উপর বসে ওর আসা -যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতাম ।

অত্যন্ত প্রাণ খোলা হাসি খুশি স্বভাবের মিতালীকে খুব হাসি ঠাট্টা করতে করতে বিভিন্ন বয়সের পুরুষের সঙ্গে আড্ডা মারতে মারতে রাস্তায় আসা-যাওয়া করতে দেখতাম । ওর গায়ে হাত দেয়ার প্রতি বিভিন্ন বয়সের পুরুষদের একটি ঝোঁক ছিল । কয়েক জনকে দেখেছি ও দাদু বলেও সম্বোধন করত। কিন্তু এ ধরণের আড্ডা ইয়ার্কিতে ওকে কোন প্রতিবাদ না করে উল্টো তাদের সঙ্গে ঢলাঢলি করতে দেখতাম। মনে হতো ও বোধহয় বিষয়টা বেশ উপভোগ করত। হাসতে হাসতে কখনো বা পথের উপর বসে পড়তো , কখনো বা রাস্তা থেকে নেমে পাশের মাঠের দিকে ছুট লাগাতো । ওর প্রতিক্রিয়া দেখে আমাদের মনে হতো ও ছিল যেন সরকারি সম্পত্তি ; যার দরকার হবে ওকে একটু ছুয়ে দেখবে । ইতিমধ্যে ওর সঙ্গে আমাদেরও সখ্যতা অনেকটা বেড়ে গেছিলো । তাই সে কলতলাতে হোক বা হাটবারে অপেক্ষাকৃত ফাঁকা স্থানে হোক ; আমাদের দিকে তাকিয়ে সুন্দর একটা মিষ্টি হাসি দিত । উল্লেখ্য বয়সের তারতম্যের কারণেই বোধহয় অন্যরা যেখানে ওকে ছুয়ে দেখতো ; আর আমাদের জন্য বরাদ্দ ছিল এমনই মিষ্টি হাসির । অবশ্য তাতেই আমরা খুশি ছিলাম।


মিতালির সঙ্গে আমাদের তিনজনের হাসি বিনিময় পর্বটি তখন অনেক দূর গড়িয়ে গেছে । কিন্তু সমস্যা একটু দেখা দিয়েছে। তিন বন্ধুর মধ্যে আমি ছিলাম বেশ ভীতু । মিতালীর হাসিটা আমাদের প্রত্যেকের হৃদয়ে কিছুটা স্থান জুড়ে থাকলেও বাস্তবে সে হাসি কার প্রাপ্য সেটা নিয়ে আমাদের মধ্যে অনুসন্ধান শুরু হল। একদিন সে প্রসঙ্গ উঠতেই প্রথমে হাত উঁচু করলাম আমি। ভাবলাম যেটা পেয়েছি অনেক । এখন বাড়াবাড়ি করলে বাড়িতে আর মুখ দেখাতে পারবো না। বন্ধু বাহারও আসল নায়ক কে ? সে প্রশ্নে বেশ অস্বস্তিতে পড়ল। ফলে বাকি থাকল বন্ধু বকুল । বকুলকে নির্বাচিত করে আমরা বলেই ফেলি,
- মিতালী হাসে তোর জন্য। তোকে ও ভীষণ লাইক করে। ওর প্রতিটি আকার-ইঙ্গিতে অঙ্গভঙ্গিতে একটা আবেদন থাকে। শুধু মাত্র তোকে উদ্দেশ্য করেই ওর এমন অভিব্যাক্তি।
প্রতিউত্তরে মুখে কিছু না বললেও আমাদেরকে এভাবে পাশে পেয়ে বকুল বেশ খুশি হয়েছিল ।


কোন এক হাটবারে মিতালীকে একা আসতে দেখে ,কাছাকাছি আসতেই বকুল এক পা দু পা করে সামনে এগিয়ে গিয়ে,
-তোমার সঙ্গে আমার একটু কথা আছে।
-কি কথা ?
- তুমি কি বোঝো না ! আমরা কেন এভাবে দিনের পর দিন রাস্তার ধারে বসে থাকি ?
অমনি দেখলাম মিতালী বকুলের মুখ টিপে ধরে বললো,
- তোরা তিনজনেই বয়সে আমার চেয়ে অনেকটা ছোট । তোরা আমার ভাইরে ! মিতালীর কথায় বকুলের মুখটি হঠাৎ ছোট হয়ে গেল। যদিও আমরা বকুলের এভাবে আশাভঙ্গ হওয়াতে আপ্রাণ চেষ্টা করে হাসি বন্ধ রেখে উল্টে ওকে সমবেদনা জানাতে লাগলাম । আমরা মুখ কাচুমাচু করে ওকে এ ভাবে ভেঙে না পড়ে বরং বোঝানোর চেষ্টা করলে মিতালীও ওকে সান্ত্বনা দেওয়ার দলে শামিল হয়েছিল । সেদিন থেকেই মিতালী আমাদের কাছে দিদি হয়ে গেল। জীবনের প্রথম প্রেম এভাবে আশাহত হওয়াতে বকুলের জন্য পরে খুব খারাপ লাগছিল । এ ঘটনার পর ও প্রচন্ড ভেঙে পড়েছিল। সাথে সাথে আমাদের তিন বন্ধুর বৈকালিক সাইকেল ভ্রমন বা নির্জন স্থানে মিতালী দর্শনের জন্য বসে থাকাটাও বন্ধ হয়ে গেল। পরে রাস্তায় আসা- যাওয়ার পথে মাঝে মাঝে ওর সঙ্গে দেখা হলেও টুকটাক একটু মুচকি হাসি দিয়ে আমরা যে যার কাজে চলে যেতাম । তবে এ সময় ওর প্রতি আমাদের আর কোনো আকর্ষণ ছিল না।


মিতালীদির নিকট থেকে ভাই সম্বোধন পাওয়াটা বকুল মন থেকে মেনে নিতে পারেনি । তখন আমরা এগারো ক্লাসে পড়ি ; মাঘ মাসের শেষের দিকে হালকা শীতের আমেজে একটু দূর গ্রামে শেষ শনিবার থেকে সপ্তাহব্যাপী মেলা বসে । বছরের এই কদিন সন্ধ্যেবেলা পড়াশোনায় একটু ছাড় পেতাম। অন্যান্য দিনের মতো সেদিনও সন্ধ্যেবেলা আমাদের মেলায় যাওয়ার প্ল্যান ছিল। কিছুটা হাঁটার পর বকুলের অন্য একটি রাস্তার দিকে হাঁটার প্রস্তাবে,
- কেন এদিকে যাব ? এটা কি মেলায় রাস্তা ?
- তুই চল না ! দেখবি আজ এদিকেই মেলা বসেছে ।
- কি আছে এদিকে ? যে তুই এতো জোর করছিস !
- আরে ! এতো প্রশ্ন করছিস কেন ? সব দিনই তো মেলায় যাই । আজ না হয় একটু অন্যরকম মেলা দেখবো ।
আমরা বাকি দুজন আর প্রতিবাদ না করে বকুলের কথা মত যে রাস্তা ধরলাম , সেটা ছিল আদিবাসী পাড়ায় যাওয়ার রাস্তা। বেশ কিছুটা হাঁটার পরে একটা কোলাহল কানে এলো । আরো অগ্রসর হতেই স্পষ্ট হল সামনে আদিবাসী পাড়ার ঠাকুর তলা ; যেখানে লোকে গিজগিজ করছে।
- কিরে ! এখানে এত লোকজন কেন?
এবার বকুল বলল,
- আজ এখানে বিচার হবে ; যে কারণে এত লোকজন । তোদেরকে তাই বিচার দেখাতে নিয়ে এলাম ।
- কার বিচার হবে ? জিজ্ঞাসা করতেই ও আমার নাক টিপে ধরে বলল,
- তোর দিদির ! তোর মিতালীদির।
আমি আঁতকে উঠলাম!
- হ্যাঁ ! মিতালীদির ? কেন কি হয়েছে মিতালীদির ?
- হ্যাঁরে ! আরেকটু অপেক্ষা করনা ! সব টের পাবি। কত বড় সাধু মহিলা হয়েছে আজ সব জানতে পারবি ।


আগেই বলেছি ওর চলন-বলন ছিল অত্যন্ত আকর্ষণীয় । ফলে প্রণয়ঘটিত কারো সঙ্গে ওর জড়িয়ে পড়াটা অস্বাভাবিক নয় । এরকম ভাবতে ভাবতে এরকম হাসি খুশির মেয়েটির বিচার হবে শুনে মনে মনে প্রচণ্ড ভয় শুরু হতে লাগল। কারণ এসব ক্ষেত্রে গ্রাম্য সালিশ বিচারের ক্ষেত্রে পূর্বের অভিজ্ঞতাগুলো ভালো ছিল না। মুহূর্তে পুরনো স্মৃতিগুলি চোখের সামনে ভেসে উঠলো । এদিকে সভাস্থলে চারিদিকে চিৎকার চেঁচামেচিতে কান পাতা দায় হয়ে দাঁড়ালো । কয়েকজনকে দেখলাম সভার মধ্যে থেকে হাত উঁচু করে সবাইকে শান্ত হতে বলছেন । ক্রমশ জনতা শান্ত হয়ে একসময় খোলা আকাশের নিচে ত্রিপলের উপর সবাই বসে পড়ল। হ্যাজাক লাইটের আলোয় পরিষ্কার করে দেখলাম কয়েকজন মহিলার মাঝখানে মিতালীদি বসে আছে। আমাদের পজিশনটা ছিল অবশ্য বেশ কিছুটা দূরে। নিজেদের মধ্যে ওরা কি সব কথা বলছিল যে বেশ কিছুটা দূরে থাকাই আমাদের কান পর্যন্ত আসছিল না। একটু দূরে তরুণ নামে পৌন্ড্র সম্প্রদায়ের একটি ছেলেকে সবাই ঘিরে রেখেছে। বেশ কয়েকজনকে দেখলাম ওর দিকে আঙুল দিয়ে ইশারা করতে । বুঝতে বাকি থাকল না যে তরুণের সঙ্গে তাহলে মিতালীদির কোন একটা সম্পর্ক হয়ে থাকবে । যেহেতু আদিবাসী মেয়ে , সংগত কারণে আদিবাসী সম্প্রদায়ের লোকজনের আধিক্য চোখে পড়ল । তরুণকে আমরা আগে থেকেই চিনতাম । রাজমিস্ত্রির কাজ করে ছেলেটির চেহারাটা খুব খারাপ নয়, তবে ওর সঙ্গে মিতালীদির কি করে সম্পর্ক হল সেটা যেন কিছুতেই মাথায় আসছিল না ।


আদিবাসী সমাজের প্রথা অনুযায়ী একজন বয়স্ক মানুষকে দেখলাম সবাই বিচার শুরু করতে বললেন। চারিদিকে বিড়ির গন্ধে আমাদের পক্ষে ওখানে টিকে থাকা বেশ সমস্যা হচ্ছিল। কিন্তু মিতালীদির সমস্যা হওয়ায় বিচার না দেখে উঠতে মন চাইছিলো না। প্রবীণ মানুষটিকে দেখলাম এবার হাত উঁচু করে উপস্থিত সকলকে জানতে চাইলেন যে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করতে পারবেন কিনা..
উপস্থিত প্রায় সকলেই সমস্বরে,
- হ্যাঁ ! বলতেই
প্রবীণ মানুষটি দেখলাম খুব আন্তরিকতার সঙ্গে মিতালীদিকে মা সম্মোধন করে জানতে চাইলেন ,
- আচ্ছা মা ! তোমার সঙ্গে ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল। সম্পূর্ণ সত্য কথা বলবে ।
আদিবাসী ভাষায় মিতালীদি বসে বসে অস্পষ্ট করে কি সব বলছিল। আমাদের কারো কান পর্যন্ত আসছিল না ওর কথা। তখন কয়েকজন চিৎকার করে প্রবীণ মানুষটিকে বলতে বললেন ,
-ওকে দাঁড়িয়ে জোরে জোরে বলতে বলুন।
-দেখছো তো মা ! ওরা কেউ তোমার কথা শুনতে পাচ্ছে না। তুমি বরং দাঁড়িয়ে একটু জোরে জোরে বলো।
মিতালীদি প্রথমে উঠতে চাইছিল না ; বেশ কিছুক্ষণ চুপচাপ বসেছিল। এমন সময় প্রবীণ মানুষটি প্রচন্ড জোরে ধমক দিয়ে,
-এত জন লোককে বসিয়ে তামাশা করছো ! ওঠো ! ওঠো ! দাঁড়িয়ে বল । বেশি সময় দেওয়া যাবে না।
ধমক খেয়ে মিতালীদি কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগল,
- ও পাড়ার ওই গ্রীন বাবুদের বাড়ি রামযাত্রা হইত, ঐহানে ও আসতো আমিও যেইতুম। পেরথম দিন আমায় দেকে হাসিলা। তারপরের দিন চার আনার বাদাম কিনে দিলা। আমিতো নিমুনা জোর করে দিলা। ওইহান থেকে প্রতিদিন ও আমায় ডাকিয়া আরআল-আবডালে লিয়া যাইতো। আমাকে লিয়া বড় বড় স্বপ্ন দেহাইতো।
কথা শেষ করতে পারল না ; আবার কাঁদতে কাঁদতে বসে পড়ল। আবার লোকজনের চাপাচাপিতে কথা শুরু করলেও শেষ করতে পারল না । যদিও এবার উঠে দাঁড়িয়ে হাত দিয়ে নিজের পেটের দিকে ইশারা করে,
- ডাক্তার বলেছে পেটে চার মাস...
আবার কাঁদতে থাকে ...
প্রবীণ মানুষটি এবার তরুণকে উদ্দেশ্য করে,
- আচ্ছা খোকা ! ও যা বলছে , সেগুলো কি ঠিক বলছে ?
- হ্যাঁ ঠিক বলছে ! যেহেতু ও গর্ভবতী আমি ওকে বিয়ে করতে চাই।
- ঠিক আছে ভালো কথা।
এবার আবার মিতালীদিকে উদ্দেশ্য করে,
-এই খুকি ! তোর পেটে তো তাহলে বে জাতির বাচ্চা । এখন তুই কি করবি ? ওকে বিয়ে করবি ?
মিতালীদি কিছু না বলে চুপ করে থাকলো । ভেবেছিলাম যাক তাহলে প্রবীণ মানুষটি তরুণের সঙ্গে মিতালীদিকে বিয়ে দিয়ে যথার্থ বিচারই করবেন , যেখানে ও চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ।

কিন্তু মুহুর্তের মধ্যে আমার ভুল ভেঙে গেল ।

চলবে.... ( পরবর্তী পোষ্ট নতুন বছরে )

আজকের পর্বটি চট্টগ্রামের বিখ্যাত সুদর্শন ব্লগার, আমার অন্যতম বন্ধ, গ্রীক দেবতা অ্যাপোলো সদৃশ্য নীল আকাশভাইকে উৎসর্গ করলাম।

বিশেষ দ্রষ্টব্য:- পর্বটিকে স্রেফ গল্পের ছলে দেখার জন্য পাঠককে অনুরোধ করবো। একইসঙ্গে অনুরোধ করবো কোন রকম রেসিয়াল বিদ্বেষ অভিযোগে অভিযুক্ত না করতে ।




সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২০
৫৫টি মন্তব্য ৫৫টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অন্ধের হাতি দেখা ও আধুনিক ব্লগারির এক করুণ রম্যকাব্য

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৪ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১:২১


মানুষের জ্ঞানচর্চার ইতিহাসে একটি প্রাচীন উপকথা যুগে যুগে নতুন অর্থে ফিরে এসেছে অন্ধের হাতি দেখা। কয়েকজন অন্ধ মানুষ হাতির ভিন্ন ভিন্ন অঙ্গ স্পর্শ করে প্রত্যেকে নিজেকে সত্যের একমাত্র অধিকারী... ...বাকিটুকু পড়ুন

চাঁদগাজীর বয়ানে সত্যিকারের দেশপ্রেমিক!

লিখেছেন মাথা পাগলা, ১৪ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ২:৩৭



গাজী সাহেব বলেছেন, এই ছবির একদম পেছনে যাকে দেখছেন, তিনি ৭১-এর যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। একই পরিবারের আত্নীয়সহ আরও পাঁচজন ৭১-এর যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। পরিবারের যিনি কোনোভাবে বেঁচে আছেন, তাঁর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিশুতোষ কবিতাঃ মিষ্টি খাবো

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৪ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৭:৩৬




"মিষ্টি খাবো, মণ্ডা খাবো"—
বায়না ধরলো খোকা।
"চেঁচাস নে আর, বড্ড জ্বালাস,
তোর যে দাঁতে পোকা!"

খোকা বলে, "কোথায় পোকা?
দেখি না তো চোখে!
মাঝে মাঝে ব্যথা তবে
ওঠে থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসুন দেখে আসি, রাজাকার, লালবদর,ছাত্রদল ও শিবিরের উত্তরাধিকারীরা পাকিস্তানে কেমন আছে‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১৪ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:০১



কেমন আছে পাকিস্তানে বসবাসরত ৪০ লক্ষ বাঙালী?

১৯৭২ সালে ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানে দাড়িয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বিচার করার হুঙ্কার দিলেন। পাকিস্তানে বসে তখন খুনি জুলফিকার আলী... ...বাকিটুকু পড়ুন

কি করে কি করি, কি যে করি !

লিখেছেন মেহবুবা, ১৪ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:০৫




আজ বেশ ক'দিন হোল আমার ব্লগবাড়িতে জ্বীন ভূতের কারসাজি চলছে! আধা পৃষ্ঠা জুড়ে কয়েকটি পোষ্ট আসছে, সব আসছে না।নিজ ব্লগবাড়িতে কত কি আয়োজন থাকে ; যেমন মন্তব্য,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×