ম্যাডাম, তার দুই পুত্র ও ঘনিষ্ঠদের কারণে সৎ থাকতে পারিনি : বাবর - সঙগ দোছে পুলাডা আইজ জেলে
ভোরের কাগজ প্রতিবেদক : সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিএনপি নেতা লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড়ো ছেলে তারেক রহমানের বন্ধু ও ব্যবসায়িক পার্টনার গিয়াস উদ্দিন আল মামুন এবং সাবেক বিএনপি সাংসদ, বহুল আলোচিত হাওয়া ভবনের কথিত মালিক আলী আসগর লবীকে রিমান্ডে টাস্কফোর্স ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে মুখোমুখি করা হয়েছে। সূত্র জানায়, যেসব দুর্নীতির সঙ্গে তারা একত্রে জড়িত সেসব ব্যাপারে গত শনিবার রাতে তাদেরকে মুখোমুখি করে ৩ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বাবর জিঙ্গাসাবাদকারীদের বলেছেন, তিনি তার কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত। এজন্য যে কোনো শাস্তি তিনি মাথা পেতে নিতে রাজি আছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি সৎ থাকার চেষ্টা করেছিলাম, কিš' ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) ও তার দুই পুত্র এবং তাদের ঘনিষ্ঠদের কারণে পারিনি।
এদিকে রিমান্ড শেষ হওয়ায় আলী আসগর লবীকে গতকাল রোববার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে আরো তদন্তের প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব ও সাবেক সাংসদ মোসাদ্দেক আলী ফালুকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। তাকেও বাবর ও মামুনের মুখোমুখি করা হতে পারে।
সূত্র জানায়, রিমান্ডে বাবরকে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব প্রফেসর ডা. বদর"দ্দোজা চৌধুরীকে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরাতে কী ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল সে ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদে বাবর জানিয়েছেন, তারেক রহমান, মামুন, লবীসহ বিএনপির কয়েকজন শীর্ষ নেতার মাধ্যমে জোটে এ নিয়ে কানাকানি শুর" হয়। পরে প্রধানমন্ত্রী তাকে পদত্যাগ করতে বলেন।
টিএফআই সেলে জিজ্ঞাসাবাদে বাবর জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তার ছেলে তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকো, তারেকের পার্টনার গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, সাবেক সাংসদ মোসাদ্দেক আলী ফালু ও আলী আসগর লবীসহ বিএনপির শীর্ষ নেতাদের দুর্নীতির ব্যাপারে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়ে আসছেন। সরকারের ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নেত্রকোনায় নিজ এলাকায় ২০ বার হেলিকপ্টারের সফরের কথা তিনি স্বীকার করেছেন। বাবরের দেয়া তথ্য মতে, জোট সরকারের প্রথম রাষ্ট্রপতি ডা. বদর"দ্দোজা চৌধুরী ও তার ছেলে মাহী বি চৌধুরীকে নিয়ে দল এবং জোটে প্যারালাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। বিটিভির চাঙ্ক বিক্রিসহ বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে মাহীর সঙ্গে তারেক ও কোকোর বিরোধ সৃষ্টি হলে খালেদা জিয়ার কান ভারী হতে থাকে। পরে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকীতে মাজার জিয়ারতকে কেন্দ্র করে বদর"দ্দোজা চৌধুরীকে রাষ্ট্রপতির পদ ছাড়তে বাধ্য করা হয়। অথচ পরে তারেক রহমান নিজেই বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত করে রাজনীতিতে সস্তা জনপ্রিয়তা লাভের চেষ্টা করেন। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে এ সব তথ্য জানা গেছে।
সূত্র আরো জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে বাবর বলেছেন, ‘আমি সৎ থাকার চেষ্টা করেছিলাম। কিš' ম্যাডাম (খালেদা জিয়া), তারেক রহমান, আরাফাত রহমান, মামুনসহ তাদের ঘনিষ্ঠরা সবাই নানা দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী থাকায় এসব দুর্নীতি ধামাচাপা দিতেই তাকে এই জালে জড়ানো হয়, দুর্নীতিতে সম্পৃক্ত করা হয়।’ হাওয়া ভবনই দুর্নীতির কেন্দ্রবিন্দু ছিল। এই ভবনে বসেই পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন সেক্টর এবং প্রকল্প চিহ্নিত করে কোটি কোটি টাকা আদায় করা হয়েছে। ম্যাডামও বিভিন্ন সময় তাকে টাকার ভাগ দিয়েছেন। এর মধ্যে ধাবি গ্র"পের কাছ থেকে নেওয়া টাকা থেকে খালেদা জিয়া তাকে ২০ কোটি টাকা দিয়েছিলেন। হাওয়া ভবনে বসে আশিক ইসলাম, রকিবুল ইসলাম বকুল, জয়, মোটা তারেক, আজিজুল বারী হেলাল, সফিউল বারী বাবু, শাহাবুদ্দিন লাল্টুসহ কয়েকজন টাকাওয়ালাদের খুঁজে বের করে টাকা চাওয়ার ব্যবস্থা করতেন। গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, সাবেক সাংসদ আলী আসগর লবী, নাসির উদ্দিন পিন্টু, ফালুর এম এইচ সেলিমসহ কয়েকজন খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও কোকোর সম্মতিতে টাকা আদায় করতেন। প্রতিটি ঘটনায় সংশ্লিষ্টরা কমবেশি ভাগ পেতেন।
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?
হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।