
আই এস শুধু ‘সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ কেই তিন তিনটা হত্যা কাণ্ডে তাদের সংশ্লিষ্টতার খবর জানাল । আর কোথায় তো তাদের সংশ্লিষ্টতার খবর দেখলাম না । আর তারাই বা কেন এত তৎপর বাংলাদেশে আই এসের উপস্থিতি প্রমাণে? তবে কি ‘সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ জামাতের মিলিয়ন ডলার প্রজেক্টের রেঞ্জে এসে গেছে? কিংবা জামাত বিএনপির নিয়োগ করা লবিস্টদের ফল ফলতে শুরু করেছে?অপেক্ষায় রইলাম (বড় ভাই)নামক নাটকের পাণ্ডুলিপি পরার জন্য, লাল মটোর সাইকেল সাদা হয়ে গেল ৮- ১০ দিন আগে গ্রেফতার করে রিয়েসাল দিয়ে জন সম্মুখে হাজির করা ! রাজনৈতিক হয়রানি মূলক মামলার আসামীদের যখন হাজির করা হত তখন আসামীরা সোজা হয়ে দাড়াতে পারতনা আর এদের কে দেখেছি শ্বশুর বাড়ির জামাইয়ের মত নির্ভয় এবং সম্পূর্ণ সাবাবিক !প্রথমে বড় ভাই হিসাবে হাবিবুন্নবি খান সোহেলের নাম শোনা গেল, এখন নাটকের কাহিনী ঘুরিয়ে বড় ভাইয়ের অভিনয়ে বিএনপির ঢাকা মহানগরের যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ কাইয়ুম আনা হোল। কারন ঢাকা মহানগরে বিএনপির সক্রিয় ভুমিকা পালন করছে। তবে নাটকটা, একে বারেই কাঁচা নাটক হয়ে গেল। লাল মোটর বাইক যখন সাদা হয়ে যায়, তখন কি আর বুঝতে বাকী থাকে নাটকের কাহিনী কোন দিকে যাচ্ছে।

বিভিন্ন দেশে আইএস বা প্রতিষ্ঠিত জঙ্গীদের বিদেশী হত্যার একটা প্যাটার্ন আছে। প্রথমে তারা বিদেশীকে অপহরণ করে। দ্বিতীয়ত তারা কল্লা কাটার ভিডিও করার সময় সরকারকে বা প্রতিপক্ষকে একটা মেসেজ দেয়। তৃতীয়ত, হত্যার পরে ভিডিওটা ইন্টারনেটে ছাড়ে। এর কোনোটাই বিদেশী হত্যায় ঘটে নাই, বরং পিছন থেকে কাপুরুষের মতই রাতের অন্ধকারে চোরাগুপ্তা আক্রমন করা হয়েছে। এই প্যাটার্নটা কয়েকমাস আগে সংঘটিত বিএনপি জামাতের চোরাগুপ্তা পেট্রলসন্ত্রাসের মতই। আমাদের দেশে আইএস না থাকলেও পাপীস্তানের আইএসআই আছে এইসবের পিছনে। আর আমেরিকা যেহেতু বারবার বলছে বাংলাদেশে আইএস আছে, তার মানে এইদেশে সিআইএও এক্টিভ আছে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে।
আমরা এই কয়েক দিনে আমাদের তদন্ত কর্মকর্তাদের মাধ্যমে যেসব তথ্য ও প্রমান হাজির করেছে গণমাধ্যমে তাতে বিএনপি জড়িত বলে বলা হচ্ছে। তাহলে ঐ সাইটের তথ্যানুযায়ী বিএনপি ও আইএস কি একই অঙ্গের দুইরুপ?
সার কথা
দেশের মধ্যে এত বড় দুর্নীতি হলে, আসলে আমরা নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ করতে করতে একসময় বিলীন হয়ে যাব। দেশের এবং বিদেশের মধ্যে দেশে যে ভাবমূর্তি তা নিস্সন্দেহে হুমকির মুখে। দেশের মানুষ কে বলব হয় নিজেরা মানুষ হও অথবা মানুষই হতে দাও। মানুষ হতে হলে দেশকেও ভালবাসতে হবে. এখন বলব যেভাবেই হোক সরকার হত্যা কান্ডটি নিবির ভাবে পর্যবেক্ষণ করে অপরাধী কে শাস্তির কাঠগড়ায় এনে সঠিক বিচার করে দেশের ভাবমূর্তি কিসুটা হলেও অক্ষুন্ন রাখতে।
বর্তমান ''ডিজিটাল'' বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যাবহার প্রসারের পাশাপাশি মাধ্যমটি ব্যাবহার করে বিবভ্রান্তিমুলক তথ্য প্রচারের প্রবণতা বেড়েছে। তথ্যসূত্রটি নির্ভরযোগ্য কিনা তা যাচাই বাছাই না করেই জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে এক শ্রেণীর অবিবেচক জনসাধারনের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে যা দুঃখজনক।এতই যখন অনুরোধ করছে ব্যকুল হয়ে তখন আমাদের গোয়েন্দারা ভাল করে যাচাই বাছাই করেই দেখুক না। কিন্তু কিছুদিন পুরবে যখন তথ্য চাওয়া হল তখন ঐ সাইটের কত্রিপক্ষ তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে ছিল বলে জানা যায় । তাহলে তদন্ত কিভাবে করবে?
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



