somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সীমান্তের ঈগল(পরাজিত বীর)
আমি স্বাধীন দেশের পরাধিন মানব । স্বাধিন ভাবে বলতে চাই ,জানাতে চাই ,শিখতে চাই ,চাই বাক স্বধিনতা ।

সংসদ এলাকায় থাকছে না জিয়ার কবরসহ আরো ৭টি কবর !!প্রতিহিংসা আর সংগাত আর কত ????

১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
সংসদ এলাকায় থাকছে না জিয়ার কবরসহ আরো ৭টি কবর !!প্রতিহিংসা আর সংগাত আর কত ????







আমরা বাঙালী অনেক সেন্টিমেন্ট জাতি। সরকার যদি জিয়ার কবর সরিয়ে ফেলে এদেশের সাধারন মানুষ এটা ভালভাবে নেবেনা। আর প্রতিহিংসার রাজনীতি বাড়তেই থাকবে। কি দরকার এসবের ?

বাকি সাতটি কবর সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তার, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শাহ আজিজুর রহমান ও আতাউর রহমান খান, সাবেক মন্ত্রী মশিউর রহমান যাদু মিয়া, মুসলিম লীগ নেতা খান এ সবুর, সাহিত্যিক ও সাংবাদিক আবুল মনসুর আহমদ এবং পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার তমিজউদ্দীন খানের।

বাংলাদেশের সংবিধান যেখানে বার বার মনের মত করে পরিবর্তন করা যায়.... সেখানে একজন স্থপতির ডিজাইন আপডেট বা পরিবর্তন করলে কি অশুদ্ধ হয়ে যাবে বুঝলাম না । রাজনৈতিক প্রতিযোগীতা এখন এতটাই প্রতিহিংসায় পরিনত হয়েছে যে সাধারন মানুষের চোখে রাজনীতিবিদরা নিজেরাই নিজেদের সার্কাসের গাধা বানিয়ে ফেলছে ।আওয়ামীলীগের এই নোংরা হীনমৌনতার রাজনীতির বীজ একদিন তাদেরকে ও সইতে হবে এই নোংরা প্রতিহিংসায় একদিন ৩২ নাম্বার হয়ে যাবে ৬৪ নাম্বার কিংবা অন্য কোন সংখা চলে যাবে দেশের কোন প্রত্যন্ত পার্বত্য অঞ্চলে যা আমরা কখনই কামনা করিনা আওয়ামীলীগ যতবাবেই চেষ্টা করুক জিয়াউর রহমান কে হেও করার তার নাম মুছে ফেলার তাতে হিতে বিপরীত হবে সাধারণ মানুষ জিয়াউর রহমান কে ভালোবাসে তার কর্ম দিয়ে ।
আমরা দেখছি মুক্তিযুদ্ধের সময় শহীদ বীরশ্রেষ্ঠর লাশ দেশে কবর দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল না।পরবর্তীতে সরকারি উদ্যোগে তাদের লাশ দেশে আনার পর রাষ্ট্রীয় মর্যদায় দাফন করা হয়।তাহলে জিয়াউর রহমান কি দেশের সাধারণ নাগরিক???জেনারেল জিয়া সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন,রাষ্ট্রপতি ছিলেন, তার প্রধান পরিচয় তিনি একজন মুক্তিযুদ্ধের কমান্ডার ছিলেন।দেশকে স্বাধীন করার জন্য কান্ডারীর ভূমিকায় অবতির্ণ হয়েছিলেন। তিনি রাষ্ট্রের প্রধান থাকাকালীন সময়ে দেশে অনেক ধরণের উন্নয়ন সাধিত হয়েছিলো।প্রধানমন্ত্রী চাইলে বাংলাদেশের মত রাষ্ট্রে সবকিছুই সম্ভাব!!!!!!

ইট পাথর নিয়ে ব্যাস্ত সরকার খালি প্রতিহিংসা!! বুমেরাং হবে এক দিন..
সংসদভবন এলাকা জিয়ার সম্পত্তি না। লুই কানের নকশা নষ্ট করে সেখানে মাজার, সম্মেলন কেন্দ্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়েই বানানো হয়েছিল। এইখানে ছিদ্রান্বেষীর মত যারা রাজনীতি খুজতে আসে তারা কই ছিল যখন সরকারি জমিতে একক ইচ্ছাবলে মাজার, আর সম্মেলন কেন্দ্র বানানো হয়েছিল?

যেহেতু সেখানে জিয়ার সমাধি রয়েছে তাই লুই কানের নকশা বাস্তবায়ন খুব জরুরী হয়ে পড়েছে সরকারের কাছে।
লুই কানের নকশায় স্পিকারের বাড়ী, ন্যাম ফ্লাট এবং মেট্রোরেলের জায়গাও রাখা হয় নাই, সেগুলোর কি হবে ?
স্থপতি লুই কানের নকশায় কোথাও কি স্পীকার-ডেপুটি স্পীকারের বাসভবনের কথা ছিল ?
জিয়ার কবর সরানো হলে দ্বন্দ্ব আর কমবে না বরং আরো বাড়বে।

প্রতিহিংসা মানুষকে কোথায় নিয়ে যায় তার ঠিকানা নাই। আওয়ামিলীয় খমতা হারালে যে কারও দেহাবশেয সাগরে ভাসবে না সেটা কি বলা যায়।শুধু শুধু কবর খুড়াখুড়ি ও বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের জেলে না ঢুকিয়ে বর্তমান সরকার সরাসরি বিএনপি ও অন্যান্য দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও আওয়ামী লীগের নাম পরিবর্তন করে বাকশাল বা একশাল (এক দলীয় শাসক দল ) করে ফেললেই পারে তাতে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় রইলো আর জনগণও ভয়ে চুপ থাকলো !

মোট কথা ......।

জাতীয় সংসদ এলাকায় কবরস্থান হওয়া যুক্তিযুক্ত কিনা- এ বিষয়ে আমাকে কেউ জিজ্ঞেস করলে আমি এক কথায় উত্তর দেবো- না; কেননা, জাতীয় সংসদ তো বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কবর দেয়ার জন্য নয় এবং এভাবে যদি অনবরতঃ বিভিন্ন সময়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ঐ এলাকায় কবর দেয়া হতে থাকে, তাহ’লেতো এক সময় ওটা সম্পূর্ণটাই আজিমপুর কবরস্থানের মত ভরে যাবে, যাকে আর কবরস্থান ছাড়া কিছুই বলা যাবে না। তবে হ্যাঁ, অতীতে ভুল সিদ্ধান্তে যাঁদের ঐ এলাকায় কবর দেয়া হয়েছে, তাঁদের দেহাবশেষ ওখান থেকে সরানোটা এখন আর ঠিক নয়, কেননা, ঐ বিষয়টার সাথে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সেন্টিমেন্ট জড়িয়ে আছে বা যাবে, যা অহেতুক নতুন একটা উদ্ভট পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে। দেশে বিরাজিত চাপা ক্ষোভের এ সময় আওয়ামী জোট সরকার যা করতে চাইছে, তা মূলতঃ নৈতিক কারণে নয়, বরং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হেয় করার মানসে- যা বিরোধী দলগুলো, সাধারণ মানুষ, এমনকি কোন কোন আওয়ামী লীগ-মনা ব্যক্তিরাও মনে করবেন বলেই বিশ্বাস। আর লুই আই কানের নকশাটাকে পবিত্র গ্রন্থ মেনে, সেটাকেই আমাদের ১০০% অনুসরণ করতে হবে- এমন তো কথা নয়; আমাদের প্রয়োজনে ও অবস্থার প্রেক্ষিতে কিছু অধিক হিতকারী ও আবশ্যিক পরিবর্তন আমরা করতেই পারি, যেমন- পশ্চিম পাশ দিয়ে পরিত্যক্ত পাম্পহাউস থেকে আড়ং মোড় পর্যন্ত কিছুটা জায়গা ছেড়ে দিয়ে একটা ভিন্ন লেন (বায়ে মোড়) করা যেতে পারে, যা কানের মূল নকশায় নেই, কিন্তু সেটা ঐ এলাকার যানজট নিরসনে একটা গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:৫৫
১৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বস্ত্রশিল্পের জন্য আমি সরকারের যথাযথ স্থানে থাকলে কি করতাম !!!

লিখেছেন অপলক , ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬



গত ১০ দিন হল দেশের বস্ত্র শিল্পের উপর আঘাত খুব চিন্তার বিষয়। অনেক আগে বিচ্ছিন্নভাবে বস্ত্রশিল্প নিয়ে কথা বলেছিলাম। আজ সব মিলিয়ে কিছু চিন্তা করলাম। তার কিছু এখানে নোট... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য নির্মূলে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


প্রস্তাবিত প্রকল্প: স্বাবলম্বী বাংলাদেশ - দারিদ্র্যমুক্তির নতুন নগর

আমি যদি সরকারের দারিদ্র্য নির্মূল বিভাগের প্রধান হতাম, তাহলে আমার প্রথম লক্ষ্য হতো বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করা ১ কোটি ৭০... ...বাকিটুকু পড়ুন

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে ভাল্লাগে- ২

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৯


"যে-রাঁধুনী জানে তার তরকারিতে স্বাদ হয়নি, সে নিমেষে লঙ্কার কৌটো উপুড় করে দেবে। তারপর অতিথি যখন কান দিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে হাঁউমাউ করবে, রাঁধুনী তখন মিটিমিটি হেসে বলবে—‘একটু ঝাল বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×