সবই রাজনীতি
৩১ শে আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৬:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
বাংলাদেশ সরকার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে একটি চাইনিজ মাইনিং কোম্পানির দ্্বারা কয়লা উত্তোলন করছে। এখানে কয়লার মালিকানা বাংলাদেশ সরকারের। কিন্তু হঠাৎ করেই সরকারের এনার্জি পলিসিতে পরিবর্তন দেখা দেয়। 1995 সালে তদানীন্তন বি এন পি সরকার আমলে বি এইচ পি নামে একটি অস্ট্রেলিয়ান কোম্পানীকে কয়লা খনি অনুসন্ধান ও উত্তোলনের লাইসেনস দেয়। 1997 সালে ফুলবাড়ি কয়লা খনি আবিস্কৃত হয়। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার আমলে বি এইচ পির সাথে 6% রয়ালটির চুক্তিটি হয় খনিটি ডেভেলপমেন্টের শর্তের সাথে। কয়লা খনির মালিকানা এইভাবে বাংলাদেশ হারায়। পরবর্তীতে বি এইচ পি এই কন্ট্রাক্টটি বেচে দেয় এশিয়া এনার্জি পি এল সিকে (ব্রিটেন)। এশিয়া এনার্জি বাংলাদেশ তাদের একটি সাবসিডিয়ারী যা ফুলবাড়ী প্রজেক্টের জন্যেই বানানো হয়েছে। এই সরকারের আমলে এনার্জী মিনিষ্ট্রির একটি উদ্দ্যোগ ছিল এই 6% রয়ালটি চুক্তিকে পরিবর্তন করে বর্তমান আন্তর্জাতিক স্টান্ডার্ড অনুযায়ী 16% এ উন্নয়ন করা। কিন্তু পরবর্তেিত সরকারী এক মহলের চাপ ছিল এই উদ্দ্যোগকে ধামা চাপা দেয়ার জন্যে । এবং সেই সময়ই ঘটল এই আন্দোলন ও গনজাগরন। অনেকের ধারনা এটিতে কেউ উস্কানী দিয়েছে।
আমরা কিন্তু ভেতরের সংবাদটি পাচ্ছিনা। সবকিছুতেই রাজনীতির মাইলেজ নেয়ার চেষ্টা। আওয়ামী লীগের সময়ই রয়ালটি চুক্তি করা অথচ তারা এখন চুক্তি বাতিলের জন্য গনআন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে হরতাল ডাকে। বাংলাদেশে এত ইনভেস্ট করা একটি কোম্পানির সাথে কোন চিন্তা ভাবনা ছাড়াই চুক্তি বাতিল করার কথা বলে বি এন পি সরকার, কারন নির্বাচন সামনে। ভোট হারানো চলবে না। দেশে এই ঘটনার পর আর কোন ইনভেস্টর আসবে কিনা তা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই। ক্ষমতা বহাল থাকলে বাপের নাম। অথচ এই সরকারের একটি মহল চুক্তি রিভাইজ করা থেকে বিরত থাকতে চাপ দিয়েছিল। কত যে টাকার খেলা ঘটেছে এর মধ্যে তা হয়ত আমরা কোনদিনই জানবনা।
এইভাবে টাটা এবং এশিয়া এনার্জির মত কোম্পানির সাথে বেনিয়া চুক্তি হবে আবার বাতিল হবে। সবই রাজনীতির জন্যে, মাঝামাঝি কিছুই নেই। দেশের ভাল করে কোন বিদেশী বিনিয়োগ চায়না এরা। আর সবশেষে গনপিটুনি দেয়ার জন্যে তো এই কোম্পানিগুলো আছেই। বের করে দাও ওদের। আমাদের উন্নয়নের দরকার নেই। কারন আমরা কোনদিনই এইসব রাজনীতিবিদদের কাছে জবাবদিহীতা চাইবোনা যারা দেশকে নিয়ে এসব খেলা খেলেছে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
এতদিন উপমা হিসাবে জেনেছি কারোর চোখ থাকে পটল চেরা, কারোর থাকে বাবুই পাখির বাসার মতন।
এই প্রথম দেখলাম গ্রে'স এলিয়ানের চোখ - এত মায়ায় ভরা।... ...বাকিটুকু পড়ুন
লিখেছেন
ঢাকার লোক, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:৩৪

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাওন হাওরের বর্গাচাষি আলী আকবর। কেমন আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ কৃষিকাজ করি খালি বাঁইচ্যা থাকার লাগি। কোনো লাভ নাই।’ হিসাব কষে বলেন, এখন...
...বাকিটুকু পড়ুন
বাতাসের নিঃশ্বাস, পিঠ ঠেকে যাচেছ
শহরের ধূলি বালির নর্দমার কাছে;
কখন চিৎকার করে বলে ওঠবে-
দূষিত নিঃশ্বাস তোমরা সরে যাও
তোমরাই স্বার্থপুরের রাক্ষস রাক্ষসী;
সাবধান বাতাসের কোটি নিঃশ্বাসগুলো
লজেঞ্জুষ হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে-
খুব আদর করে...
...বাকিটুকু পড়ুন




খোঁজ করলে দেখাি যাবে, কুকুর-বিড়াল পালকদের অনেক কাছের আত্মীয়-পরিজন অনেক কষ্টে জীবন কাটাচ্ছে। তাদের প্রতি কোনও দয়া-মায়া নেই; অথচ পশুদের জন্য...
...বাকিটুকু পড়ুন
মনে আছে ছেলেবেলায়
ঝুমঝুমিয়ে বৃষ্টি এলে,
পাতার ছাতা মাথায় দিয়ে
হাঁটতাম পথে এলেবেলে।
অতীত দিনের বৃষ্টির কথা
কার কার দেখি আছে মনে?
শুকনো উঠোন ভিজতো যখন
খেলতে কে বলো - আনমনে?
ঝুপুর ঝাপুর ডুব দিতে কী
পুকুর জলে...
...বাকিটুকু পড়ুন