ইতোবৃত্ত –
শ্রাবণ আহমেদ হিমু।
বন্ধু তোকে স্বাগতম।
আজ পিছলে পড়েছি শতাব্দী সম পথ পিছে !
হয়তো ভ্রু-কুঁচকে পাশে দেখবি কদাচিৎ -
নেহায়েত অভ্যাসে দিবি বিজয়ের হাসি।
আলোচিত হবে তোর বন্ধু সভার মাঝে
বিছিন্ন সব বিশ্লেষণে হবে সময়ের সন্ধিবিচ্ছেদ।
উপবিষ্ট হবে অদৃশ্য কোন অধ্যায় –
এসব জেনে কি হবে শুনি?
একদা বড় বড় কথার গল্প ভেসে যেত হাসির জোয়ারে –
আজ ছোট ছোট মানবিক জিজ্ঞাসা বন্দি হয় কথার পিঞ্জরে।
আজ আমি বৈরী, করি অভিশংসন পতিত পাণ্ডিত্যে,
অমানিশা পরিক্রমা থেকে পূর্ণিমা চক্রে,
ভূপাতিত আঁধারে করি গৃহ সজ্জা -
কদাকার আমি, প্রচ্ছন্ন অবিতথ নির্বোধ
অবজ্ঞার তান্ত্রিক ধারা –
গণ্ডুস ভরিয়া ভরি ভিক্ষার ঝুলি।
তারপরও কেন বারে বারে হায় –
জড়িয়ে রাখা বুকে সেই পুরোন ধুলি-
তোকে দেখার অপার সময় আমার হৃদয় মাঝে
সকাল দুপুর যায় বা বলিস সন্ধ্যা কিংবা সাঁঝে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



