রংচঙ্গা ঠোটে লাস্যময়ি হাসির আড়ালে
এক জীবনের দীর্ঘনিশ্বাস চেপে রাখা
নিশিকন্যার শরীরে দিশেহারা
ক্ষোভ বমি করে দিয়ে তোকে ভুলতে চাই,
এলকোহলের বন্যায় লিভারটাকে পচিয়ে
গাজার গন্ধে নিজেকে বিসর্জন দিয়েও তোকে ভুলতে চাই।
যে হৃদয়ে তোর পাকাপোক্ত আবাসস্থল ছিল
তা বিষাক্ত নিকোটিনের ধৌয়ায়
কানায় কানায় পূর্ণ করি
কেবল তোকে ভুলতে চাওয়ায়
এড়িয়ে যাই চেনা গলিপথ
পরিচিত বারান্দা, চির চেনা মুখ
এড়িয়ে যাই ব্রেণের সেলে জমে থাকা সৃতি, পুরোনো অতীত
এড়িয়ে যাই তোর অস্তীত্ব, এড়িয়ে যেতে চাই তোর আসক্তি।
আসক্ত হয়ে পরি বেশ্যার রঙ্গে ঢঙ্গে
আসক্ত হয়ে পরি মাতালের আসরে
লিভারটাকে মদের বোতলে ডুবিয়ে দিয়ে
খিস্তীতে তোকে ধর্ষণ করে
আমি আসরের মধ্যমণি হয়ে যাই ,
লাল লাল চোখ ঘীরে থাকে আমাকে
প্রসংসার কলরবে টেবিলে দু'বতল বারতি চলে আসে
গিলে খাই অমৃর্তের শেষ বিন্দু
যেমন করে গিলে খেতাম তোর ঠোটে জমানো রস, বিষাক্ত।
যে তোর হাসিতে মাতাল ছিলো
সেই আমার আমিকে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করি,
ঠোটে তুলে নেয় গাজার স্টিক
দু'টানেয় ঝিম ঝিম করে, মাথা
ক্যাবিত্ব এসে ভর করে
আমি কবি হয়ে যাই
লিখেফেলি ইতিহাসের শ্রেষ্টতম ব্যার্থ কবিতা ।
রাষ্ট্রের চোখে আমি বখাটে নামে নষ্ট হয়ে যাই
ঘুরে বেড়ায় আশুদ্ধ নগরীর এগোলি ওগোলি
কেবল তোকে ভুলতে নষ্ট খেলায় নষ্ট জীবন বাজীধরি
কেবল তোকে ভুলতে কথিত শুদ্ধ সমাজের চোখে
তীব্রঘৃণা নিয়ে আমি বার বার আত্তহত্যা করি
মরা লাশ হয়ে প্রিয় শহরে ঘুরিফিরি।
তবুও আমি ভালো থাকতাম
কেবল তোকে যদি ভুলতে পারতাম।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



