তোমার স্মৃতিন কুয়াশা ঢাকা ভোরে
মনিকা আলো জ্বেলে বারে বারে,
সময়ের যুগ ধরে আমি করে গেছি ইশারা
তুমি হওনিকো তখনো দিশেহারা।
আমার কল্পনার মায়াবী রাতে
আর দিনের প্রখর সূর্যের রশ্মীতে
ডেকে গেছি চুপিসারে
তোমার মনের ঘুম ভাঙ্গাতে।
বিরহী এ হৃদয়ে কতো ঝড় বয়ে গেছে
অপেক্ষার সীমানা পার করেছি,
তবু কন্টক চরনে হাঁটতে গিয়ে দ্যাখো
রক্ত চিহ্ন এখনো লেগে আছে তাতে।
শাওন মেঘের দিন আর বৃষ্টি ভেজা রাতে
শাসনের পৃথিবীর ভয়াল চোখের আড়ালে,
আমরা দুজন কুল মালা গেঁথে
পরেছি সি্নগ্ধ বকুলের তলে।
আমাদের নিস্পাপ দুটি শিশু মন
আদিগন্তে হারিয়ে যাবার ছলে,
সুনীল আকাশের শেষ প্রান্তে
হাত ধরে হেঁটে হেঁটে পেঁৗছে যেতাম
অজানা ভালোলাগার মঞ্জিলে।
স্বপ্নের নুড়ি কুড়িয়েছি
আর আনন্দ উচ্ছলতায়
জীবনের বালুকা রাশিতে,
শীতল, উষ্ণ ভালোবাসায়,
নির্বাক দৃষ্টি আর
ব্যথাভরা মন এখনো
থমকে দাঁড়ায় সোনাঝরা সেই
সুদূর অতীতের আঙ্গিনায়।
সাগরের নরম সুন্দরতম বেলাভুমিতে
দুষ্টুমিভরা মূহুর্তে লিখেছিলাম
তোমার আমার নাম।
হয়তো মুছে ফেলেছে উত্তাল ঢেউরাশি
তবুও আছো স্বর্ণাক্ষরে লেখা
স্মরনের সিড়িতে প্রিয় সেই নাম।
নীরবে হৃদয়ে লালন করে পেয়েছি
এই নিষ্ঠুর পৃথিবীর সুবাসিত বদনাম।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




