এই আমার প্রধান তিন শত্রু;প্রতিবন্ধক
পথে পথে আঁকাবাঁকা জীবনের।
দৃষ্টির ফাঁক গলে হুট করে
উড়ে এসে জুড়ে বসে যখন তখন
ত্রয়ী শত্রু আমার
যে কোন পথের বাঁকে।
আমি গাড়ী চালাতে জানি,
সম্মুখপাণে যখন গাড়ীর গতি
দক্ষতা তখন মোটামুটি।
কিন্তু তখনই ছুটে আসে সংশয়
যখন পেছনমুখী গতি,
সংশয় দূর্বলতা আনে দক্ষতায়
এই বুঝি পেছনে কোথাও ধাক্কা খায়।
আমি সাঁতার কাটতে জানি,
একটানা দুরন্ত সন্তরণে
ছোট জলাধার এপার ওপার।
কিন্তু গভীর জলে নামলেই সংশয়।
মনে চেপে বসে দূর্বলতা,
মনে হয় থেমে থেমে ভেসে থাকা বড় দায়।
এদিকে বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা
যুক্তির সীমানায় পেঁৗছাতে দেয়না
কোন স্পষ্ট ধারণা।
যুক্তি বোঝায় এক মত
আর সংস্কারের বর্ণালী সীমাবদ্ধতা
আটকে দেয় পথ,
থমকে যাই মধ্য পথেই, জীবনে
থমকে থমকে কষ্ট পাই এভাবেই।
আর সময়তো সেই চিরন্তন
শক্তিধর শত্রু আমার ,
সর্ব গতি রোধ করে বারবার।
সময় কাঁদায় প্রচন্ড আঘাতে
সীমাবদ্ধতা আর সংশয়ের সাথে আতাতে।
সংশয় আর সীমাবদ্ধতার প্ররোচণায়
সময়ের অসহযোগে তাইতো
এ কবিতার ও বাকী ভাবটুকু
অসমাপ্ত থেকে যায়।
02/07/06
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




