পুরোনো ডায়েরি তে হঠাৎ পেয়ে গেলাম একটা ছেড়া কাগজ। কবিতাময় কিছু বাক্য লেখা । দুই কলমের কালী স্পষ্ট বোঝা গেল। মনে পড়ল , বাক্য চয়ন করে সময় কাটাচ্ছিলাম আমি আর আমার এক বন্ধু সজীব। তখন দুজনে একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে লেকচারার ছিলাম। সজীব বর্তমানে মহাসুখে যাযাবর বেশে ইংল্যান্ডে আছে । কদাচিঃ নেট এ তাকে পেয়ে যাই । খুবই কম। তো কোন এক দুপুরে যা লিখেছিলাম তা ওই কাগজে ছিল এবং সংগ্রহেই ছিল অজান্তে।
লাল রং এর লেখাগুলো সেই বন্ধু সজীবের লেখা , সজীব একজন ছাইচাপা কবি।নিরুত্তাপ ছড়ানো ভাব। আর সবুজ রং এর লেখা গুলো ছিল আমার । কবি হওয়ার যার প্রানন্তঅর্বাচীন চেষ্টা চলছে আজও।
অর্ধবৃত্তাকারে আবর্তিত জীবন কখনো কখনো কেন্দ্রের খুব কাছে চলে আসে।
মাঝে মাঝে পরিসীমার বাইরে ছুটে যেতে চায় পারেনা।
পরিসীমার দিকে কারা যেন কিলবিলিয়ে হাসে।
ওদের সাথে যুদ্ধ জয়ের সাধ কি মনে জাগেনা?
আকাশ বাতাস অনেকতো হলো এবার চলো জীবনটাকে জীবনমুখী করি;
অল্প আলোয় স্বপ্নদেখা গল্প বলা ছাড়ি।
আমার তোমার অনেক আশায় বাস্তব আর ভালবাসায় এস তবে জীবনটারে সমৃদ্ধ করি,
হই নতুন আলোয় নব পথে নব জীবন বিহারী।
প্রেম করিতে চাহেনা মন।
চঞ্চল চিত্ত আমার ।
জীবনের এ গলি ওগলি আঁকিবুকি কাটে শুধু।
রবির আলোয় রেীদ্র খেলায় তপ্ত দুপুর , ঐ দেখ পথে কাদের যেন আজ প্রেমের মত্ততায় মনে ভরপুর আনন্দ জোয়ার,
হিংসার রাজ্যে আপার কুঞ্জে তবে আমাদের কেন সমাহার?
আয় আয় চাঁদ মামা টিপ দিয়ে যা
চাঁদের কপালে চাঁদ টিপ দিয়ে যা
আমার কপালে তুই লাথি মেরে যা।
--সময়কাল 2005 এর প্রথম দিক

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


