[রং=#778899]কিভাবে শুরু করব বুঝছি না। সবাই মোটমুটি এতদিনে লক্ষ করেছেন মনে হয়। লিখব কিছু , না লিখব না , না লিখব..........আজ লিখেউ ফেললাম।
শফিক রেহমান সাহেবের নতুন দৈনিক যায় যায় দিন ...........প্রতিদিন একটি বাড়তি ইন্টারনেট অনুবাদীয় তথ্য সমৃদ্ধ প্রত্রিকা পড়ার লোভে নাড়াচাড়া করি। এবং প্রতিদিন ই মনে দাগ কাটে, মন আমার নিজের কাছে নিজেরে প্রশ্ন করে গত 28 বছরে দেখে আসা বানান গুলো হঠাৎ এভাবে অঘোষিত বা অআলোচনায় পরিবর্তন সাধিত কেমনে হলো। আত্মবোদ্ধা ভেবে কি শফিক সাহেব উহা করেছেন,,,,,,,,,প্রমাণ করেছেন বাংলা ভাষার দখলে তিনি ব্যতিত্রম কিছু আনয়ন কারী। জানিনা। আর জানিনা বিধায় প্রশ্ন..................
কি পরিবর্তন হলো বানানের বিশেষ এক স্টাইলে একটু দেখে নেই..............
আমরা সারাজীবন লিখলাম
আফ্রিকা...
যাযাদিন করে দিল আফৃকা।
গ্রিল হলো গৃল।
ড্রিল হয়ে গেল ডৃল।
প্রিয় হয়ে গেল পৃয়।
আর ও ...............কিছু উদাহরণ যেমন,
প্রিন্ট= পৃন্ট;
প্রিতম=পৃতম
ব্রিলিয়ান্ট=বৃলিয়ান্ট
অষ্ট্রিয়া=অষ্টৃয়া
প্রিনস=পৃনস
ফ্রি=ফৃ
প্রি-টেস্ট=পৃ -টেস্ট। এমন কি
ক্রিকেট কে করা হয়েছে কৃকেট।
অর্থাৎ র-ফলা যুক্ত ই- কার কে ঋ -কার বানানো হয়েছে।
বানান পরিবর্তন কি যে কেউ করতে পারে? বাংলা একাডেমি বা যথাযথ কতৃপক্ষ কি নেই?
মানছি ্রি এই ধরনের বেশীর ভাগ শব্দ বিদেশি, কিছু বাংলাও আছে, আর বিদেশি শব্দের বাংলা লেখায় ইচ্ছে প্রয়োগ...চলতেও পারে, বলবেন কেউ কেউ হয়তো।
যেমন--Adward
এর বাংলায় কেউ লিখবেন.....অ্যাডওয়ার্ড আবার কেউ এডওয়ার্ড।
তাই বলে প্রিয় ...পৃয়.....আর ক্রিকেট হবে কৃকেট।
সুধিজন কারও কাছেই কি দৃষ্টি কটু বা অহং লাগছে না মোটেও?
আমার প্রশ্ন এবং প্রতিবাদ সেখানেই । পরিবর্তন হতে পারে কিন্তু সার্বজনীন না হলে স পরিবর্তন গ্রহন যোগ্য হয় কি করে?[/রং]
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৫:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



