কখনও আলোচনা হয়েছে প্রহসন জাগানোর হাতিয়ার। ডিলেমা বাড়ানোর কৌশল দূর্জন গোষ্ঠীর।
আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরুর কিয়দকাল পূর্বে তৎকালীন সম্মিলিত পাকিস্তানের েপ্রক্ষাপটে যখন নির্বাচন হলো ১৯৭০ সালে সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেল পূর্ব পাকিস্তানের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর নেতৃত্বাধীন দল আওয়ামিলীগ। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা। সেখানেই তো আতে ঘা লাগার সূত্রপাত পশ্চিম পাকিস্তানী হানাদার কসাই নেতাগণের। এসব আমাদের সবারই জানা।
ভোট এ তো জয় এল , ক্ষমতা আর হস্তান্তর হয়না ...ইয়াহইয়া , ভুট্টো , আইয়ূব এসব দুষ্টাত্বা বারবার আলোচনার কথা বলা শুরু করলেন। আলোচনা মানেই ডিলে , ডিলে মানে ডিলেমা। সেই অবসরে শয়তানী পরিকল্পনা। ফাইনাল এক আলোচনার মিথ্যে আশ্বাস জাগিয়ে বাস্তবায়না করল হারামীর দল সেই ইতিহাসের জঘন্য তম গণহত্যা ২৫ শে মাাের্চর রাতে। গা শিউরে ওঠা জেনোসাইড। আলোচনা নামক প্রহসন আমরা সে ইতিহাসের পেছনে দেখতে পাচ্ছি স্পষ্ট।
এর পর কেটে গেছে ৩৬ বছর ...মাঝে কত কত আলোচনা, সমালোচনা, গৃহ যুদ্ধ , কু , গনঅভ্যুত্থান ...গনতন্ত্রের অবোধ আগমন।
বিগত তিনটি সংসদীয় পদ্ধতির গনতান্ত্রিক সরকারের কর্ম তো স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করলাম আমরা জনগণ। যদিও তারপরও জনগণ আমরা দূর্বলতা ঢেকে ঢেকে আপন আপন ভ্রান্তি প্রতিষ্ঠায় আলোচনা য় যুদ্ধ বিগ্রহ শুরু করে দেই আমরা আড্ডায়।
মহা সংকট হাজীর হওয়ার কথা আরও আগেই। একটু দেরীতেই এল দেশে ...হয়তো দেশে সত্যিকারে দেশপ্রেমী, যোদ্ধা, বীরঙ্গনা মানুষের পদচারণার জন্যেই এই দেরী। সংকট তো ছিলই ..দেরীটা জাস্ট একটু ফুলে ফেঁপে বাড়তে।
বিগত সরকারের বিদায়ের শেষ মাসে জাতি প্রত্যক্ষ করল দুই প্রধান দলের মহাসচিবের সংলাপের নামে আলোচনার বিশাল কিন্তু সংকীর্ণ মনা প্রহসন।
ইদানীং দেখা যাচ্ছে তত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টাদের অফলপ্রসু কত কত আলোচনা। তাদের সাথে আবার বিভিন্ন দলের নেতা নেতৃদের আলোচনাও বারংবার।
কখনও গোপন আলোচনা উত্তরায় এক বিশেষ ব্যক্তির ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিশিষ্ট সরকারী কর্মকর্তাদের।
ব্যাঙের ছাতা টিভি চ্যানেল গুলাতে রাত দিন চব্বিশ ঘন্টা খালি আলোচনা আর আলোচনার অনুষ্ঠান। কোন সমাধান নেই। অকারণ । স্যাটেলইট এর ভাড়া দিতে হয় ...সময় েক্ষপন তো করতেই হবে!
ভালই- নানান টক শো , আলোচনা শো ও মাধ্যমে বিভিন্ন ক্ষেেত্র দেশে উন্নত ব্যক্তি বর্গ মন খুলে মনের কথা বলার সুযোগ পাচ্ছেন।
ভালই হলো সুন্দরী প্রতিষ্ঠীত নারীগণ পয়সা খরচ করে বিউটি পার্লারে যাবার একটা সার্থকতা খুঁজে পাচ্ছে।
হায়রে আলোচনা-- ক্রিকেট খেলার পর্যালোচনা করতে দেখলাম আজ সকালে বাংলাদেশ আর জিম্বাবুয়ের ম্যাচের মাঝে একজন বিশিষ্ট অভিনেতাকে।
মোবাইল কোম্পানীর মার্কেটিং ম্যানেজার কিংবা গানের শিল্পী দিচ্ছে রাজনৈতিক সমাধান। পাবলিক হা করে গিলছে। গিলছি আমি তুমি ।
নিজেরাও সে সব নিয়ে আলোচনা করছি। টিভির পর্দায় বিরোধী দুই দলের দুই নেতা দুইপাশে বসে আলোচনার নামে একে অন্যের একহাত দেখে নিচ্ছে সুমন দার ভাষায় সেই খিস্তি খেউরে।
বিদেশ থেকে প্রভুদের প্রতিনিধি আসছে একেরপর এক। আলোচনা করছে। সমাধান তবুও অপার্থিব হয়েই থাকছে।
ভয় হচ্ছে এভাবে আমরা কি আলোচনা সর্বস্ব জাতিতে পরিণত হয়ে যাব? সমাধান এর কি হবে। ভাড়া করে নিয়ে আসতে হবে কি এক সময় সমাধান কারীদের?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


