মেয়েটা হাসে, হাসতেই থাকে , যুবকের শূণ্য মনে সে হাসি ধুম্র জাল বুনে চলে কয়েক প্রসহ। " বই মেলায় গিয়েছিলাম। কই বলেননি না তো আপনার বই বেরোচ্ছে। ইস! তাও আবার কবিতার বই।" কথা কটা বলেই ধুম্র জালের রসদ হাসি বেড়ে যায় আরও এক প্রস্থ। ছেলেটা একটু নরম হলেও গাম্ভীর্য ঠিক বজায় রেখে বলে ওঠে , "প্লিজ আর মিস কল দেবেন না। ......." হয়তো আরও কিছু বলতে যাচ্ছিল তার আগেই মেয়েটার কণ্ঠ চঞ্চল হয়। সে কণ্ঠে চটুল সুরে কবিতার লাইন উচ্চারিত হতে থাকে । ছেলেটা শুনেই বোঝে আরে এ যে তারই কবিতা। চুপ করে শোনে কবিতার শেষ লাইনটুকু অবধি। মনে মনে ভাবে সত্যিই তো মেয়েটার আবৃতির কষ্ঠ বেশ। কবিতা শেষ হতেই মেয়েটা আবার মনভোলানো হাসিতে মাতে । হাসির ফাঁকে ফাঁকেই মিষ্টি কণ্ঠ হতে ভেসে আসে , এই গুলো কোন কবিতা হলো। কবিতা লিখতে পারেন না , লেখেন কেনো?" ...বলতে বলতে আর হাসতে হাসতে মোেবাইলের লাইন ওপাশ থেকে কেটে দেয়। যুবক হাসিতে তখন মন্ত্র মুগ্ধ তাই ধরে থাকে কানে বিধবা মোবাইল।
====================================
ছবি ঃ
আমার তোলা
সেন্টমর্ািটন হতে টেকনাফের পথে জাহাজে
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মার্চ, ২০০৭ দুপুর ২:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



