না , কোন বৃষ্টি হয়নাই কক্সবাজারে। বৃষ্টির লক্ষণ ও নাই।
সাগরের বুকে সহবাস করিয়াও আসিনাই
ইহা নোনা জলও না। ইহা শুদ্ধ ট্যাপের জল। তাহারা সেই জলেই মত্ত হইয়া ছিটাছিটির খেলায় ব্যস্ত রহিয়াছে।
আমি বাটে পড়িয়া গিয়াছিলাম।
আজ কক্সবাজারে রাখাইনদের ঐতিহ্য বাহি পানি খেলার তিন দিন ব্যাপি উত্তাল মাতাল মৌতাত উৎসবের শেষ দিন।
দুপুরে ভোজন পর্ব শেষ করে একটু বিছানায় গা এলিয়ে অফিসের যাবার সময় গুনছিলাম,হঠাৎ গ্রামীণ ফোনের বন্ধুবর দুজন আসিয়া টেনে হিচড়ে নিয়া গেলো পানি খেলা দেখাইতে।
আমিও ভাবিলাম কক্সবাজারে আছি এত দিন ধরিয়া এই অঙ্গ ভেজানো খেলাটা না দেখিলেই নয়।
দেখিলাম। রাখাইন নারী আর মেয়েগুলোর সোনার অঙ্গ চুইয়া চুইয়া জল পড়িতেছে। কেহ নাচিতেছে। কেহ গাহিতেছে। কেহ মাতাল হইয়া কি করিতেছে নিজেই বুঝিতেছেনা। ...
এক মন্ডপ ঘুরিয়া আমরা বৌদ্ধ মন্দিরের পাশে বিশাল মন্ডপটাতে ঢুকিতেই কোথা হইতে কারা যেন জল ছুড়িয়া মারিল।
সুবিধা জনক অবস্থানে থাকিয়াও বন্ধু দ্বয়ের দেহ সঞ্চালনের চতুরীতে আমার উধ্বাঙ্গ পূর্ণ ভিজিয়া গেলো্।
তারপর সেই ভেজা গায়ে রাখাইনদের কিছু মারামারি দৃষ্টি গোচর হইলো।
ভাবিলাম রথ দেখিতে আসিব আর কলা খাইব না । তাহা তো ঠিক হইতোনা। তাই পানি খেলা দেখার সাধ এবারের মতো মিটাইয়া প্রস্থান করিলাম।
১৮/৪/০৭
( বিঃ দ্রঃ সুযোগে কিছু ছবি তুলিয়াছি পানি খেলার। ল্যাপটপটা নষ্ট বিধায় এই মুহূর্তে ঝবি পোষ্টাইতে পারিলাম না। তবে চেষ্টা করিতেছি দেখি এই স্লো পিসি সে ই সুযোগ পরিগ্রহণ করিতে দেয় কিনা )
আজ ছবি কিছু দিতে পারলাম...দেখুন///
২/৪/০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

