আমার মৃত্যুর বিচার চাই।
আমি বিজয় কৃষ্ণ দুলাল পাল। আমার পাঁচ বছর বয়সে আমাকে ধাক্কা দিয়ে পুকুরের জলে ফেলে দিয়েছিল পনেরো বছরের বালক সোমেন চন্দ্র নন্দী। আমি সোমেন মামার শত্রু ছিলাম না। দাদু মণীন্দ্র চন্দ্র নন্দী আমার মা বিষ্ণুপ্রিয়াকে বলেছিল-"তোর খোকাকে রাজা করবো। শ্রীশের পর তোর ছেলে রাজা হবে,সোমেনকে রাজা করবো না।"
আমাকে পুকুর ঘাটে একা পেয়ে সোমেন ধাক্কা দিয়ে জলে ফেলে দিলো। আমি জলে হাবুডুবু খাচ্ছিলাম। আর আমাকে দেখে সোমেন হাসছিল। তার এই অপরাধের কোন ক্ষমা নেই। তাকে সাজা দেবার জন্য আমি জাতিস্মর হয়ে জন্ম নিয়েছি।

চেয়ারে বসে আছে সোমেন চন্দ্র নন্দী। বাম দিক থেকে দ্বিতীয় ব্যক্তি সোমেন চন্দ্র নন্দী। চেয়ারে বসে থাকা চতুর্থ ব্যক্তি (বাম দিক থেকে) গোপাল নারায়ণ রায়। আমি সরাসরি পৌঁছে গিয়েছিলাম গোপাল বাবুর কাছে। তার সাথে কথা বলেছিলাম। কিন্তু সোমেনের সাথে ফোনে কথা বললেও আমার সাথে দেখা করতে চায় নি। পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা দ্বিতীয় ব্যক্তি ( বাম দিক থেকে) সোমেনের পুত্র সমিত চন্দ্র নন্দী।

বাম দিকে প্রথম চেয়ারে বসে আছে সোমেন চন্দ্র নন্দী।

বাম দিকে প্রথম চেয়ারে বসে আছে সোমেন চন্দ্র নন্দী।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


