১.
যমরাজ শুধাইলো, " কি এহেন কম্ম করিয়াছো জীবদ্দশাই?"
উত্তরে কহিলাম, " মহারাজ, অপেক্ষা করিয়াছি!! "
যমরাজ উত্তরে তুষ্ট হইলেন বলিয়া প্রতীত হইতে লাগিল। সেই মুহুর্তেই চিত্রগুপ্ত খাতা উলটাইতে উলটাইতে বিড় বিড় করিয়া বলিতে লাগিলেন," তাহার অপেক্ষা হইতে মৃত্যু শ্রেয়"।
যমরাজ কেমন যেন বিষন্ন হইয়া পড়িলেন।
২.
মহারাজ আদেশের সুরে প্রশ্ন করিলেন, " নরকে প্রস্থানের পূর্বে শেষবারের মত কি চাও?"
খানিক সময় অতিবাহিত হওয়ার পর বলিলাম," যদি নরকে শত মৃত্যু যন্ত্রনা পাই তবে আর কিছু চাই নাহ"।
মহারাজ বিস্মিত হইলেন! বলিলেন," কেন?"
উত্তরে বলিলাম, "একমাত্র মৃত্যুযন্ত্রণাই আমাকে তাহার স্মৃতি ভূলাইতে পেরেছিল"।।
৩.
রাগান্বিত স্বরে যমরাজ বলিলেন,"মর্ত্যলোকে বহু অন্যায় করিয়াছো, তাহার জন্য তোমার কিরুপ শাস্তি হইতে পারে তাহা কি তুমি অনুমান করিতে পারিছো?"
চিত্রগুপ্ত আগুনে ঘি ঢেলে বলিলেন, "এই বাছা কে দুই বেলা অন্নজল গ্রহন করা হইতে বিরত রাখা গেল"।
শাস্তির ধরন দেখিয়া আমি কিঞ্চিৎ বিস্মিত হইলাম বটে। কতক বেলা যে তাহার রাগ কমানোর উদ্দেশ্যে অন্নজল স্পর্শ করিয়া দেখি নাই, তাহার হিসেব কি চিত্রগুপ্ত রাখিয়াছে??
৪.
যমরাজ চিত্রগুপ্তকে বলিলেন, "হিসেব করিয়া বল দেখি এই মনুষ্যকে স্বর্গে স্থান দেয়া যায় কিনা??
চিত্রগুপ্ত মহারাজের আদেশ মাত্রই শুরু করিয়া দিলেন
খাতা পত্র ঘাটাঘাটি।।
আমি নিশ্চিন্ত চিত্তে এদিক ওদিক দেখিতে লাগিলাম।
আমি তো জীবিত অবস্থায় স্বর্গের ত্যাগ করিয়াছি, মৃত্যুর পর স্বর্গে আমার রুচি নেই!!
অসমাপ্ত!
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুন, ২০২০ রাত ৯:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



