
ছবি-০১
ভোর পাঁচটায় ঘুম থেকে জেগে দেখি আমার ছোট ছেলে উঠে বসে আছে। মনে হলো তার সারা রাত ঘুম হয়নি। কখন রমনা পার্কে যাবে সেই চিন্তায় সারা রাত কেটেছে। আমার ছেলের তাগাদায় সকাল ছয়টা হওয়ার আগেই তাকে সাথে নিয়ে বের হতে হলো।

ছবি-০২
বেলুনের সমারোহ

আমার ছেলে গিয়েই আগে একটি একতারা কেনার বায়না ধরল। অবশেষে বাধ্য হয়ে একতারা কিনে দিলাম। একতারা হাতে নিয়ে বাংলা একাডেমির নজরুল মঞ্চে গেলে বাউলরা তার সাথে ছবির পোজ দেয়।
ছবি-০৩

মাটির তৈরী পাখি। দেখতে অসম্ভব সুন্দর। বোঝাই যায় না এগুলো মাটি দিয়ে তৈরী। সেখানে গিয়ে পাখির গায়ে হাত দিয়ে খাঁচার ভিতর অচিন পাখি গানের সুর ধরে আমার ছেলে।
ছবি-০৪

বাংলা একাডেমির দেয়ালে আঁকা ছবি।
ছবি-০৫

প্লাস্টিকের ফুলের সহারোহ।
ছবি-০৬

রংবেরংয়ের বাতাস খাওয়া পাখা এবং বাঁশের তৈরী জিনিষপত্র।
ছবি-০৭

বিভিন্ন ধরনের খেলনা এবং প্লাস্টিকের বাঁশি।
ছবি-০৮

চারু কলার সামনে
ছবি-০৯

চারু কলার সামনে বৈশাখী র ্যালীর জন্য প্রস্তুতী
ছবি-১০

চারু কলার সামনে বৈশাখী র ্যালীর জন্য প্রস্তুতী পাখির অবয়ব
ছবি-১১

শিশুপার্কের সামনে ঋষিজ শিল্প গোষ্ঠীর গান।
ছবি-১২

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান আর রমনা পার্কের মাঝের রাস্তা।
ছবি-১৩

রমনা পার্কের পশ্চিম পার্শ্বে গানের আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।
ছবি-১৪

প্রেস ক্লাব আর হাইকোর্টের মোরে।


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




