
প্রত্যেকের কোরবানির মাংসের তিন ভাগের এক ভাগ জমা দেয়ার পর জমাকৃত মাংস।
ছবি-০২

মাংস জমা দেয়া হচ্ছে।
ছবি-০৩

সমাজভুক্ত প্রত্যেক বাড়ির জন্য একটি করে ভাগ।
ছবি-০৪

মসজিদের আওতাভুক্ত নামের তালিকা অনুযায়ী বাড়িওয়ালাদের নাম ডেকে ডেকে মাংস দেয়া হচ্ছে।
প্রত্যেক গ্রামেই মসজিদ ভিত্তিক সমাজ প্রচলিত আছে। মসজিদ কমিটির দ্বারাই ঐ মসজিদের আওতাভুক্ত সমাজ পরিচালিত হয়ে থাকে। কিছু কিছু গ্রামের কোরবানিও মসজিদ কমিটির নিয়ন্ত্রনে থাকে। কোরবানির মাংস যাতে সমাজের সবার ঘরে ঘরে পৌছে এই দায়িত্ববোধ থেকেই কোরবানির মাংস তিন ভাগের এক ভাগ মসজিদ চত্বরে জমা করতে বলা হয়। এই নিয়েমের কেউ ব্যাতিক্রম করলে তাকে সমাজের কমিটির কাছে জবাব দিহি করতে হয়।
জমাকৃত মাংস কমিটির লোকজন মসজিদের আওতাভুক্ত যত বাড়ি থাকবে প্রত্যেক বাড়ি প্রতি ভাগ করবে। মাংস ভাগ করার সময় ধনী গরীবকে আলাদা চোখে দেখা হয় না সবাই সমান হারে ভাগ পায়। এই নিয়মে কোরবানীর মাংস বন্টন করার কারণে কোরবানির দিন কেউ মংস থেকে বাদ যায় না। যে কোরবানি দেয় সেও খেতে পারে যে কোরবানি দেয়নি বা দেয়ার সামর্থ নাই সেও খেতে পারে।
উপরের ছবিগুলি ঢাকার পাশের থানা আশুলিয়ার জামগড়া গ্রামের উত্তর পাড়া হাজী আয়েত আলী মসজিদের চিত্র। এই এলাকায় দীর্ঘ দিন থেকে কোরবানির এই নিয়মটি প্রচলিত হয়ে আসেছে।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




