somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমি ইহুদী বলছি.........

১২ ই জুলাই, ২০১৪ বিকাল ৩:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কেই ইহুদী হতে পারে না বনী ইসরাঈল এর বংশধর না হলে । তেমনি পৃথিবীর অন্য কোন জাতি আমাদের বন্ধু হতে পারে না। আমরা আগে নিজেদের স্বার্থ দেখব অতপর মানবতা এবং.......... ।

কমুনিষ্ট আন্দোলনের মূলে যাদের মন-মগজ কাজ করছে তাদের সকলেই ইহুদী ছিল। কমুনিজমের জন্মদাতা কার্ল মার্কস মাতাপিতা উভয় দিক থেকেই ইহুদী! লেলিন এবং ট্রটস্কিও ইহুদী বংশেরই সন্তান। লেলিনের মা এবং স্ট্যালিনের স্ত্রী ইহুদী ছিল। বলেই আমাদের এই চিন্তা বিশ্বের বুকে আমরা প্রচার করেছি পরোক্ষ ভাব।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হবার পর লেনিন তার দুশো কমরেড নিয়ে একটি রেলগাড়িতে করে গোপনে রাশিয়ায় প্রবেশ করেছিল তাদের মধ্যে যে ১৬৫ জনের নামের তালিকা পাওয়া যায় আর যার মধ্যে ১২৬ জনই ছিল ইহুদী।৩০০ ইহুদী নিয়ে রাশিয়ায় প্রবেশ করে এবং রুশীয় বিপ্লবের ছক আকিঁ। বিপ্লবোত্তর রাশিয়ার শাসন যন্ত্রের ৫৫৬টি গুরুত্বপূর্ণ পদের ৪৫৭টিই ছিল আমাদের।

বিভিন্ন সমিতির ছদ্মাবরণে আমাদের সম্প্রদায়:
১. ফ্রিম্যাসন আন্দোলন
২. লায়ন ও রোটারী ক্লাব
৩. জাতিসংঘ * (জাতিসংঘের নাম দেখে অনেকেই হয়তো অবাক হবেন, তাই একটু না বল্লেই নয়)
*নিয়ইয়র্কের বিখ্যাত ইহুদী আইন ব্যবসায়ী হেনরী ক্লায়েন তার বই Zions rule the world New York,1948, এর এক জায়গায় লিখেছেন- “জাতিসংঘ ইহুদীবাদের নামান্তর মাত্র। ১৮৯৭ সাল থেকে ১৯০৫ সালের মধ্যে জারীকৃত বিজ্ঞ ইহুদীবাদী মুরুব্বীদের প্রোটকল পুস্তকে যে সুপার গভর্নমেন্টের বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে এটা তাই।” তবে আমাদের আনেকেই গালি দেয় , তাতে আমাদের কি? কেউ আমাদের কাজের প্রতিবাদ করে না সুতারং এ নিয়ে আমাদের মাথায় কোন চন্তা নেই ।

ইহুদী সম্প্রপ্রদায় তথা ইহুদীবাদ পরিচালনা করার জন্য কি সুন্দর , পরিকল্পনা আমরা করছি। যেমন:

**বিভিন্ন দেশের ভবিষ্যত প্রজন্মকে পূর্বের প্রকৃত ইতিহাস না জানানো ব্যবস্থা আমরা করেছি, তারা যেন শুধু তাদের দেশের সরকারের ভুল-ভ্রান্তি নিয়ে ব্যস্ত থাকে। বাংলাদেশে একটু খেয়াল করুন, বর্তমান প্রজন্ম মুসলমানদের তথা বিশ্বের বিভিন্ন ইতিহাস থেকে প্রায় অজ্ঞ বলা যায়। তাদের এমনভাবে তৈরী করা হচ্ছে যেন তারা শুধু নিজের সুখ চিন্তায় বিভোর হয়ে থাকে। আর এই প্রক্রিয়াটাকে এতই সুচতুরভাবে করেছি যে তারা এখন এটাকেই স্বাভাবিক হিসেবে ধরে নিয়েছে ।

**যুব সমাজকে এমনভাবে তৈরী করা হবে যেন তারা সরকারের একান্ত অনুগত হয়ে জীবন যাপন করে, কোন রকমের বিপ্লব বা পরিবর্তনের চিন্তা যেন তারা না করতে পারে। তবে পরিবর্তনের চিন্তা তারা করবে কিন্তু তা হবে তাদের পরিকল্পিত শিক্ষা ব্যবস্থার আলোকেই মানে আমাদেরই(ইহুদীদের) চিন্তার বিপ্লব ঘটবে। আজকে বাংলাদেশে দেখুন, যুবসমাজকে অনুগত করে ফেলেছি। কমুনিজমের আদর্শ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে যা ইহুদীদের কর্মের ফসল।

**যুব সমাজকে এমনভাবে তৈরী করা হচ্ছে যেন তারা স্বাভাবিক নৈতিকতা বোধ এবং অন্যায় নিয়ে মাথা ঘামায় কিন্তু বৃহৎ পরিসরে তারা অজ্ঞ থাকে। আর এইসব দিয়ে মুসলিম বা অন্য সকল যুবসমাজকে ইসলাম এবং তাদের নিজ ধর্মের মূল থেকে যোজন যোজন দূরে ঠেলে দেওয়া যাবে। কারণ, স্বাভাবিক একটা চিন্তা যখন মাথায় বদ্ধমূল হয়ে যায় তখন সেই ছাত্র তথা যুব সমাজ তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকে।

***বৃহৎ পরিসরে যুব সমাজ যেন স্বাধীন চিন্তা ধারার অধিকারী না হয়। তারা চিন্তা করবে আমাদের শিখানো পদ্ধতীতে। তাদেরকে যা শিক্ষা দেওয়া হবে তারা তাই তাদের মস্তিস্কে এমনভাবে বদ্ধমূল করে নিবে যে, এর বিরুদ্ধে চিন্তা করার শক্তিটুকু তারা পাবে না।
আজকে বিভিন্ন সমাজে দেখুন, প্রবল ইচ্ছা শক্তি, বুদ্ধি সম্পন্ন যুবসমাজ এমন সব কাজে তাদের মূল্যবান সময় ব্যয় করে যা কোন ভালো ফলাফল নিয়ে আসে না। যুব সমাজের মধ্যে প্রেমের বীজ এমনভাবে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে আর এই বিষয়টিকে এতই আকর্ষণীয় করে তোলা হয়েছে যে, এই বিষয়ে তাদের সাথে কথা বলতে গেলে হয়তো তারা অনেক সময় সম্মতি দিবে কিন্তু‘ ভিতরে ভিতরে তার কোন পাত্তাই দিবে না। আরেকজনকে নিয়ে সুখি হওয়া, শারীরীক সম্পর্ক, বিভিন্ন প্রকার কু-চিন্তায় তারা তাদের সময় ব্যয় করবে। আর এই চিন্তাটাকে এতই সুন্দর করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যে, তাদের কাছে এটাই স্বাভাবিক মনে হয় এবং হবে ।

***একটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ,এই শিক্ষাব্যবস্থার আলোকেই ভবিষ্যত প্রজন্ম গড়ে উঠবে। কাজেই সেই শিক্ষা ব্যবস্থায় যদি ধর্মের বিষয়টি উপেক্ষিত থাকে তাহলে তা হবে আমাদের (ইহুদীদের) স্বপ্নের বাস্তবায়ন। কুরআন এবং সহীহ সুন্নাহ ও বিভিন্ন ধর্ম থেকে দূরে রেখে নামধারী মুসলিমই বা বিভিন্ন ধর্মানুসারী লোক শুধু গড়ে উঠবে। ২০ থেকে ২৫ বছর পড়-লেখা করার পর মুখে হয়তো সে ঠিকই বলবে আমি আল্লাহকে ,ইশ্বরকে ,সৃষ্টিকর্তাকে ভালবাসি কিন্তু বাস্তব জীবনে সে প্রতিনিয়ত আল্লাহর, ইশ্বর ,সৃষ্টিকর্তার আদেশকে অমান্য করবে আর সে বিষয়ে তার কোন ধারণাই হবে না। সুতারং আমরা সফল হব। পৃথিবীর পরিচালক আমরাই থাকবো।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:০৫
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অনেকটা পথ হেঁটে এসেছি

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:০৫




১৯৯৭ সাল।

আমি তখন ক্লাস নাইনে পড়ি।

স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মামুন ভাইয়ের একটা অডিও ক্যাসেটের দোকান ছিল। পাশেই মির্জা ভাইয়ের কনফেকশনারি। টিফিনের সময় ওখানে প্যাটিস খেতাম।

সেই সময় অডিও ক্যাসেটের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশটাতো এখন রাজাকারদের....

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:২৮




একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে বাদী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী (৮৭)। মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়ার প্রস্তুতি চলার সময় জামাতের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫

এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝর্ণা জল

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:২১


আমি ব্যস্তবতা দেখি
পানকৌড়ির সাঁতার-
কল্পনায় শুধু স্বপ্ন আঁকি,
মধ্যবিকাল ঢেউ তোলা সাগর
হতাশা ডিঙিয়ে যায়- নিরিবিলি
রাত দুপুরের বাসর।

উড়ে ধোয়া, নিঃশ্বাসে সাদা বক,
খেলা করে যে, প্রণয়ের চক-
নীল মেঘ ভীর জমায়, বর্ষা কাঁদাময়,
ভোরের ক্লান্তি দেখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিম করা কি হারাম?

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৬




জিম করা কি হারাম?

হ্যাঁ, জিম করা হারাম!

যদি জিমে গিয়ে নিজের পেশিবহুল বাহুডোরে কোনো ললনাকে জড়িয়ে ধরেন!

কিন্তু তারপরেও কথা থাকে।

এখানে জড়িয়ে ধরাটা হারাম। জিম করাটা নয়!

অর্থাৎ, জিমে গিয়ে শরীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×