আমার প্রথম ভালবাসার প্রথম দিন
প্রথম দিন খুব সন্ত্রস্থ ভাবে কলেজে জাই। কত নতুন নতুন মুখ। সবাই সবাইকে উইস করছে। আমি ভয়ে চুপকরে দাড়িয়ে আছি এক কোনায়। কেউ আমাকে উইস করছেনা দেখে মনটা খুব খারাপ হয়ে য়াচ্ছিল। হঠাত একজন এসে হ্যান্ডসেক করাতে মনটা অনেক হালকা হল। সে আমাকে সবার সঙ্গে মিট করাতে হাতধরে টেনে নিয়েগেল। তারপর আর কী! সবাই ঝাপিয়ে পরল উইস করারজন্য।
তাপর ক্লাসে গেলাম। সবার আলাদা আলাদা ডেস্ক। আমার নামলেখা ডেস্কে বসে বেস গবই হচ্ছিল। আমার ডাদিকে কোনো ডেস্ক ছিলনা বাদিকে ছিল। বাদিকে একবার তাকিয়ে প্রতিবেসীর নামটা দেখেনিলাম। দখলাম তাতে "প্রদীপ্ত" লেখা। আসলে অ্যালফাবেটিকালি সাজান ছিল। তাই "পি" এর দল একসাথে। য়থারিতি ক্লাস সুরু হয়েগেল। কিন্তু আমার একমাএ প্রতিবেসী তখনও উধাও। আমি ভাবলাম ও বোধহয় অন্য কলেজে চলেগেছে। ৫ মিনিটের মাথায় হঠাত সুনলাম "মে অই কাম ইন স্যার ?"। ক্লাসের প্রতেকের মাথা ওর দিকে ঘুরেগেল। স্যার বিরক্তির সুরে বল্ল 'সে কী? কোথায় ছিলে এতক্ষন ?'। সন্ত্রস্থ ভাবে উওর এল 'সরি স্যার'। আমি ওরদিকে তাকাইনি। কারন ওর অচরন দেখে বেশ হাসিপাচ্ছিল। তারপর ছুটে এসে আমার পাসে এসে বসল আর চেয়ারে 'মট' করে একটা আওয়াজ হল। নিস্তব্ধ ক্লাসে আওাজটা খুব স্পস্ট সোনা গেল। স্যার বিরক্ত হয়ে একবার তাকাল। ও আমাকে উদ্দেশ্য করে বল্ল 'কোথায় এসে পরলামরে বাবা....'। আমার তো হাসি চেপেরাখাই দায় হচ্ছিল। তাপর 'চ্যার চ্যার' করে ব্যগের চেনখুলে একটা মোটা ডায়েরী বেরকরে 'ধপ' করে ডেস্কের উপর রাখল। স্যার খেপেগিয়ে বল্ল '২৩ নং তোমার নাম কী?'। ও বল্ল 'প্রদীপ্ত স্যার'। স্যার বল্ল এত আওয়াজ করছ কেন ? ও আবার বল্ল 'সরি স্যার'। সবাই হো হো করে হেসে উঠল। তাপর সান্তমত ক্লাস সুরুহল। তার ঠিক ১০মি: পর 'ও আমার ডেস্কের দিকে তাকিয়ে বল্ল 'তুমী প্রদীপ?'। আমি বল্লাম 'হ্যা'। তরপর ঠান্ডা ঘামেভেজা নরম হাতটা আমার দিকে বাড়িয়ে দিল। সেই সময় আমি ওর মুখটা ভালকরে দখলাম। দেখতে খুবই সাধারন পরিস্কার গায়ের বং, মায়ায় ভরা মুখ, দুস্টুমি মাখা বাকা হাসি।
তারপর ব্রেকে আমি ক্যানটিনে বসে কফি খাচ্ছিলাম। হঠাত করে কোথাথেকে উড়ে এসে 'ধপাস' কর আমার সামনে বসল। আমি বল্লাম 'হাই'। ও বল্ল একাবসে চা খাচ্ছো। আমি বল্লাম 'উহু কফি'। ও বল্ল সবই এক। তারপর ওর বাড়ীর কথা ভালকরে বল্ল। আমিও বল্লাম একটু চেপেচুপে। ও বল্ল 'তোমাকে তুই বলবো?'। আমি বল্লাম 'হ্যা'। ও আমাকে বল্ল 'প্রদীপ দেখ তোর গালে দুটো পিমপলস। আমিও ঠাট্টাকরে বল্লাম 'তোর গালে তো চারটে, দুটো তোর গালে, একটা নাকের উপর, আর একটা কপালে'। একটু আপ্রস্তুত হয়ে বল্ল 'থাম আনেক হেছে'। তারপর সিরিআস হয়ে বল্ল 'প্রদীপ তুই আর আমি কিন্তু একসাথে বসব'। আমি বল্লাম সেত বসতেই হবে এখন তুই চাইলেও চেঞ্জ করতে পারবিনা'। ও খুব খুসি। ও বল্ল কোনোদিন ও একা থাকেনি। আমি বল্লাম এখন থেকে আভ্যেস কর। ও চুপকরে থাকল। আমি মনে মনে বল্লাম 'আমি তো আছি'।
বেল বজতেই ক্লাসে দউরলাম। ক্লাসে গিয়ে সে আরএক কান্ড। সবাই মনদিয়ে স্যারের পরা বুঝছে। এমনসময় প্রদীপ্ত সজোরে ব্যাগের চেন খুল্ল। যেমনি ডায়েরী বেরকরল ওমনি একটা বড় মাপের সলাই (এখানে য়াকে হোমলাইট সলাই বলে) ধপ করে মেঝেতে পরল। সবাই হাকরে তাকিয়ে আছে ওর সলাইএর দিকে। স্যার জিগ্গেস করল 'কি পড়ল ?'। পাসের লাইনৈর প্রসূন বলেউঠল 'স্যার প্রদীপ্ত এর সলাই'। ওমনি ক্লসের মধ্যে সবাই হেসে উঠল। আমি আর প্রদীপ্ত একেবারে চুপ। মনে মনে প্রসূন এরউপর বেজায় রাগ হচ্ছিল মনেহচ্ছিল গাট্ট মৈরে মাথা ফাটিয়েদি। তারপর স্যার চিৎকার করে বল্ল 'চুউউউপপপপ'।
ক্লাসের শেষে আমি ওকে জিগ্গেস করলাম 'তুই সিগারট খাস'। ও বল্ল 'না'। আমি বল্লম তাহলে সলাই দিয়ে কিকরিস। ও বল্ল স্টোভ ধরাব। আমি বল্লাম 'সে কিরে ! রান্নাকরে খাস নাকী ?'। ও বল্ল না, মা বলেছে প্রতদিন ১লিটার করে দুধ গরম করে খাবি।' । সেই কথা সুনে সারাদিনের চাপা হাসি সজোড়ে বেড়িয়ে গেল। আমি ওর গালটা টেনেদিলিম।
আওয়ামী লীগের ফেরার জন্য কোনও পরাশক্তি নয় /।বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ আর ইতিহাসের পাতাই যথেষ্ট॥


মাহফুজ, তুমি বাংলাদেশের তরুণদের কাছে একজন বেঈমান। যে যে কারণে আওয়ামী লীগ ব্যাক করেছে বলছো প্রায় সবগুলান কারনই সত্য। তবে সবচাইতে বড় কারণটা মিস করে... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাংলার সংগ্রামের ২০০ বছরের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও তুলনা।
১৭৫৭ সালে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের মাধ্যমে বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের সূচনা হয়। এরপর থেকে প্রথম ১০০ বছর ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সরাসরি সশস্ত্র সংগ্রাম মূলত বাংলাতেই হয়েছে। ১৮৩১ সালে তিতুমীরের 'বাঁশের কেল্লা' কিংবা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সকল মানুষই খোদার প্রতিনিধি
আল্লাহ মানুষকে প্রতিনিধি বানিয়ে এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। প্রতিটি মানুষই যদি আল্লাহর 'প্রতিনিধি' হয়ে থাকে, তাহলে কাদের কাছে এই প্রতিনিধিদের পাঠানো হয়েছে? এই পৃথিবীতে প্রথম দুইজন প্রতিনিধি ছিলেন - হযরত আদম... ...বাকিটুকু পড়ুন
সব মাছে গু খায় দোষ হয় ঘাউড়্যা মাছের

হাসনাত আবদুল্লাহ। বাংলাদেশের ক্যাপ্টেন। জেনারেশন জেড আর আলফার চোখে তিনি একজন সুপারহিরো। মার্ভেলের ছবিতে যেমন একজন সাধারণ মানুষ হঠাৎ পোশাক পরে আকাশে উড়তে থাকে, হাসনাতও যেন সেরকমই—ধুলোমাখা বাস্তবতার মাঝে... ...বাকিটুকু পড়ুন
প্রিয় কন্যা আমার- ৯১
ফারাজা, প্রিয় কন্যা আমার-
আজকে বাংলা ২০শে 'জ্যৈষ্ঠ' ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ। আজকের দিনটি হলো বুধবার। 'জ্যৈষ্ঠ' মাসের আরেক নাম হলো মধুমাস। এই মাসে আম, জাম লিচু, কাঠাল পাওয়া যায়। ফাজ্জা আম,... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।