
জেমসের একক এ্যলবামগুলো মাঝে "দুঃখিনী দুঃখ করোনা" একটু আলাদাভাবে উল্লেখ করার দাবী রাখে। সাউন্ডটেকের ব্যানারে ১৯৯৭ সালে রিলিজ হওয়া এই এ্যালবামটি সে সময়ে অসম্ভব জনপ্রিয়তা অর্জন করে। সে সময়ে সিডি'র তেমন একটা প্রচলন ছিলো না বললেই চলে। প্রথমে এ্যালবামটি অডিও টেপে রিলিজ হলেও পরবর্তীতে এ্যালবামটির জনপ্রিয়তার কথা মাথায় রেখে সাউন্ডটেক থেকে সিডি রিলিজ করা হয়।
এ্যালবামটির দুঃখিনী দুঃখ করোনা, তুমি যদি নদী হও, গীটার কাঁদতে জানে, সুস্মিতার সবুজ ওড়না ট্র্যাকগুলো যে কোন বাংলা ব্যান্ড মিউজিক ভক্তের ভুলে যাওয়ার কথা নয়। সর্বমোট বারোটি ট্র্যাক দিয়ে সাজানো হয়েছে এই এ্যালবামটি। বেশীরভাগ গানগুলোরই মূল গীতিকার দেহলভী এবং জেমস। লতিফুল ইসলাম শিবলীও বেশ কয়েকটি গান রচনা করেছেন এই এ্যালবামটির জন্য।
ব্যক্তিগতভাবে সে সময়ে স্কুলে যাওয়ার পথে অডিও শপগুলোতে জেমসের এই এ্যালবামটি বহুবার শুনেছি। বাসায় ক্যাসেট প্লেয়ার না থাকলেও কম্পিউটার ছিলো। কিন্তু সিডি বের না হওয়ার কারনে গানগুলো কালেকশানে রাখতে পারিনি। ২০০০ এর-ও পরে যখন বাসায় যখন ক্যাসেট প্লেয়ার এলো তখনই প্রথম এই টেপটি সংগ্রহ করি। পরে অবশ্য দেশ ছেড়ে আসার আগে তা বন্ধুকে দিয়ে আসি। ততদিনে সিডি বেশ রমরমা অবস্থায় পৌঁছে গেছে। এমপিথ্রির বদৌলতে সিডিটা কালেকশন করা হয়নি। গত বছর বাংলাদেশ বেড়াতে গিয়ে সিডির একটা কপি সংগ্রহ করতে সক্ষম হই।
প্রকাশনীতে এ্যলবামটির নিজস্ব পাতায় সবগুলো গানের লিরিকস্ সংরক্ষণ করা হয়েছে। প্রতিটি গানের লিরিকসের পাশেই ই্উটিউবের ভিডিও এমবেড করে দেয়া হয়েছে ভিজিটরদের সুবিধার্থে। ধন্যবাদ।
ঘুরে দেখে আসতে পারেন এখান থেকে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


