নারীদের চেয়ে পুরুষ কবিদের সংখ্যা বেশি।
অনেক কারণে নারী’রা মহাকবি বা বিখ্যাত কবি কম হয় বা হতে পারে না।
এদের মধ্যে দুইটি অন্যতম কারণ:
তাঁরা নানা কারণে লেখালেখিতে সময় দিতে পারে না। জীবনের অনেকটা সময় তাঁদের দিতে হয় রান্না ঘরে।
সম্ভবত পুরুষেরা সবচেয়ে খুশি হয় যখন তাঁরা দেখে স্ত্রীরা ঘরের কাজে ব্যস্ত।
কোনো এক অবসরে মনের গভীর থেকে বেরিয়ে আসা ছন্দ নারী কবি’রা হতো নিজেরাই সেন্সর করতে বসে, সাজাতে বসে নতুন করে। কোন শব্দ কিভাবে প্রকাশ করলে নারী রূপের প্রতি আঁচ আসবে না অথবা এমন কথা লিখলে কেউ কিছু মনে করবে কিনা ইত্যাদি তখনই আসল কথা হারিয়ে যায় আর কবিতা’রা মরতে বসে। তাঁরা নিজেরাই হয়তো কবিতা’কে লাইফ সাপোর্টে নিয়ে যায়।
ভালোবাসা যারে ধরে
তারে সর্বস্বান্ত করে ছাড়ে
এমন কবিতা একজন নারী কবি তাঁর অগ্রজ কোনো কবি'র লেখায় অনুপ্রাণিত হয়ে লিখতে পারে এ কথা ভাবার আগে পাঠক হয়তো অন্য কিছু ভাবতে শুরু করবে।
‘এই কবিতার জন্য আর কেউ নেই, শুধু তুমি...
এ-কবিতা মধ্যরাতে তোমার নিভৃত মুখ লক্ষ্য করে
ঘুমের ভেতরে তুমি আচমকা জেগে উঠে
টিপয়ের জল খেতে গিয়ে জিভ কামড়ে এক মুহূর্ত ভাববে
কে তোমার কথা মনে করছে এত
রাত্র...’
এই ভাষায় কোনো নারী কবি লিখলে তো সর্বনাশ!
নীল লোহিত বাবুকে পাঠকগণ যে গতিতে মাথায় তুলেছে তার দ্বিগুণ গতিতে নারী কবিকে মাটিতে পুতে ফেলবে। সংসার থেকে হবে বিতাড়িত আর সমাজ করবে তাঁকে ভিটে ছাড়া। আমরা নিজেকে যত আধুনিকই ভাবি মনে প্রাণে অনেক পুরুষেরা নারীদের বিষয়ে যেমন ছিলো তার চেয়ে অনেক বেশি রক্ষণশীল হয়েছে বলে মনে হয়। তাঁরা বন্ধুর বউ এর সাথে চুটিয়ে গল্প করবে অথচ নিজের বউকে রাখবে অন্তরালে।
অতএব
হে নারীবৃন্দ
আপনারা পৃথিবী প্রলয় হওয়া পর্যন্ত নিজের মুখের গ্রাস সন্তানদের মুখে তুলে দেন আর তাঁরা আজীবন আপনাদের মাতৃভক্তিতে অঞ্জলি দিক---
যে কথা বলছিলাম নারীগণ প্রেমের কবি, ব্যর্থ কবি, বিদ্রোহী কবি, মহাকবি কোনো নামেই হয়তো ভূষিত হতে পারবে না।
দুঃখজনক হলেও সত্য সাহিত্যাঙ্গনেও মেয়েরা বিপদমুক্ত নয়।
(খসড়া)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



