বিডিনিউজসহ সহ সকল সুশিল মিডিয়া ও খোদ আওয়ামীলীগের দাবি: ৬২ বছর বয়সে পা রাখসে আওয়ামীলীগ। কথাটি ঘৃণ্যমিথ্যামিশ্রিত সত্য। তয় সেই সত্য মুখে আনার সাহস নেই আম্লিগের। ফেক্ট হৈলো ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন এই দলটি প্রতিষ্ঠিত হৈলেও দলটির আক্ষিরিক অর্থেই জাতীয় পিতা শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারী আওয়ামী লীগ বিলুপ্ত করে দেন। তার পরিবর্তে প্রতিষ্ঠা করেন একদলীয় বাকশাল। শেখ মুজিবুরের হত্যাকাণ্ডের আগেই শেখ মুজিব নিজে এই দেশের প্রতিষ্ঠালগ্নে ভূমিকাপালনকারি আওয়ামীলীগকে হত্যা করেছেন এবং একনায়কতান্ত্রিক বাকশালের দিকে দেশকে ঠেলে দেন। আজকের আমার দেশ চ্যানেল ওয়ান বন্ধের মত সেই সময়ও মাত্র চারটি সরকারী সংবাদপত্র রেখে আর সব বন্ধ করে দেন। একমাত্র বাকশাল ছাড়া আওয়ামীলীগসহ দেশের অপরাপর সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করেন। এতে ক্ষুদ্ধ হয়েই আওয়ামীলীগের একাংশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় বিদ্রোহ করে শেখ মুজিবুরের নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
তাহলে, যে আওয়ামী লীগের শেখ মুজিবের নিজের হাতে গড়া তার বিলুপ্তিও শেখ মুজিবের হাতেই ঘটে গেছিল। এবং যে বাকশাল শেখ মুজিবের হাতে গড়া তাঁর মৃত্যুর পর এর দায় নেবার এমনকি একে বিলুপ্ত ঘোষণার হিম্মৎ কোন বঙ্গবন্ধুর সৈনিক কারও হয়নি, করে নাই। তারপর জিয়াউর রহমানের ১৯৭৯এর নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনের কাছে নির্বাচন করতে ইচ্ছুক দলকে আগে দল রেজিষ্ট্রেশনের যে আইন চালু করা হয়েছিল সেটাকে সুযোগ হিসাবে ব্যবহার করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নামে নতুন দল রেজিষ্ট্রেশন নেয়া হয়। জিয়াউর রহমানের বহু দলীয় গণতন্ত্রের উপহার হলো এই নতুন আওয়ামীলীগ। যার জন্ম ১৯৭৯ সাল।
তাইলে এইটা বর্তমান আওয়ামীলীগের কততম জন্মদিবস?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

