তাৎক্ষণিক খুদে বার্তা পাঠানোর (মাইক্রোব্লগিং) জনপ্রিয় ওয়েবসাইট টুইটারে বার্তা (টুইট) লেখার ক্ষেত্রে সাবধানতা প্রয়োজন। সম্প্রতি তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক লেখক বিল থম্পসন এ সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তাঁর মতে, ইন্টারনেটে কোনো কিছুই ব্যক্তিগত নয়। শুধু টুইটারই নয়, এর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেসবুকের ক্ষেত্রেও এমন সতর্কতার কথা বলেছেন তিনি।
সব ধরনের বার্তাই সতর্কতার সঙ্গে দেওয়া উচিত। কারণ, এ বার্তাগুলো ছড়িয়ে পড়ে দ্রুত। এ ছাড়া সাধারণত অনলাইনের ক্ষেত্রে অনেকে ছোট এবং সংক্ষিপ্ত আকারে বার্তা আদান-প্রদান করে থাকেন, যা অন্যান্য সময়ের কথা বলার সময় মেলে না। বিশেষ করে টুইটারের ক্ষেত্রে, বেশি ছোট বার্তার ক্ষেত্রে, অনেকে যেমন বিরক্ত হন, আবার অনেক ক্ষেত্রে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টিও হয়। এ ছাড়া অনেক ক্ষেত্রে অসতর্কতার সঙ্গে এসব অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করার ফলে অ্যাকাউন্ট বেদখর (হ্যাক) হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। যার ফলে পড়তে হয় নানা ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যায়। অনেক ক্ষেত্রে বিভিন্ন টুইটগুলো সার্চ ইঞ্জিন গুগল, বিং সংরক্ষণ করে রাখে, যেগুলো নানা সময়ের আলোচিত। যা অনেক সময় ওই টুইট করা ব্যক্তির জন্য পীড়াদায়ক হয়ে ওঠে। তাই ইন্টারনেটের উন্মুক্ত দুনিয়ায় যেকোনো কাজই করা হোক না কেন তা অবশ্যই সতর্কতার সঙ্গে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ইন্টারনেট বিশেষজ্ঞরা

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


