দ্যাশের তথাকথিত বিবৃতিজীবিরা আবার সরব হইয়া উঠিয়াছে
তাহারা হঠাৎ করিয়া "যথা শীঘ্রই নির্বাচন দিতে হইবে" নামক সভা সেমিনার সিম্পোজিয়াম করিবার জন্য ডায়াবেটিস/প্রেসার হাই করিয়া ফেলিতেছে। এহেন ঘ্যানি মানুষ্যগণের আচরণে জনগন পুলকিত বোধ করিতেছে। এই সেমিনার গুলা কালোটাকায় আয়োজিত বলিয়া দুষ্টজনেরা পিছনে মুখ টিপে হাসিতেছে। আরে টাকা তো টাকাই। তাই না? তাহার আবার কালো সাদা কি?
শুক্কুর আলী পত্রিকা পড়িয়া হাসিয়া কুটি কুটি হইয়া যাইতেছিলো
ক্যান?
নির্বাচন দেও। বেবাকতেরি একি টোন।
ক্যান?
নির্বাচন হইলেই ক্ষমতায় যাওন যাইবো।
আহা কি সুখ
দ্যাশটারে আবার লুইট্যা পুইট্যা খাইতে পারিবো
কোডায় জানি কইয়া গেছিলো "আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে" আহা মানুষটা কত্তদুর পর্যন্ত দেকছিলো। নাইলে এরম একখান ডায়লগ মারছিলো ক্যামতে?
নির্বাচন হইবো। 100 টাকা পাইয়া কুদ্দস আবুলরা খুশিতে বগল বাজাইতে বাজাইতে ধানের শীষ/নৌকা/লাঙ্গল-এ ভোট দিয়া নিজের সাংবিধানিক অধিকার বেচন দিবো। আর এই অধিকার কিন্যা 300টা জানোয়ার এক লগে চিল্লা ফাল্লা কইরা গলা পরিষ্কার করবো।
শুক্কুর আলী ভাবে আহা বেবাকতেরে যদি ধইরা চোতরা পাতা দিয়া কতডি বাড়ি দেওন যাইতো... কি যে সুখ হইতো...
ধুরো যাইগা। অহন রাস্তায় বইয়া কিছু বেচন যায়না। মাতায় লইয়া লইয়া মহল্লায় ঘুরন লাগবো। সব মরা এই গরীবের লগেই। আজাইরা... শুক্কুর আলী আওয়াজ দ্যায়.. .. তরকারী.. আলু পটল ফুলকফি বাধাকফি টমাটো রাখবেনননননন.. .. .. ..
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


