
একটুখানি পূর্বের কথায় ফিরে যাই
মালয়েশিয়ায় এ্যারাইভালের পর যখন এন্ট্রির জন্য ইমিগ্রেশনের মহিলা পুলিশ কর্মকর্তার কাছে পাসপোর্ট দাখিল করলাম তখন ওনাকে গম্ভীরভাবে আমার দিকে তাকিয়ে থেকে আমাকে পর্যবেক্ষন করতে দেখে ভাবছিলাম উনি কি আমাকে আসামী ভাবছেন! (কোন আসামীর সাথে চেহারার মিল খুজছিলেন কিনা কে জানে) নাকি প্রেম নিবেদন করা যায় কিনা ভাবছেন!
কিছু ছবি দিলাম এগুলো ক্যামেরায় তোলা
বিমান থেকে তোলা আলোয় ঝলমল সিঙ্গাপুর নীচে সমুদ্রে ভাসমান বিরাট বিরাট জাহাজ ।

রাতের আলোয় উজ্জ্বল কুয়ালালামপুর




কুয়ালালামপুরে ঢাকার হাতীর ঝিলের আমেজ পার্থক্য শুধু দূরন্ত গতিতে চলা মটরবাইক এবং গাড়ীর অনুপস্থিতি।




প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে গিয়ে অবাক হলাম যেন মেলা বসেছে সিমেন্টে বাঁধানো চত্বর মাঝখানে বাগান চারিদিকে আলোর বন্যায় ভেসে যাচ্ছে (ওখানে লোডশেডিং নামক কোন শব্দের অস্তিত্ব নাই) বহু পরিবার তাদের ছেলে মেয়ে নিয়ে এসেছে অনেক কপোত কপোতী জোড়ায় জোড়ায় বসে আছে কারো ব্যাপারে কেউ নাক গলাচ্ছে না। বাচ্চারা ব্যাটারী চালিত ছোট গাড়ী,মটরসাইকেল চালাচ্ছে কিশোর কিশোরীরা আরেকটু বড় মটরবাইক চালাচ্ছে। কেউ কেউ শ্যাম্পুর পানি দিয়ে বড়বড় বাবল বাতাসে উড়াচ্ছে (ভাবলাম আমরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় তো দূরে থাক সংসদ ভবন চত্বরেও যেতে পারিনা অথচ আগে সংসদ ভবন চত্বরে কত দৌড়াদৌড়ি করেছি ছেলে মেয়েরা কত রোলার স্কেটিং করতো)






সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



