
পেট্রোনাস টাওয়ার দর্শন শেষ করে পরদিন লঙ্কাভী অভিমুখে যাত্রাঃ মালিন্দ এয়ারে

ওদের ডমিষ্টিক ফ্লাইটগুলিও ৭৩৭ বোয়িং । প্রায় এক ঘন্টার যাত্রা সেই তুলনায় আপ্যায়ন তেমন নয় । বরঞ্চ আমাদের দেশের ডমিষ্টিক ফ্লাইটের উড্ডয়ন সময়কাল অনেক কম হলেও আতিথেয়তা অনেক ভাল।
তবে এবার আমাদের যাত্রা সঙ্গী হিসাবে অনেক বিদেশীকে পেলাম।
লঙ্কাভী এয়ারপোর্ট : এই এয়ারপোর্ট সমুদ্রের মধ্যে মাটি ফেলে কৃত্রিমভাবে বানানো।

সমুদ্রের পাড়ে তেমন কোন ঢেউ নেই এই দ্বীপের চারিদিকে ৯৯ টি দ্বীপ আছে তাই যেদিকেই তাকানো যাকনা কেন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দ্বীপ চোখে পড়বেই।। এখানে সায়ত্ত্বশাসন সরকার পদ্ধতি বহাল আছে ।
এখানকার জনসংখ্যা প্রায় ১লক্ষ এর মধ্যে ৭৫% মুসলিম ।
এখানেও তিন জাতীর বসবাস ৬০% মালয় বাকীরা ৪০% চাইনিজ এবং ইন্ডিয়ান।
প্রধান দর্শনীয় স্থান হলো স্কাই ব্রীজ(ক্যাবল কার),ঈগল স্কয়ার, ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট, ব্ল্যাক স্যান্ড বীচ ওয়াটার ওয়ার্লড ইত্যাদি । লঙ্কা মানে ঈগল ভী মানে মার্বেল ওখানে প্রচুর ঈগল আছে এবং মার্বেল পাথরের পাহাড় আছে। এই দ্বীপের ১০০% দোকান ডিউটি ফ্রী । গাড়ী কিনলে ৫ বৎসর দ্বীপেই চালাতে হবে তারপর মেইনল্যান্ডে যেতে পারবে আগে যেতে চাইলে ডিউটি পেইড করতে হবে।
এখানে শুধু জুন জুলাইতে বৃষ্টি হয় বাকী সময়টা গ্রীষ্মকাল। আগষ্ট সেপ্টেম্বরে সাধারনতঃ ট্রপিক্যাল স্টর্ম আঘাত হানে। এখানে পানীয় জল সমুদ্রের নীচে দিয়ে মোটা পাইপ বসিয়ে মেইন ল্যান্ড থেকে সরবরাহ করা হয় । একইভাবে বিদ্যুৎও ক্যাবলের সাহায্যে সমুদ্রের নীচে দিয়ে মেনল্যান্ড থেকে আনা হয়।







ঈগল স্কয়ারের দিকে যাত্রা পথে মন মাতানো প্রাকৃতিক দৃশ্য





















সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



