
আমি তোমাদের আমার হৃদয় টুকরো করতে দিই
বাড়ি ফিরে আসি
তোমাদের সান্ত্বনার অবহেলিত রক্তজবা নিয়ে।
অথচ থেকে যাবার কথা যার
ভেজা ঠোঁট আর
বুক পকেটের মোচড়ানো গোলাপ।
কিন্তু তা কি হয়? রক্তিম এই জবা নিয়েই
অনুজ্জ্বল এই নক্ষত্রের পতন
দেখে যেতে হবে
অভিযোগ বিহীন ঘোলাটে এই চোখে,
সহস্র শতাব্দী ধরে।
ভেসে বেড়াবে চারপাশে
প্রেমহীন এই পৃথিবীর
নির্মম মাদকতা।
কবিতার ছন্দরা হেরে যাবে,
অট্টহাসি হেসে সামনে দাঁড়াবে
কুৎসিত হিসাবের জঞ্জাল
বার বার, সহস্র-লক্ষবার।
আশার কথা এই
এভাবেই লাশের সংখ্যায়
বেড়ে যাবে আরো কয়েকটি
বিবর্ণ ও মলিন পৃষ্ঠা।
আমিও একা নই বলে,
রক্তজবাটিই আমার হবে।
তোমাদের ও তো মেকি ঐ গোলাপ ছাড়া
হাতে কিছুই রইলো না।
হাসতেই পারো
ব্যর্থ এক কবিতার প্রতি
বিদ্রুপের সুরে
তৃতীয় প্রেমিকা ভেবে ভুল করে
চার ঘন্টা বিশ মিনিটে কত শব্দের আর্তনাদে
লেখা গেলো না যে
কবিতা ভালবাসার
হলো বিদায়ের
বরং বিসর্জনের
করা গেলো না সেই বর্ণ গুলোকে মানা।
আবার সব কিছু ভুলে
হৃদয়ের দরজা রাখি খোলা
তোমাদের টুকরো করতে দিই
ঝড় আসে, সাথে আসে সেই জবা
পড়ে থাকে আরেকটি সুরের মরদেহ
নিস্প্রভ এক চড়ুইয়ের মতো।
যেনো খানিক আগেই ছড়িয়েছিলো
তার ঝলমলে ডানা।
সব সুর, সব ছন্দ, সব বর্ণ
একে একে মাথা নিচু করে,
পরাজয়ে ক্ষত বিক্ষত হয়ে।
তবুও হৃদয় নাও, টুকরো করো
দিয়ে যাও সেই রক্তে লাল জবা
তোমাদের ও তো রইল কেবল,
ধারালো ও সুক্ষ্ণ নিকেশের ছুরি
আশ্বিনের এই সাদামাটা অথচ উদার আকাশ
বলে তো কিছু রইল না।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




