ইরানের জঙ্গি শাসনের বিদায় সন্নিকট।
ইরানে সরকারি টিভি চ্যানেল–সংশ্লিষ্ট ভবনে আগুন, দেশজুড়ে ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নতা, একের পর এক শহরে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও সহিংস সংঘর্ষ সব মিলিয়ে আজ ইরান এক গভীর অন্ধকারের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন বাড়ছে খুন, বাড়ছে রক্তপাত। রাষ্ট্র যেন নিজ জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে।
এই অচলাবস্থার মূল দায় কুখ্যাত আয়াতুল্লাহ খামেনীর দমনমূলক শাসনব্যবস্থার। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রুদ্ধ করে, ভয়ের সংস্কৃতি চাপিয়ে দিয়ে, বন্দুক ও ফাঁসির মাধ্যমে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার এই শাসন মানবতার বিরুদ্ধে এক দীর্ঘ অপরাধ। ইন্টারনেট বন্ধ করে সত্য ঢেকে রাখা যায় না, গুলি চালিয়ে ক্ষুধা ও ক্ষোভ দমন করা যায় না ইতিহাস বারবার তা প্রমাণ করেছে।
ইরানের রাজপথে আজ যে আগুন জ্বলছে, তা কেবল ভবনের নয় তা মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, অপমান ও নিপীড়নের প্রতিক্রিয়া। প্রশ্ন উঠছে, এই কুশাসনের অবসান কি তবে সময়ের অপেক্ষা মাত্র?
আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলি খামেনীর শাসন ঘৃণ্য, অমানবিক ও ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপযোগ্য। ইরানি জনগণের ন্যায়সংগত আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানাই। দমন নয়, জবাবদিহিই হোক ভবিষ্যতের পথ।


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



