আজকের সকালটা এত সুন্দর ছিল যে বেরিয়ে পড়লাম। সাথে ক্যামেরা ও আমার আদরের ভাগ্নে। ঝিরিঝিরি বৃষ্টি হচ্ছে। ২ হাটতে হাটতে আমাদের এলাকার পাশে ভোটানিক্যাল গার্ডেনে হাজির। সকালের বৃষ্টিতে সবুজ যেন আরো সবুজে পরিনত হয়েছে। চমৎকার একটা নির্জন পরিবেশ ও হালকা ফোটা ফোটা বৃষ্টি আমাদের বন্ধু। ব্যাস ২ মামা ভাগ্নে মিলে ২ টি ক্লিক বের করে ক্লিক করা শুরু। ভাগ্নের এক্সপেরিমেন্ট নিয়ে খুব খুশি আমি কারন আজ সে সাটার স্পিড ও এপারচার নিয়ে কাজ করছে। যাই হোক ক্লিক চলছে আমরা হাটছি এবং হাটতে হাটতে সিগারেটে হালকা টান। চা খাব কোথায় ভাবছি । ভাবতে ভাবতে বাঁশ বাগানের পাশ দিয়ে সোজা বেরি বাঁধ এর গেইটে পোছে গরম গরম চা পেয়ে ২ জন মহা খুশিতে খেলাম। অতপর আবার ভোটানিক্যাল গার্ডেন এ ঢুকলাম আরো কিছু ক্লিক করার জন্য । আমরা হাটতে হাটতে একটু এসে একটি চমৎকার অজানা পরগাছার সন্ধান পেলাম দারুন দেখতে। আমরা দেখছি ঘটনাটি ঠিক ঐ মুহুর্তের একটি ছেলে কোথা থেকে উদয় হয়ে বলে "যাও যাও করবা করবা" আমি তো অবাক কি করবো বলতেই সে বলে "ছোট বড় সব মেয়ে আছে যাও যাও ঐ দিকে সোজা " আমি তো পুরাই ভোদাই কয় কি সালা মেজাজ পুরা খারাপ আমার ভাগ্নে আর আমি ২ জন ২ জনের দিকে তাকাই আর কি বলবো। আমি ছেলেটিকে ধমকের সুরে আমার পরিচয় দিতেই সে হাওয়া। আমি ততক্ষন ও খেয়াল করি নি আমার পিছনে কি আছে। পিছনের দিকে তাকাতেই দেখি নিচু একটা জায়গা এবং ঐ জায়গাতে কিছু একটা হচ্ছে । ঘর ও আছে । আমি দ্রত আমার জায়গা ত্যাগ করে সোজা হাটতে থাকি একটু সামনে আসতেই দেখি একজন বাবা তার মেয়ে সহ জগিং করতে করতে আসছে। তার ও সামনে কিছু মায়ের বয়সি মহিলা জগিং করছে। হায়রে আমাদের কোপাল ভাবতে লাগলাম এ ভোটানিক্যাল গার্ডেনে ফেমিলি নিয়ে মানুষ কি ভাবে আসবে। মন মেজাজ দুই টাই খারাপ হয়ে গেল। এলাকায় এসে তথ্য সংগ্রহ করলাম ঐ খানে যে কোন ধরনের মেয়ে এভেলেবেল এবং কেউ যদি চায় তার গার্লফেন্ড নিয়ে ও সহবাস করার উত্তম ব্যবস্থা আছে। আমি আপনারা হয়তো এগুলোর সাথে পরিচিত নই আমরা পরিবার নিয়ে যাচ্ছি ঘুরছি। আমরা ভাবছি ও না কতটা ভয়াবহ নোংরা একটা জায়গায় আমরা হাজির হচ্ছি। নিজের বোন কে ও যদি কেউ নিয়ে যায় আর ঐ সময় এ ধরনের অফার দেয় তো কেমন হবে। ভাবুন। আমার জন্ম এ মিরপুরের মাটিতে আর আমি আজ থেকে কসম নিচ্ছি মৃত্যুর আগ মুহুর্ত পর্যন্ত আর ঐ নোংরা ভোটানিক্যাল গার্ডেনে যাব না।
মিরপুরের ভোটানিক্যাল গার্ডেন ও পতিতা পর্ব
সাদা নীল জার্সি

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাইরে এসো
এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
স্পর্শে_ _ _ _ _
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন
বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।