রেড-ব্রেস্টেড মারজেন্সারঃ
পূর্ণবয়স্ক একটা রেড-ব্রেস্টেড মারজেন্সার লম্বায় প্রায় ২০-২৪ ইঞ্চি হয় আর এদের ডানাগুলো লম্বায় হয় প্রায় ২৮-৩৪ ইঞ্চি। ওদের নাম শুনেই তো বুঝতে পারছেন, ওদের বুকের অংশটুকুর রং লাল। আর ওদের মাথা আর পিঠটা কালো আর শরীরের নিচের অংশটুকু হয় সাদা। এখন বলুন তো দেখি, রেড-ব্রেস্টেড মারজেন্সার কীভাবে ডাকে? মুরগি যেমন ‘কক কক’ কি কাক যেমন ‘কা কা’ করে ডাকে, তেমনি রেড-ব্রেস্টেড মারজেন্সার ডাকে ‘প্রাক প্রাক’ করে। দ্রুততম পাখিদের তালিকায় ‘রেড-ব্রেস্টেড মারজেন্সার’ রয়েছে ৪ নম্বরে। ঘণ্টায় প্রায় ১৩০ কিলোমিটার বেগে উড়তে পারে এরা। দ্রুতগতিতে উড়তে পারা ছাড়াও এরা পানিতে খুব ভালো ঝাঁপও দিতে পারে। শুধু তাই না, পানির নিচে সাঁতার কাটতেও এরা খুবই পটু। ওদের প্রিয় খাবার রাজ্যের যত ছোটো ছোটো মাছ! সেই সাথে পানির হরেক রকম পোকামাকড়, এমনকি ওরা ব্যাঙও খায়।
হোয়াইট-রাম্পড সুইফটঃ
হোয়াইট-রাম্পড সুইফট আকারে খুব একটা বড় নয়। মাত্র ৫.৫-৬ ইঞ্চি লম্বা হয় এরা। তবে ছোট হলেও এই পাখি কিন্তু খুবই দ্রুত উড়তে পারে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১২৪ কিলোমিটার বেগে উড়তে পারে এরা। আর তাই পৃথিবীর দ্রুততম পাখিদের তালিকায়ও আছে ওরা, পঞ্চম অবস্থানে। হোয়াইট-রাম্পড সুইফটের শরীরের প্রায় পুরোটাই কালো রঙের হয়। তবে শরীরের পেছনের দিকটা সরু আর সাদা রঙের হয়। এজন্যই এদের নাম দেওয়া হয়েছে ‘হোয়াইট-রাম্পড’। আবার হোয়াইট-রাম্পড সুইফটের সঙ্গে হোয়াইট থ্রোটেড নিডলটেইলের কিন্তু বেশ মিলও আছে। ওরা সমগোত্রীয় কিনা তাই! এই যেমন, এদেরও পা দুটো খুবই ছোট ছোট হয় যেগুলো দিয়ে এরা খাড়া যে কোনো কিছুর সাথে আটকে থাকতে পারে। আবার এরাও মাটিতে বেশিক্ষণ সময় বসে থাকতে পছন্দ করে না, জীবনের বেশিরভাগ সময়ই আকাশে উড়ে উড়ে কাটিয়ে দেয়। চড়ুই পাখি কোথায় বাসা বানায় তা তো নিশ্চয়ই দেখেছেন। দালানের ফাঁক-ফোঁকরে যেখানেই একটু বাসা বানানোর মতো সুন্দর জায়গা পায়, সেখানেই একটা সুন্দর বাসা বানিয়ে ফেলে। হোয়াইট-রাম্পড সুইফটের স্বভাবও চড়ুই পাখির মতোই। এরাও দালানে বাসা বানিয়ে থাকতেই পছন্দ করে। তবে অনেক সময় এরা বাসাই বানায় না! আসলে তখন এরা অন্য কোনো পাখির ফেলে যাওয়া বাসায় থাকে আর সেখানেই ডিম পাড়ে।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই এপ্রিল, ২০১২ সকাল ১০:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



