মধ্যবিত্ত পরিবারে সবাই একই সাথে ডিনারে বসে না। হয়তো ছোট ছেলে বা মেয়েটাকে আগে খাইয়ে দেয়। তারপর বাবা। মা প্রায়ে সবার শেষে। কখনো বাড়ির বড় মেয়ে মায়ের সাথে খাওয়ার চিরন্তন অভ্যাস ও চোখে পড়ে।
শাকসবজি আর ডাল সামান্য ভাজিই বেশি চলে রান্নার মেনুতে। মাছ-মাংস প্রতিদিন চলে না। সপ্তাহে ২-৩বেলা মাছ আর মাসে ৩-৪বার মাংস। বা তারও কম। খুব বেশি টানাটানি থাকলে ছোট ছেলেকে ডিম ভাজি আর বাকিরা শাকসবজি ডাল দিয়েই চলে যায়।
কোন একদিন যদি সবাই একাত্রে বসে ডিনারে একটি নিরব ভালবাসা দেখা যায়। দুপুরের অবশিষ্ট মাছের টুকরা অথবা মাংসের অল্প তরকারি টা নিয়ে।
মা বলে- মাছ একদম খেতে ইচ্ছে করে না।
বাবা বলে- আমাকে একটু সবজি আর ডাল দিলে হবে, মাছ আজ জ্বাল হয়েছে অনেক।
বড় ছেলে বা মেয়েটি বলে- আজ টিউশানি তে যা নাস্তা দিল। কিচ্ছু খেতে ইচ্ছে করছে না।
অত:পর মাছের বা মাংসের টুকরাটি স্থান পায় ছোট ছেলেরর থালায়। ছোট ছেলে কিছু বলে না মাছের বা মাংসের টুকরা চার ভাগ করে চার থালায় দিয়ে নিজের খারার খেতে ব্যস্ত হয়ে যায়।
সেসব পরিবারের বাবা-মায়ের, ভাই-বোনের ভালবাসা এমনি। মাঝে মাঝে চুপ থেকে অনেক কথা বলে দেয় একে অন্য কে।মধ্যবিত্ত পরিবারে, স্নেহ মায়া, ভালবাসার কোন ভাষা নেই। ওরা এমনি........
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ২:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



