somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কিছু অবুঝ কিংবা অকৃতজ্ঞ মানুষের প্রতি

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ১২:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



প্রায় সময় কিছু প্রকার মানুষকে বলতে দেখা যায়, এই দেশ আমাকে কি দিয়েছে? তাদের এই সিদ্ধান্তেও উপনীত হতে দেখা যায় যে, যেহেতু এই দেশ কিছু দেয় নি তাই এই দেশ থেকে চলে যাওয়াই উত্তম। দেশে মানুষের নিরাপত্তা নেই, সত্য কথা, কিন্তু আমাকে কি কেউ বলতে পারবেন কোন দেশে নিরাপত্তা আছে? উন্নত অনেক দেশ আছে যাদের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্যেও সন্ত্রাসী হামলা হয়ে থাকে। কম হয়, কারণ তারা সচেতন। আপনি নিজেকে সচেতন ভাবছেন? আচ্ছা বলুন তো, আপনার সামনে ঘটে যাওয়া কয়টি অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছেন আপনি? আপনার সন্তানকে কি একবারও বলেছেন অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে। বরং আপনিই নিজের সন্তান সহ আরও কিছু মানুষকে উপদেশ দেন উটপাখির মত জীবন যাপন করার। আচ্ছা ঠিক আছে ধরে নিলাম আপনি ভাল। অনেক ভাল। কিন্তু একবার কি বলবেন, শতকরা কত জন মানুষ ভাল? সংখ্যাটা দশের ঘরে। দশ ভাগ ভালমানুষ ও নব্বই ভাগ খারাপ মানুষ নিয়ে কিভাবে একটি দেশ এগিয়ে যাবে বলতে পারেন?
সমাজ কোনদিন খারাপ মানুষের জন্য নষ্ট হয় না, সমাজ নষ্ট হয় ভাল মানুষদের নিষ্ক্রিয়তায়।
আগে নিজে ভাল হই, তারপর সমাজটাকে বদলানোর চেষ্টা করি, যেন উন্নত জীবনের আশায় অন্য কোন দেশে পারি জমাতে না হয়।
দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে এমন কিছু ছাত্র প্রায় বলে এই দেশ আমাদের কিছু দেয় নি। একজন কৃষক, রিকশা চালক, খেটে খাওয়া মানুষ যে ট্যাক্স দেয় সেই টাকায় আপনি পড়েন। শুধু পড়েনই না, তাদের টাকায় হলে থাকেন, কম টাকায় খাবার খান, মল-মুত্র বিসর্জনও করেন তাদের টাকায়। আর বলে বেড়ান দেশ আপনাদের কিছু দেয় নি।
একটা পরিসংখ্যান শুনেছিলাম, সত্য কিনা জানি না। বুয়েটে একজন ছাত্রকে মেকানিক্যাল ইঙ্গিনিয়ারিং পড়াতে সরকারের প্রতি চার বছরে খরচ হয় প্রায় পনের লাখের বেশি টাকা। এই টাকা কোথা থেকে আসে? একজন ছাত্রকে পড়াতে সরকারের অনেক টাকা খরচ হয়। তার পরও কেউ যদি বলে দেশ তাকে কিছু দেয় নি তবে সেই মানুষটাকে গুলি করা উচিত।
দেশটা সহজে স্বাধীন হয়নি। দেশের স্বাধীনতার ইতিহাস আমরা সকলে জানি। স্বাধীনতার পরেও আমাদের অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়েছে। আমরা আমাদের অনেক সূর্য সন্তানদের হারিয়েছি। তার পরও দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা এখন অনেক সচ্ছল।
অবহেলা করে ছেড়ে যাওয়া নয়, আসুন ভালবেসে দেশটাকে গড়ি নিজের মত করে, নিজের বসবাসের জন্য।

সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৭ রাত ১২:০৭
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চন্দ্রপ্রভা

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭

চন্দ্রপ্রভা
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

তোমাকে দেখে মোহিত হই চন্দ্রপ্রভা
রোদ পড়লে চকচক করে
এতই সুন্দর লাগে
একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকি।
তোমাকে ছুঁতে ইচ্ছে করে
কিন্তু পাই না যে সাহস।
তুমি নাই বলে কি এত ঝড়?
তুমি পাশে নাই বলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনি কি পেলেন?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৬



বাংলার দুই নোবেল জয়ী রবি ঠাকুর আর ডঃ ইউনুসের পিছনে অনেক কথাই তো বললেন।
ব্লগ লেখায় ভরিয়ে ফেললেন!
খোদা তাঁদেরকে যে জায়গা দিয়েছেন, তা থেকে এক চুল কি নিচে নামাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

তোমরা নেহা বোরা কে বাংলাদেশের কথা বোলো না

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:০২


নেহা বোরাকে তোমরা বাংলাদেশের কথা বোলো না। বোলো না যে, তিনি যখন বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ভূয়সী প্রশংসা করছেন, তখন বাংলাদেশে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুনেরা ক্যাম্পাসে গরু জবাই করে জেয়াফত খাওয়ার আন্দোলন... ...বাকিটুকু পড়ুন

জগন্নাথবাসীগণ, আমার কথা শুনছেন কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

জগন্নাথবাসীগণ,
আপনাদের গরু কোরবানি যদি হযরত জাবের (রাঃ)-এর মতো
নবীজীর সম্মানে হয়ে থাকে, তাহলে মোবারকবাদ।
আর, শুধু প্রতিবাদ দেখাতে একটি অবলা পশুকে হত্যা করে থাকলে,
তার জন্যে খোদার দরবারে বিচার দিলাম।
...বাকিটুকু পড়ুন

অভিনন্দন নাবিহা সাকলায়েন: ৩০ বছর পরের এআই পটেনশিয়াল

লিখেছেন কলাবাগান১, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৩৮


কনসেপ্ট টা খুবই সোজা...পৃথিবীর তাবত মানুষ ই জানে যে আপনার বিশ বছর বয়সে শরীরে যে কোষ গুলি আছে তা আপনার ৬০ বছর বয়সের কোষ আর সেইম না ..লম্বা সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×