
কেউ বলেন বসন্তকাল এলে আমার লেখার ভাব আসে
কেউ আবার বলেন, বর্ষাকালই আমার লেখার সময়
পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকলে অনেকেই লেখতে পারেন না
কেউ কেউ চলন্ত গাড়িতেও দিব্বি লেখে যান।
মানুষের ভেতরে না-বলা-কাহিনির যে বেদনা,
এর চেয়ে পীড়াদায়ক আর কিছু নেই।
লেখার মধ্য দিয়ে সমাজে নিজের আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠিত হয়-
আপনার ‘বলার কিছু আছে’ বলেই আপনি লেখেন।
লেখকরা অনুভূতিপ্রবণ।
তার অশ্রু ঝরলে পাঠকেরও অশ্রু ঝরবে
ভাবছেন, এত লেখকের ভিড়ে আমি আর কী লেখবো,
এরকম মনোভাব লেখক সত্ত্বাকে জন্মের আগেই মৃত্যু ঘটায়।
মানুষের আচরণকে বুঝতে না পারলে লেখার বিষয় খুঁজে পাওয়া কঠিন
ভিক্টোর হুগো কফির গন্ধ না পেলে লেখতে পারতেন না।
হয়তো সব লেখাই সাহিত্য হবে না,
তবু সবকিছু লেখে প্রকাশ করার অভ্যাস রাখুন।
পাঠক থাকুক আর না-ই থাকুক,
হিসেব করলে দেখবো যে, আমরা অনেকেই লেখক।
নিজস্ব স্টাইল নিয়ে অন্যদের অতিক্রম করতে না পারেন,
ততোদিন পাঠকের দৃষ্টি কেড়ে নিতে কষ্ট হবে আপনার।
কারও পরামর্শ নিয়ে কেউ কোনো দিন লেখক হতে পারে না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

