
সহজ সরল সত্য কথা- প্রতিটা ছেলেই বদ। বিরাট বদ। এই লক্ষ লক্ষ বদ থেকে আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে- যে ছেলে কম বদ। যে ছেলেকে দেখে আপনার মনে হবে- এই ছেলেটা ভালো, দেখতে সুন্দর, ফরসা, কি সুন্দর হাসি- খুব সহজ সরল, রুচিশীল শিক্ষিত কিন্তু বিশ্বাস করুন- এই ছেলেও বদমাশ। বর্তমান সমাজে একেবারে নিখুঁত ভালো ছেলে একজনও নেই। এমন ছেলেকে বিয়ে করবেন- যে ছেলে আপনাকে বিশ্বাস করবে, ভালোবাসবে এবং সম্মান করবে। মেয়েদের সবচেয়ে বড় বকামি সে নিজের ডিসিশন নিতে পারেনা।
যে ছেলে কারো নিন্দা করে না, দরিদ্রকে সাহায্য করে, পরিচিত-অপরিচিত সব মুরব্বীদের সম্মান করে এবং সবচেয়ে বড় কথা কুৎসিত ভাবে রাস্তা ঘাটে চলার সময় কোনো মেয়েদের দিয়ে কাতায় না। সুন্দর বাজার সদাই করতে পারে, পরিশ্রমী, ভালো চাকরি করে, গানবাজনা ভালোবাসে, কৃপণ নয়। ভিড়ের মধ্যে মেয়েদের গায়ে হাত দেয় না- এমন ছেলেকেই বিয়ে করা উচিত। বিয়ে, সারা জীবনের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত। বিয়ে তো জীবনে একবারই করবেন। কিন্তু সেই বিয়ে করে যদি জীবন বোরিং হয়ে যায়, তাহলে বিয়ে করে লাভটা কী?
ঢাকা শহরের বড় বড় অফিসে আমি দেখেছি- কোনো মেয়ে ইন্টারভিউ দিতে এলে- সে একা আসে না। তার মা অথবা বাবা নিয়ে আসে। তাহলেই বুঝুন একটা মেয়ে কতটা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে!! যে মেয়ে অনার্স মাস্টার্স শেষ করেছে- কিন্তু একা একটা অফিসে ইন্টারভিউ দিতে সাহস পায় না। তার মানে এই সমাজে ভয়ঙ্কর কিছু জীব আছে। এই জীব গুলো সব যুগেই সব জাগায়ই আছে। থাকবে। দুঃখজনক ব্যাপার হলো এই জীব গুলো কারো না কারো ছেলে, কারো ভাই, কারো মামা ইত্যাদি। এদের মধ্যে থেকেই তো আপনাকে কাউকে না কাউকে বেছে নিতে হবে বিয়ের জন্য।
যে ছেলেটার সাথে কথা বলে, বা তার সাথে কিছুদিন মিশে আপনার মনে হচ্ছে- এই ছেলেটা খুব। আশে পাশের অনেকেই তাকে খুব ভালো বলেছে- কিন্তু বিশ্বাস করুন- এই ছেলেটিও ভিড়ের মধ্যে মেয়েদের গায়ে হাত দেয়। রাত জেগে পর্ণ ভিডিও দেখে। রাস্তায় চলাফেরা করার সময় মেয়েদের বুকের দিকে কুৎসিত দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। বেকার কোনো ছেলেকে বিয়ে করবেন না। ভুল করার আগে সিদ্ধান্ত নিতে আপনি সচেতন হন
কাজেই আপনি যাকেই বিয়ে করেন না কেন, ধরেই নিবেন সে বিরাট বদ। এই বদকে নিয়েই সারা জীবন সংসার করতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা এই বদকে কিন্তু আপনি পারেন এক প্রেম ভালোবাসা দিয়ে মানুষ করতে। দিনের পর দিন আপনার স্বচ্ছ ভালোবাসা সে স্বচ্ছ ভালো মানুষ হয়ে উঠবে। নারীরা সাবধান থাকুন। বিয়ের সময় আবেগকে প্রাধান্য দিবেন না। যাঁদের কোনো বন্ধু নেই; যেসব পুরুষ লোকজনের মধ্যে প্রেমিকাকে একা ছেড়ে যান; রেস্তোরাঁ বা ক্যাফেতে ওয়েটারদের সঙ্গে যাঁরা খারাপ আচরণ করেন- এদের কাছ থেকে একশো হাত দূরে থাকবেন।
কথায় বলে পুরুষ যেন মেয়েদের না কাঁদায় স্বয়ং ঈশ্বর রাখেন তাদের চোখের জলের হিসাব। ঈশ্বরের কি খেয়ে দেয়ে আর কাজ নেই! জন্মের সময়ই তো মানূষ কাঁদতে কাঁদতে পৃথিবীতে আসে। মেয়েরা হাসেও বেশী, কাদেও বেশী। তাদের হাসির হিসাব রাখবে কে? সবচেয়ে ভালো হয় বিয়ে না করা। একা থাকাই সবচেয়ে উত্তম। মাদার তেরেসা বিয়ে করেননি, লতা মঙ্গেশকর বিয়ে করেননি, দু'দিন আগে তামিল নাড়ুর আম্মা (জয়ললিতা) বিয়ে করেননি। এমন অজস্র উদাহরন দেয়া যবে।
(লেখাটা অগোছালো হওয়ার কারণ হলো- অফিসে কাজের ফাঁকে (লুকিয়ে লুকিয়ে) লিখেছি বলে।)
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ৮:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




