
১। নারী স্বাধীনতা হাস্যকর একটা ব্যাপার । আজ থেকে ৫০ বছর আগে বা এখন নারী স্বাধীনতা কতটা তফাত হয়েছে ! এখন অনেক বেশী স্বাধীন, মিলিটারিতে যাচ্ছে, হিমালয়ে উঠছে, ছেলেদের সাথে পাল্লা দিয়ে লেখা-পড়া শিখছে, চাকরি করছে ! তবু বুকে হাত দিয়ে কোনো মেয়ে বলতে পারবে না, সত্যি কতটা স্বাধীনতা পেয়েছে তারা । সত্য কথা হলো, ছেলেরা যতটা ছাড়বে ঠিক ততটাই জমি পাবে তারা ।
২। পুরুষদের কিছু হলে তাকে চাপা দেওয়ার অনেক পথ খোলা থাকে । বন্ধু-বান্ধনব, বার, সিনেমা, থিয়েটার দেখে তারা ভুলে যেতে পারে । কিন্তু মেয়েরা গুমড়ে মরে । যত গুমড়ায় তত তাদের সর্বনাশ এগিয়ে আসে ।
৩। আপনার যদি হাঁটুর ব্যাথা থাকে তাহলে আনারসের রস খান এটি আপনার হাঁটুর ব্যাথা কমিয়ে দেবে !!
৪। ‘কান্না পেলে কাঁদতে হয়’।‘কান্না’ একটি ভাষা।যদি বলি ‘মেয়েটি কাঁদছে’, সাধারণ একটি বাক্যের মতোই সবাই একবাক্যে বুঝে নিচ্ছে, মেয়েটি কান্না নামক একটি সাধারণ প্রক্রিয়ার ফলাফল প্রকাশ করছে কান্নার মাধ্যমে। হয়তো কেউ চিমটি কেটেছে বা মেরেছে, তাই সে কাঁদছে। হতে পারে ‘ভেউ ভেউ’ করে কাঁদছে অথবা নীরবে কাঁদছে এবং চোখ দিয়ে টলটল পানিও ঝরছে, যাকে আমরা অশ্র“ বলি।
যদি বলি ‘কাঁদছে মেয়ে কষ্ট পেয়ে’, কোন পরিবর্তন কি চোখে পড়ে? ‘তোমরা যদি/ মারতে আসো/ কাঁদবো আমি/ ভ্যাঁ- করে’ ।আকাশ তো আকাশই, বুকের মধ্যেও কি আকাশ থাকে! সেটা কেমন আকাশ? আকাশের প্রতিরূপ? কিভাবে? এই আকাশের মতোই ওই আকাশটাতেও কি তেমনি যা কিছু থাকার কথা, সব থাকে? ওখানে মেঘও জমে, কীভাবে? কিসের মেঘ? তা আবার গলে গলে ঝরেও! কেন ঝরে? কোথায় ঝরে?
৫। মেয়েটি চলে যাচ্ছিল- ছেলেটি আবার ডেকে বলল- শুনুন আমাকে একটা বার্গার আর কোক খাওয়াবেন প্লীজ ? খুব ক্ষুধা লাগছে । মেয়েটি ব্যাগ থেকে কিছু টাকা বের করে ছেলেটির দিকে বাড়িয়ে দিল ।
ছেলেটি হেসে বলল- আমি আপনার কাছে টাকা চাইনি- বলেছি বার্গার আর কোক খাওয়াবেন কিনা ।
মেয়েটি বলল- আচ্ছা, চলুন । তারা একটি ফাস্টফুডের দোকানে গিয়ে বসল । বাইরে কি গরম ! আর দোকানের ভেতরটা বরফের মতন ঠান্ডা ! বেশীর ভাগ ফাস্টফুডের দোকানে ইংলীশ গান বাজে । কিন্তু এই দোকানটাতে বাজছে বাংলা গান - পথ ছাড়ো ওগো শ্যাম কথা রাখো মোর এমন করে তুমি আঁচল ধোরো না এখনি যে শেষ রাত হয়ে যাবে ভোর ! ( আহা, কি মিনতি ! ) মেয়েটি একটা বার্গার আর কোক ছেলেটির সামনে রেখে বলল খেয়ে নিন ।
ছেলেটি বলল- আপনি কিছু খাবেন না ?
মেয়েটি বলল- আমি বাসা থেকে খেয়ে বের হয়েছি ।
ছেলেটি বার্গার খেতে খেতে বলল- দেখুন ওপাশের কোনার টেবিলটায় দু'টা ছেলে মেয়ে বসে আছে- তারা টেবিলের নীচে পা ঘষাঘষি খেলছে ।
মেয়েটি বলল- চুপ করে খানতো । খাওয়ার সময় কথা বলতে হয় না ।
৬। এক বিল্ডিংএ আগুন লাগার পর সবাইকে হেলিকপ্টারে করে উদ্ধার কাজ চলছে......
হেলিকপ্টারের রশিতে দশ জন লোক ঝুলে আছেন। নয়জন সাধারণ মানুষ ও একজন নেতা। তো ওজন বেশি হয়ে যাওয়ায় হেলিকপ্টারের ড্রাইভার বলল...
"ওজন বেশি হয়ে গেছে একজনকে রশি ছেড় দিতে হবে" কিন্তু কেউ রশি ছাড়লো না।
তখন নেতা বলল, "ঠিক আছে আমি দেশের জন্য আমার জীবন উত্সর্গ করলাম"
এই কথা শুনে বাকি নয়জন হাতে তালি দিতে গিয়ে নিচে পড়ে গেলো।
আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ গুলোও ঐ নয়জন লোকের মত....
৭। এক চোর গভীর রাতে এক বাড়িতে চুরি করতে গেলো...
ওখানে আলমারি খুলতে গিয়ে দেখরো দরজার একপাশে নিচে লেখা...
"এই বাটন টিপলে আলমারি খুলে যাবে।" চোর যখনি বাটনটা টিপল...
তখনি সাইরেন বাজল... আর পুলিশ এসে চোরকে ধরে নিয়ে গেল।
যাওয়ার সময় চোরটা বলতে লাগলো, "দুনিয়া থেকে মনুষ্যত্ব উঠে গেছে... কাউকে বিশ্বাস করা যায় না !!!!!"
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৯:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


