somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

ইয়া আল্লাহ, খাঁটি মুসলিম না বানিয়ে কবরে নিও না

২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৯:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



১। নারী স্বাধীনতা হাস্যকর একটা ব্যাপার । আজ থেকে ৫০ বছর আগে বা এখন নারী স্বাধীনতা কতটা তফাত হয়েছে ! এখন অনেক বেশী স্বাধীন, মিলিটারিতে যাচ্ছে, হিমালয়ে উঠছে, ছেলেদের সাথে পাল্লা দিয়ে লেখা-পড়া শিখছে, চাকরি করছে ! তবু বুকে হাত দিয়ে কোনো মেয়ে বলতে পারবে না, সত্যি কতটা স্বাধীনতা পেয়েছে তারা । সত্য কথা হলো, ছেলেরা যতটা ছাড়বে ঠিক ততটাই জমি পাবে তারা ।

২। পুরুষদের কিছু হলে তাকে চাপা দেওয়ার অনেক পথ খোলা থাকে । বন্ধু-বান্ধনব, বার, সিনেমা, থিয়েটার দেখে তারা ভুলে যেতে পারে । কিন্তু মেয়েরা গুমড়ে মরে । যত গুমড়ায় তত তাদের সর্বনাশ এগিয়ে আসে ।

৩। আপনার যদি হাঁটুর ব্যাথা থাকে তাহলে আনারসের রস খান এটি আপনার হাঁটুর ব্যাথা কমিয়ে দেবে !!

৪। ‘কান্না পেলে কাঁদতে হয়’।‘কান্না’ একটি ভাষা।যদি বলি ‘মেয়েটি কাঁদছে’, সাধারণ একটি বাক্যের মতোই সবাই একবাক্যে বুঝে নিচ্ছে, মেয়েটি কান্না নামক একটি সাধারণ প্রক্রিয়ার ফলাফল প্রকাশ করছে কান্নার মাধ্যমে। হয়তো কেউ চিমটি কেটেছে বা মেরেছে, তাই সে কাঁদছে। হতে পারে ‘ভেউ ভেউ’ করে কাঁদছে অথবা নীরবে কাঁদছে এবং চোখ দিয়ে টলটল পানিও ঝরছে, যাকে আমরা অশ্র“ বলি।
যদি বলি ‘কাঁদছে মেয়ে কষ্ট পেয়ে’, কোন পরিবর্তন কি চোখে পড়ে? ‘তোমরা যদি/ মারতে আসো/ কাঁদবো আমি/ ভ্যাঁ- করে’ ।আকাশ তো আকাশই, বুকের মধ্যেও কি আকাশ থাকে! সেটা কেমন আকাশ? আকাশের প্রতিরূপ? কিভাবে? এই আকাশের মতোই ওই আকাশটাতেও কি তেমনি যা কিছু থাকার কথা, সব থাকে? ওখানে মেঘও জমে, কীভাবে? কিসের মেঘ? তা আবার গলে গলে ঝরেও! কেন ঝরে? কোথায় ঝরে?

৫। মেয়েটি চলে যাচ্ছিল- ছেলেটি আবার ডেকে বলল- শুনুন আমাকে একটা বার্গার আর কোক খাওয়াবেন প্লীজ ? খুব ক্ষুধা লাগছে । মেয়েটি ব্যাগ থেকে কিছু টাকা বের করে ছেলেটির দিকে বাড়িয়ে দিল ।
ছেলেটি হেসে বলল- আমি আপনার কাছে টাকা চাইনি- বলেছি বার্গার আর কোক খাওয়াবেন কিনা ।
মেয়েটি বলল- আচ্ছা, চলুন । তারা একটি ফাস্টফুডের দোকানে গিয়ে বসল । বাইরে কি গরম ! আর দোকানের ভেতরটা বরফের মতন ঠান্ডা ! বেশীর ভাগ ফাস্টফুডের দোকানে ইংলীশ গান বাজে । কিন্তু এই দোকানটাতে বাজছে বাংলা গান - পথ ছাড়ো ওগো শ্যাম কথা রাখো মোর এমন করে তুমি আঁচল ধোরো না এখনি যে শেষ রাত হয়ে যাবে ভোর ! ( আহা, কি মিনতি ! ) মেয়েটি একটা বার্গার আর কোক ছেলেটির সামনে রেখে বলল খেয়ে নিন ।
ছেলেটি বলল- আপনি কিছু খাবেন না ?
মেয়েটি বলল- আমি বাসা থেকে খেয়ে বের হয়েছি ।
ছেলেটি বার্গার খেতে খেতে বলল- দেখুন ওপাশের কোনার টেবিলটায় দু'টা ছেলে মেয়ে বসে আছে- তারা টেবিলের নীচে পা ঘষাঘষি খেলছে ।
মেয়েটি বলল- চুপ করে খানতো । খাওয়ার সময় কথা বলতে হয় না ।

৬। এক বিল্ডিংএ আগুন লাগার পর সবাইকে হেলিকপ্টারে করে উদ্ধার কাজ চলছে......
হেলিকপ্টারের রশিতে দশ জন লোক ঝুলে আছেন। নয়জন সাধারণ মানুষ ও একজন নেতা। তো ওজন বেশি হয়ে যাওয়ায় হেলিকপ্টারের ড্রাইভার বলল...
"ওজন বেশি হয়ে গেছে একজনকে রশি ছেড় দিতে হবে" কিন্তু কেউ রশি ছাড়লো না।
তখন নেতা বলল, "ঠিক আছে আমি দেশের জন্য আমার জীবন উত্সর্গ করলাম"
এই কথা শুনে বাকি নয়জন হাতে তালি দিতে গিয়ে নিচে পড়ে গেলো।
আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ গুলোও ঐ নয়জন লোকের মত....

৭। এক চোর গভীর রাতে এক বাড়িতে চুরি করতে গেলো...
ওখানে আলমারি খুলতে গিয়ে দেখরো দরজার একপাশে নিচে লেখা...
"এই বাটন টিপলে আলমারি খুলে যাবে।" চোর যখনি বাটনটা টিপল...
তখনি সাইরেন বাজল... আর পুলিশ এসে চোরকে ধরে নিয়ে গেল।
যাওয়ার সময় চোরটা বলতে লাগলো, "দুনিয়া থেকে মনুষ্যত্ব উঠে গেছে... কাউকে বিশ্বাস করা যায় না !!!!!"
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৯:৩৫
১০টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ড. ইরফান আল-হোসাইনীর রহস্যজনক মৃত্যু - জীবনের চেয়ে কোনো সম্পর্ক বড় নয়

লিখেছেন এমএলজি, ০৯ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৪০

= ড. ইরফান আল-হোসাইনীর রহস্যজনক মৃত্যু - জীবনের চেয়ে কোনো সম্পর্ক বড় নয় =

বিশ্বখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি এনভিডিয়া (NVIDIA)-তে কর্মরত, বুয়েটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং অত্যন্ত সম্ভাবনাময় তরুণ বিজ্ঞানী ড.... ...বাকিটুকু পড়ুন

জলসার আসর

লিখেছেন নিচু তলাৱ উকিল, ০৯ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:১০

রঙ্গিন শহররের বুকে তাম্বু টাঙিয়ে বসিয়েছি জলসার আসর।
ধর্মীয় বয়ানের ফাঁকে;
গলির মাথায় বেজে উঠছে উলুধ্বনি।
এদিকে তুমি আর আমি ডুবে আছি কলকির ধোঁয়ায়।
নোনতা ঘামের ব্যবচ্ছেদে পুটিমাছের বুক চিরে মেখে দিয়েছি পাঁচ প্রহরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

হয় না দেখা আর

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৯ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩৩


কতদিন হলো, হয় না দেখা
রঙধনু মেলা, শীত কাটে না
আর ঐশ্বর্য উষ্ণ বেলা
চঞ্চলতায় টিপুটিপু খেলা;
বিস্মৃতির পাতায় ডুবে যাচ্ছে
চাঁদ না দেখার আর্তনাদ,
ভেঙ্গে পরেছে অমোঘ
অপেক্ষায় দীর্ঘশ্বাস ঘুণ ধরেছে
নুনে পরেছে সময়ের ছলনা
মুখ ফিরেছে বাতাসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ শেষ জীবনে

লিখেছেন সামিয়া, ০৯ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৯



ঘুমিয়ে থাকা একজন মানুষ কখনো কখনো জেগে থাকা একজন মানুষের চেয়ে অনেক বেশি ভালো থাকতে পারে? কথাটা শুনতে অদ্ভুত। কিন্তু বয়স হলে মানুষ অনেক অদ্ভুত কথাই বিশ্বাস করে চিন্তা... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্ট্রপতি পদে আনভীর সোবহানকে দেখতে চাই।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৯ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪২


সায়েম সোবহান আনভীর। এক বিশাল বিজনেস টাইকুন, বসুন্ধরা গ্রুপের যোগ্য কান্ডারী। আহা, কী তার ব্যক্তিত্ব! দেখতে যেমন সুন্দর, চরিত্রও যেন মাশাআল্লাহ্ ফুলের মতো পবিত্র। আর বসুন্ধরা গ্রুপের কথা তো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×