somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

মুচি

০৯ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ১১:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



এক কাজে মতিঝিল গিয়েছিলাম। সানমুন টাওয়ার। যাবো বারো তালায়, ভুলে চলে গেলাম দশ তলায়। গিয়ে দেখি এই মুচির দোকান। লিফটের দরজার সামনে সে তার দোকান খুলে বসেছে। পাশেই অগ্রনী ব্যাংক। অগ্রনী ব্যাংকটা চারপাশ দেখলেই মনে হয় এর চেয়ে দরিদ্র ব্যাংক বাংলাদেশে আর নেই। প্রচন্ড অবাক হলাম! একটা বিশাল বিল্ডিং এর দশ তলায় জুতা কালির দোকান। ওই ফ্লোরেই অগ্রনী ব্যাংক। অন্য ফ্লোরে আরও কি কি বেসরকারি ব্যাংকও যেন আছে।
সানমুন টাওয়ার বর্তমানে বিশ অথবা চব্বিশ তালা হবে। এই মুহূর্তে আমার ঠিক মনে নেই।

মুচির দোকান সাধারন ফুটপাতে দেখা যায়। কোনো বড় বিল্ডিং এর দশ তলায় কেউ কি কখনও জুতা কালির দোকান দেখেছেন? এটা অবশ্য বেশ ভালো। এই লোককে রোদ বৃষ্টি বা রাস্তার ধূলো বালি থেকে কষ্ট করতে হবে না। আবার যারা এই বিল্ডিং এ কাজ করেন, তাদেরও জুতো কালি করতে বাইরে মুচির দোকান খুজতে হবে না। অফিসের পিয়ন দিয়ে দশ তলায় পাঠাবে- মুচি কালি করে দিবে। অথবা মুচি নিজে গিয়েই স্যারদের জুতো নিয়ে এসে কালি করে দিবে।

দেড় দুই বছর আগে এই সানমুন টাওয়ারের উপর থেকে দুই তিন তলা ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে সরকারের নির্দেশে। কারন পাশেই রাষ্ট্রপতির বাস ভবন। আবার রাজউকের অনুমতি ছাড়া তারা বিল্ডিং কয়েক তালা বেশি করেছে। যখন উপর থেকে বিল্ডিংটি ভাঙ্গা হয়- সেই সময় আমি ছবি তুলেছিলাম। বিল্ডিংটির কাজ এখনও পুরোপুরি শেষ হয় নাই। অনেক ফ্লোর খালি পড়ে আছে।

মুচির দোকানের সাথে আমি আলাপ করতে চেষ্টা করলাম। কিভাবে এই দোকান দিল, কাউকে কোনো টাকা দিতে হয়েছে কিনা। কারা কারা তার কাস্টমার। মুচি আমাকে কিছুই জানালো না। অবশ্য আমি খুব জোর করিনি। ইচ্ছা করলে সব তথ্যই নিতে পারতাম। আমি মনে করি এই মুচি বোকা। দশ তলায় আর কয়টা কাস্টমার পায়? বরং রাস্তাতেই বেশি কাস্টমার পাওয়া যায়।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ১১:২৭
৯টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আবার সমস্যা, ব্লগ আমাকে কেন ভোগাচ্ছে?

লিখেছেন মেহবুবা, ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩

আবার সমস্যা ব্লগ ঠিকমত দেখা যায় না। কিছুদিন আগে এমনটি হয়েছিল। ব্লগার সুলাইমান সহজ করে সমাধান বের করে দিয়েছিল। এবার একই সমস্যা হচ্ছে তবে সেই একই উপায়ে কাজ হচ্ছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ কি ইরানের নতুন শত্রু হতে চলেছে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:০৬


মরুভূমির গরম বাতাস আর লোহিত সাগরের নোনা জলীয় বাষ্প যেখানে এসে মেশে, বাব এল মানদেব প্রণালীর সেই জায়গাটায় রাতের অন্ধকার নামলেই একটা অদ্ভুত নীরবতা ছেয়ে যায়। কিন্তু সেই নীরবতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

কল্প-গল্প : প্রমিথিউসের শেষ রাত

লিখেছেন কাছের-মানুষ, ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:১১



“স্যার, কিছু কয়েন দেন!” মোলায়েম স্বরে বলেই হাত কচলায়।

কয়েনটি যিনি চাইলেন, তিনি একজন ভিক্ষুক। ব্যস্ত শহরের এই চৌরাস্তায় বসে নিয়মিত কয়েন আবদার করাই তার একমাত্র কাজ। মালদার পার্টি... ...বাকিটুকু পড়ুন

একালের আওয়ামী লীগের সাথে সে কালের বিএনপির পার্থক্য কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২১



সে কালের বিএনপি বিভিন্ন সময় আন্দোলনের গল্প শুনাতো। একালের আওয়ামী লীগ বিভিন্ন সময় আপা আসার গল্প শুনায়। এর মধ্যে দু’বছর পার হয়েছে আপা আসেননি। সামনে ডিসেম্বরের মহাক্ষণে আপা... ...বাকিটুকু পড়ুন

শামারুহ মির্জারাও সত্য মেনে নেয় যখন/ যদিও এর কোনো প্রয়োজনিয়তা আমাদের নেই॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩৮


বিএনপি ঘরানার মুখ থেকেও যখন সত্য বেরিয়ে আসে, তখন তা ইতিহাস হয়ে থাকে!

বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কন্যা ড. শামারুহ মির্জার একটি সত্য স্বীকারোক্তি......
“বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনা ছাড়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

×