
১। শাহেদ গবেষনা শুরু করেছে। গবেষনার বিষয় ভালো মানুষ। রীতিমতোন সে কাগজ কলম নিয়ে রাস্তায় নেমে গেছে। ভালো মানুষ খুঁজে বেড়াচ্ছে। অন্ততপক্ষে একজন ভালো মানুষ খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত সে সারা বাংলাদেশ চষে বেড়াবে এটাই তার পরিকল্পনা। প্রয়োজনে সে প্রতিটা জেলায় যাবে, যাবে গ্রামে থেকে গ্রামে। সারা বাংলাদেশে কি কোনো ভালো মানুষ নেই? শাহেদ তার এই মহৎ কর্মে আমাকে সাথে নিতে চেয়েছিল। আমি স্পস্ট করে মানা করে দিয়েছি। এবং বলে দিয়েছি ফাজলামোর একটা সীমা থাকা উচিত। তবে আমার ধারনা বাংলাদেশে কোনো ভালো মানুষ নেই। যদিও শাহেদকে আমি এই কথা বলিনি। কি দরকার বেচারাকে আশাহত করা। সে যদি সত্যি একজন ভালো মানুষ পেয়ে যায়!
২। ওরা কারা, যারা ছাত্রলীগের নামই শুনতে পারে না? আরে ভাই ওরা তো আমাদেরই ভাই বন্ধু। সবচেয়ে বড় কথা ওরা এদেশের সন্তান। ওদের বাবা মা অনেক আশা নিয়ে, এক বুক স্বপ্ন নিয়ে লেখা পড়া করতে পাঠায়। ওরা লেখাপড়ার পাশাপাশি, দেশকে ভালোবাসার কারনে- পড়ালেখার ফাঁকে ফাঁকে ছাত্র রাজনীতি করে। ছাত্র রাজনীতি খারাপ কিছু না। ছাত্র রাজনীতি থেকেই অনেক বড় বড় নেতা বের হয়ে আসে। আর এই ছাত্ররাই দেশের বড় সমস্যা দেখা দিলে সবার আগে এগিয়ে আসে। ৫২ তে, ৭১ এ তাদের ভূমিকা আমরা দেখেছি। এরশাদের পতনেও তারা বিরাট ভূমিকা রেখেছে। এজন্য তারা বলে তাদের আছে ইতিহাস আর ঐতিহ্য। আসল কথা বলি, ছাত্রলীগের গুনগান না করলে আমাকে দিনে দুপুরে সবার সামনে কুপিয়ে মেরে ফেলবে। ওরা বড় ভয়ঙ্কর। ওদের বুকে কোনো মায়া দয়া নেই। ওরা জালিম। পাকনামি করে নিজের জীবনটা অকালে হারাতে চাই না। জয় হোক ছাত্রলীগের।
মানবতা হলো মানুষের ধর্ম বা বৈশিষ্ট্য যার দ্বারা একজন মানুষ পুর্নাঙ্গ মানুষে পরিনত হতে পারে। এক কথায় মানবতা হলো- মানুষের জন্য মানুষের ভালোবাসা,স্নেহ মায়া মমতা।
৩। এক ব্যাঙ ক্ষুধার্থ এক সাপের সামনে আসতেই সাপটা তাকে এক ছোবলেই ধরে ফেললো। ব্যাঙটা জানে না, সে আদৌ আর সাপের মুখ থেকে মুক্তি পাবে কি না। তবু সে বাঁচার জন্য অনেক শোর-চিতকার করতে লাগলো। অথচ কেউ আর তার সাহায্যে এগিয়ে আসল না। কিন্তু সাপ জানে যে, এই ব্যাঙ আর তার কবল থেকে কখনো মুক্তি পাবে না। সে আর কিছুক্ষণের মধ্যেই তার খোরাক হয়ে যাবে। তাই সে ব্যাঙটাকে খুব মিষ্টি করে বললো, “প্রিয় ব্যাঙ, আমি তোমাকে খুব ভালবাসি।
নিজের আনন্দের জন্য লিখে যান। টিকে থাকবে কিনা, খ্যাতিময় হবে কিনা- সময়ের হাতেই সেটা ছেড়ে দেয়াই বোধ হয় যথার্থ হবে।
( গতকাল হাতের আঙুলে লোহার দরজায় চাপ খেয়েছি। রক্ত বের হয়ে ভয়াবহ অবস্থা। আঙুল ফুলে গেছে। প্রচন্ড ব্যাথা। প্রায় ৪৮ ঘন্টা হয়ে গেছে টাইপ করতে পারছি না। লিখতে পারছি না। শেষে এখন এক আঙুল দিয়ে টাইপ করছি। ডাক্তারের কাছে যাব কিনা বুঝতে পারছি না।)
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




