
১। কুরআন অন্য আর দশটি গ্রন্থের মত নয়। আমাদের কুরআন জানা প্রয়োজন, কারণ এটি অবতীর্ণ হয়েছে সমগ্র বিশ্ব জগতের মালিক মহান আল্লাহর নিকট হতে। কুরআনের বাণী যেহেতু মহান আল্লাহর বাণী, সেহেতু কুরআন অধ্যয়ন জরুরি।
পবিত্র কুরআনে মহাগ্রন্থ কুরআন সম্পর্কে বলা হয়েছে, এটি মানব জাতির জন্য একটি সুস্পষ্ট সতর্কবাণী এবং যারা আল্লাহকে ভয় করে তাদের জন্য পথ নির্দেশ ও উপদেশ। (সূরা আলে-ইমরান ১৩৮)
মানুষ যেন বিপথগামী না হয়, মানুষ যেন মানুষের মত আচরণ করে, মানুষ যেন মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিবেদিত করে এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ মানুষকে বারবার সতর্ক করে দিয়েছেন।
পবিত্র কুরআন মহান আল্লাহর নিকট থেকে মানুষের জন্য উপদেশ বাণী সম্বলিত একটি মহাগ্রন্থ। অতএব মানুষের উচিত এই মহাগ্রন্থের সকল উপদেশাবলী সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান অর্জন এবং সেই সব উপদেশাবলী অনুযায়ী নিজের জীবন গঠন।
মুদ্রণ যন্ত্র আবিষ্কারের পূর্বে কুরআন শরীফ হাতে লেখা হত। মহান আল্লাহর বাণী সমূহ সাধারণত পাথরে, চামড়ায়, হাড্ডিতে, গাছের ডালে বা পাতায় লেখা হত। প্রথম কুরআন শরীফ ছাপানো হয় জার্মানীতে ১১১৩ ঈসায়ী সালে। অমুসলিমদের দ্বারা ছাপানো এই কুরআন শরীফ মুসলমানদের নিকট গ্রহণযোগ্য হয়নি। মুসলমানদের দ্বারা সর্বপ্রথম রাশিয়ায় (সেন্ট পিটার্সবার্গ) এবং ইরানে (তেহরান) ১৭৮৭ সালে মুদ্রণ যন্ত্রের সাহায্যে কুরআন শরীফ মুদ্রিত হতে থাকে।
২। পশ্চিমের দেশগুলোতে নাস্তিকদের সাধারণ ভাবে ধর্মহীন বা পরলৌকিক বিষয় সমূহে অবিশ্বাসী হিসেবে গণ্য করা হয়। কিন্তু বৌদ্ধ ধর্মের মত যেসব ধর্মে ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে হয় না, সেসব ধর্মালম্বীদেরকেও নাস্তিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিছু নাস্তিক ব্যক্তিগত ভাবে ধর্মনিরপেক্ষতা, হিন্দু ধর্মের দর্শন, যুক্তিবাদ, মানবতাবাদ এবং প্রকৃতিবাদে বিশ্বাস করে। নাস্তিকরা কোন বিশেষ মতাদর্শের অনুসারী নয় এবং তারা সকলে বিশেষ কোন আচার অনুষ্ঠানও পালন করে না। অর্থাৎ ব্যক্তিগত ভাবে যে কেউ, যে কোন মতাদর্শে সমর্থক হতে পারে,নাস্তিকদের মিল শুধুমাত্র এক জায়গাতেই, আর তা হল ঈশ্বরের অস্তিত্ব কে অবিশ্বাস করা।
৩। ভালোবাসা প্রেমের যেমন কোনো জাত হয় না, লেখকেরও কোনো জাত নেই। নেই কোনো দেশ। একজন লেখক, শিল্পী, সৃজনশীল মানুষ বিশ্বব্যাপী বিরাজমান। সে কারণেই শেক্সপীয়ার আমাদের, এরিস্টটল, অ্যালবার্ট আইনস্টাইন, প্লেটো, ওহেনরী. জ্যাঁ পল সার্ত্র্রে, মার্কেস, হেমিংওয়ে কিংবা ভ্যান গগ, পিকাসো এঁরা সবই আমাদের।
৪। এই কবিতাটা আগে ভালো লাগতো না। এখন লাগে-
আমার এখন নিজের কাছে নিজের ছায়া খারাপ লাগে
…রাত্রিবেলা ট্রেনের বাঁশি শুনতে আমার খারাপ লাগে
আমার এখন চাঁদ দেখলে খারাপ লাগে
এই যে মানুষ মুখে একটা মনে একটা. . .
খারাপ লাগে
খারাপ লাগে
মোটের উপর, আমি অনেক কষ্টে আছি.. কষ্টে আছি বুজলে যুথী
-----জয় গোস্বামী
৫। আমার মেয়ের জন্য একটি সুন্দর নাম দিন। অর্থসহ। টিভি চ্যানেলের জন্য নাম দিন। অমুক প্রতিষ্ঠানের জন্য নাম দেন। ইত্যাদি ইত্যাদি। অনেককেই দেখেছি ফেসবুকে ব্লগে নাম চায়। এদেরকে আমার গাধা বলে মনে হয়।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


