
মেঘ গুলো সারাক্ষন উড়তেই থাকে।
২।

এখানে দাঁড়িয়ে সবাই প্রকিতি উপভোগ করে।
৩।

অনেক আদীবাসী আর উপজাতিদের অনেক বাড়িতেই শূকর আছে।
৪।

এই ব্রিজটা দিয়ে এপার থেকে ওপার, আর ওপার থেকে এপার আসার জন্য। কিন্তু আমি লক্ষ্য করে দেখলাম এক দল লোক ব্রিজটার মধ্যে দৌড়াচ্ছে, দুই হাতের সব শক্তি দিয়ে ব্রিজটাকে কাপাচ্ছে। লাফাচ্ছে। কিন্তু কেন তারা এমন করছে? টিকিট এর গায়েও দেখলাম দেখা আছে- ''দয়া করে ব্রজিজের উপর লাফালাফি করবেন না, দৌড়াবেন, ব্রিজ জাকাবেন না।
৫।

মেঘ গুলো দেখতে বেশ ভালো লাগে।
৬।

ক্যাবল কারে উঠেছিলাম। ক্যাবল কার থেকে এ ছবি নিয়েছি।
৭।

শহরের অনেক রাস্তা'ই এরকম ফাঁকা পেয়েছি।
৮।

পাহাড়ি অঞ্চলে এত কলা হয় আমার জানা ছিল না।
৯।

এই লোক ব্রিজে দাঁড়িয়ে ফোনে গল্প শুরু করেছে। একের পর এক ফোন করেই যাচ্ছে। এই ফজলু তুই কই?
১০।

সুরভি বলল, বান্দরবান আসছো, একটু গাছের শিকড় ধরে কিছুক্ষন বান্দরের মতো ঝুলো। আমি ছবি তুলে দেই।
১১।

পুরো বান্দবানের মধ্যে এই মসজিদ টাই সবচেয়ে সুন্দর। কেন্দ্রীয় মসজিদটা এর পরের স্থানে আছে।
১২।

নীলগিরি পাহাড়ের উপর রেস্টুরেন্টের সামনে বসার স্থান। কিন্তু এখানে কেউ বসে না। আমি নিজেও বসি নাই।
১৩।

সাঙ্গু নদী দিয়ে যাওয়ার সময়, বোট থেকে নেমে বেশ কিছুক্ষন হাঁটার পর এই ঝর্নাটা দেখতে পাওয়া গেল। আমাদের বোট ম্যান জোর করে আমাদের নিয়ে গেল। তার অনুরোধে গিয়ে সুন্দর একটা ঝর্না দেখলাম আর মুগ্ধ হলাম।
১৪।

সাঙ্গু নদীতে এসময় ভরপুর পানি থাকার কথা। কিন্তু পানি অনেক কমে গেছে। পদ্মা নদীর মতো চর পড়েছে। এই পথ দিয়েই অনেকখানি হেঁটে ঝর্না দেখতে পাই। ঝর্নার পানি খুব চমৎকার।
১৫।

বানর গুলো যে খুব কষ্টে আছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
১৬।

সব ছবি মোবাইল দিয়ে তুলেছি। এস এল আর এ কি এর চেয়ে ভালো ছবি পেতাম?
১৭।

সাঙ্গু নদী দিয়ে ইঞ্জিনওয়ালা নৌকা করে যাচ্ছি আর যাচ্ছি।
১৮।

শেষে আমাদের একটি ছবি দিলাম। ক্ষমা প্রার্থী।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




