somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

আমার বন্ধু জাহাঙ্গীর

৩০ শে আগস্ট, ২০১৮ সকাল ৮:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



দুই যুগের বেশি সময় ধরে জাহাঙ্গীরের সাথে আমার পরিচয়। আমরা একই সাথে স্কুলে পড়তাম। ভীষন দুষ্ট ছিল জাহাঙ্গীর। মেয়েদের পিছে খুব ঘুরঘুর করতো। পেরি নামের একটা মেয়েকে ভালোবেসেছিল। এই মেয়ের বাসায়ও আমরা গিয়েছি। রাজারবাগ পুলিশ লাইনের এক কোয়াটারে। আমার মনে আছে ঈদের দিন গিয়েছিলাম পেরিদের বাসায়। পেরি মা সেমাই খেতে দিয়েছিলেন। যেদিন পেরি'রা গ্রামে যাবে, সেদিন আমি আর জাহাঙ্গীর ভোর থেকে দাঁড়িয়ে ছিলাম পেরিদের বাসার সামনের পুকুর পাড়ে। কিন্তু সেদিন পেরি গ্রামে যাবার বেলা এক মুহূর্তের জন্য জাহাঙ্গীরের সাথে দেখা হলো না। শেষে জাহাঙ্গীর আর আমি চলে গেলাম সিলেট। নানান কাহিনির পর পেরিদের বাসা খুঁজে বের করি। এক পলকের জন্য পেরিকে জাহাঙ্গীরের সাথে দেখার ব্যবস্থা করে দেই। এগুলো বহু বছর আগের কথা। এই ঘটনার ৩/৪ বছর পর জাহাঙ্গীর চলে গেল সৌদি আরব। সৌদি আরব থেকে অনেক বছর পর ফেরার পর একদিন আমি আর জাহাঙ্গীর আড্ডা দিচ্ছিলাম শাহবাগ। তখন হুট করে আমরা পেরিকে দেখতে পাই, সে ফুলের দোকান গুলোর সামনে দিয়ে হেটে যাচ্ছে। অসংখ্য চিঠি দুজন দু'জনকে লিখেছিল। জাহাঙ্গীরের কাছে থাকা পেরি চিঠি গুলো আগুনে পোড়ানো হয়েছিল।

জাহাঙ্গীর আর আমি আমরা এক এলাকায়'ই থাকতাম। প্রতিদিন'ই দেখা হতো আড্ডা হতো। হাজার লক্ষ সৃতি আছে আমার জাহাঙ্গীরের সাথে। জাহাঙ্গীর প্রথম বার সৌদি থেকে আসার পর আমরা দু'জন চলে যাই কক্সবাজার। সেখানে আমাদের আড্ডা আর গল্প শেষ হয় না। বিদেশে থাকতে জাহাঙ্গীর আমাকে প্রতি সপ্তাহে তিন চার বার করে ফোন দিত। ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলতো। সেই আমলে মোবাইল ছিল না। আমরা দুইজন দুজনকে নিয়মিত চিঠি লিখতাম। জাহাঙ্গীর বিদেশ যাওয়ার সময় আমাকে বলে গিয়েছিল- আমি যেন তাদের বাসায় নিয়মিত যাই, তার মা বোনদের খোজ খবর রাখি। আমি জাহাঙ্গীরের কথা মতো নিয়মিত তাদের বাসায় যেতাম। মা, ভাই বোনদের খোজ খবর রাখতাম। জাহাঙ্গীরের মা, বোন এবং ভাই আমাকে খুব পছন্দ করেন। এমন কোনোদিন হয় নাই, ওদের বাসায় গিয়েছি আর ভাত না খেয়ে ফিরেছি। জাহাঙ্গীর'রা আমাদের এলাকা ছেড়ে প্রথম গেল, বাসাবো, তারপর নন্দীপাড়া এবং সব শেষে নারায়ণগঞ্জ। এই তিন বাসাতেই আমাকে অসংখ্যবার যেতে হয়েছে। জাহাঙ্গীর খুব খরচে ছিল। প্রচুর টাকা খরচ করতো।

জাহাঙ্গীরের বড় ভাই করিম। করিম ভাই সৌদি থাকতেন তিনিই জাহাঙ্গীরকে সৌদি নিয়ে যান। করিম ভাই খুব ভালো মানুষ। তিনি যতবার দেশে ফিরেছেন আমি তাকে এয়ারপোর্টে থেকে আনতে গিয়েছি। তার বিয়ের জন্য মেয়ে দেখেছি। সেই বিয়েতে আমি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ছিলাম। করিম ভাই এর কথা অন্য কোনোদিন বলব। জাহাঙ্গীরের জন্য মেয়ে দেখা হলো। সেই বিয়ের অনুষ্ঠানে আমি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ছিলাম। বিয়েতে আমাদের আরেকজন বন্ধু 'বুলবুল' ছিল। বুলবুল বর্তমানে দুবাই আছে হয়তো। জাহাঙ্গীরের বিয়ের অনুষ্ঠানের ছবি আমিই তুলি। বিয়ের পর জাহাঙ্গীর বউ নিয়ে আমার বাসায় বেড়াতে আসে। সেদিন আমরা খুব আড্ডা দেই। আরেকদিন আমরা সবাই মিলে বাইরে যাই। রেস্টুরেন্টে খাবার খাই একসাথে। জাহাঙ্গীরের বেশ কিছু ঘটনা আছে যা আমাদের অন্য কোনো বন্ধু বান্ধব জানে না। শুধু আমি জানি। একমাত্র আমি। সেই সব ঘটনা গুলো আমি লিখতে চাই না। জাহাঙ্গীর যখন প্রতিদিন আমাকে বিদেশ থেকে ফোন দিত, আমি বলতাম এতবার ফোন দিস না, অনেক টাকা খরচ হয়। এর চেয়ে ভালো তুই ফেসবুক শুরু কর। সেখানে আমরা কথা বলব।

জাহাঙ্গীর তখন ফেসবুক কি কিছুই বুঝেই না। আমি তাকে ফেসবুক একাউন্ট খুলে দেই। ফেসবুক কিভাবে ব্যবহার করতে হয়- আমিই তাকে ফোনে ফোনে সব শিখাই। একদিন জাহাঙ্গীর বলল, দোস্ত একটা ছদ্ম নাম দিয়ে দে। তারপর আমি মোঃ জাহাঙ্গির আলম নামের শেষে 'জীবন' নামটা যোগ করে দেই। আমাদের বন্ধুর নাম একটাই ''মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।'' জীবন নয়। জীবন নামটা দেওয়ার পেছনে একটা কারন আছে। সেই কারন আজ আর বলার দরকার নেই। জাহাঙ্গীরের বয়স ৩৮ নয়। আরও কম। বড়জোর ৩৪/৩৫ হবে। আমি শুধু জাহাঙ্গীরের সাথে নয় ওর পরিবারের সবার সাথে জড়িত। জাহাঙ্গীর'রা তিন বোন, দুই ভাই। সুলতানা আপা, জোছনা আপা আর সবার ছোট মলি। জাহাঙ্গীরের বাবা অনেক আগেই মারা যান। সম্ভবত তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। আমি যতবার ওদের বাসায় গিয়েছি- ওদের বসার ঘরের দেয়ালে আংকেলের একটা ছবি দেখেছি। তার মূখ ভরতি দাড়ি, সাদা পাঞ্জাবি পরা। জাহাঙ্গীরের ছোট বোন মলি। মলিকে হাফ প্যান্ট পরা অবস্থায় দেখেছি। এখন তার দুই সন্তান। মলির জামাই খুব সহজ সরল ভালো মানূষ।

দুই বছর আগে জাহাঙ্গীরের সাথে আমার একটা ফালতু বিষয় নিয়ে খুব তর্ক হয়। সৌদি থেকে জাহাঙ্গীর বারবার ফোন করলো, ফেসবুকে অনেক চ্যাট হলো। আমি জাহাঙ্গীরকে বুঝাতে পারি না, জাহাঙ্গীরও আমাকে বুঝাতে পারে না। শেষমেষ দুই বন্ধুর মনোমালিন্য দেখা দিল। আমি তাকে নক করি না, সে-ও আমাকে নক করে না। আমি মনে করি, সে আমাকে স্যরি বলবে, সে মনে করে আমি তাকে স্যরি বলব। এইভাবে দুই বছর পার হয়ে গেল। যদিও জাহাঙ্গীরের সাথে আমার কথা বার্তা বন্ধ কিন্তু তার পরিবারের সাথে আমার দেখা সাক্ষাৎ, কথাবার্তা চলতে থাকলো আগের মতোই নিয়মিত। এর ভিতরে আরও অনেক কাহিনি আছে। আন্টি অসুস্থ হয়ে পড়লেন, তাকে বারডেমে দেখতে গেলাম। সুলতানা আপা'র ছেলের জন্মদিনে গেলাম। জাহাঙ্গীরদের গাজীপুরে জায়গা রাখলো সেই জায়গা দেখতে গেলাম। সবশেষে জাহাঙ্গীর সৌদি থাকতেই নারায়ণগঞ্জ জায়গা কিনলো। সেই জায়গা দেখতে গেলাম। বাড়ির কাজ শুরু হলো। বাড়ির কাজ দেখতে গেলাম। আন্টিকে বুদ্ধি পরামর্শ দিলাম। মিস্ত্রীদের সাথে কথা বললাম।

কয়েকদিন আগে, মানে ঈদের দিন বিকেল তিনটায় জাহাঙ্গীরের বড় ভাই কাঁদতে কাঁদতে আমাকে ফোনে জানালেন, জাহাঙ্গীর স্ট্রোক করে মারা গেছে। এই কথা শুনে- আমার মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়লো। আমি সত্যি সত্যি ঠাস করে মাটিতে পড়ে যাই। সুরভি দৌড়ে এসে আমাকে ধরে। টানা দশ মিনিট আমি বাকরুদ্ধ হয়ে যাই। সুরভি আমাকে মাথায় পানি দেয়। অনেকক্ষন পর সুস্থ হয়ে আমি সুরভিকে জাহাঙ্গীরের কথা বলি। সে-ও প্রচন্ড কষ্ট পায়। জাহাঙ্গীরের সাথে অনেকবার কথা হয়েছে সুরভি'র। আমাকে যতবার ফোন দিত, ফোন রাখার আগে বলতো ভাবীকে দে। সুরভি'র সাথে নানান বিষয় নিয়ে গল্প করতো। ফোন রাখার আগে বলতো, ভাবী আপনার হাতের রান্না অনেক মজা। আমি দেশে আসলে আমাকে এটা ওটা (লম্বা একটা লিস্ট দিত) রান্না করে খাওয়াতে হবে। মিষ্টি আর ফল নিয়ে জাহাঙ্গীর সুরভি'দের বাড়িতেও গিয়েছেল। অবশ্য আমি বিয়ে করার সময় রাগ করে জাহাঙ্গীরকে জানাই নাই, এই নিয়ে জাহাঙ্গীরের অনেক রাগ ছিল। অবশ্য যখন আমি বিয়ে করি তখন জাহাঙ্গীরের সাথে আমার কঠিন মনোমালিন্য চলছিল। যাই হোক, আমি আমাদের বন্ধু রকিবকে ফোনে জাহাঙ্গীরের মৃত্যু সংবাদ জানাই। রকিব প্রথমে ভেবেছিল আমি মজা করছি। শেষে রকিব কেদে দেয়।

আমাদের বন্ধু রাকিব হাসান ফেসবুকে খুজে খুঁজে সব বন্ধুদের বের করে। সবার সাথে সবার দেখা করার ব্যবস্থা করে। একদিন খুব ধুমধাম করে একটা গেটটুগেদারের ব্যবস্থা করে। ফেসবুকে গ্রুপে নিয়মিত সব বন্ধুদের আড্ডা চলতে থাকে দিনের পর দিন। পুরনো দিনের সৃতি মনে করে সব বন্ধুরা আবেগে আপ্লুত হলো। সবার সাথে সবার যোগাযোগ আরও গভীর হলো। ফেসবুকে গ্রুপ হবার আগে আমি জাহাঙ্গীরকে মোবাইলে সব জানাতাম, যে বন্ধুর যতটুকু খবর জানতাম- সবই জাহাঙ্গীরকে মোবাইলে বলতাম। যাই হোক, এখন মনে প্রানে চাই পরপারে জাহাঙ্গীর ভালো থাকুক। আল্লাহ যেন তাকে বেহেশত দান করেন। জাহাঙ্গীরের একটা ছেলে আছে। এই ছেলেটা যেন সুস্থ সবল থাকে। আমার খুব ইচ্ছা ছেলেটার লেখাপড়া খরচের দায়িত্ব নিই। আল্লাহ যেন আমাকে সেই দায়িত্ব নেওয়ার ক্ষমতা দান করেন। শুধু মুখে মুখে বন্ধু বললে হবে না। দায়িত্বও পালন করা উচিত। আমি তো ভুলে যেতে পারব না- জাহাঙ্গীর আমার বিপদের সময়, সব সময় আমার পাশে ছিল। আমার জন্য তার সীমাহীন টান ছিল, ভালোবাসা ছিল। জাহাঙ্গীর বারবার আমাকে বলতো ''তুই আমার বন্ধু না, তুই আমার ভাই''। সেসব যদি আজ আমি অস্বীকার করি, তাহলে মানুষ হিসেবে আজ আমি অমানবিক হয়ে যাবো।

গতকাল জাহাঙ্গীরের বোন সুলতানা আপার সাথে কথা হলো। তার কাছে থেকে জানলাম জাহাঙ্গীরের অনেক ঋণ। বাড়ি করতে গিয়ে অনেক টাকা ঋণ করতে হয়েছে। ঋণের পরিমান প্রায় ৫/৭ লাখ টাকা। আমি বুঝি না এত বছর বিদেশ করার পর ঋণ কেন থাকবে? জাহাঙ্গীর তো বিদেশে ভালো টাকা ইনকাম করতো। জায়গা কিনেছে আর সেই জায়গাতে বাড়ি করতে গিয়ে ধারদেনা কেন করতে হবে? তাহলে এত বছর বিদেশে থেকে লাভ কি হলো? আজও বাড়ির কাজ কমপ্লিট হয়নি। ব্যাপারটা যেন কেমন? এদিকে জাহাঙ্গীরের ভাই করিম ভাইও দীর্ঘদিন বিদেশ ছিলেন। তাহলে তার টাকা পয়সা কোথায়? তার কাছেও নাকি কোনো টাকা পয়সা নেই। সে একেবারে দেশে ফিরে এসেছেন! এখন এক বছর ধরে বেকার বসে আছেন। তাহলে এখন জাহাঙ্গীরদের সংসার চলবে কেমন করে? আর ৫/৭ লাখ টাকা দেনা শোধ হবে কেমন করে? আমি কিচ্ছু বুঝতে পারছি না। আমার মাথা কাজ করছে না।

গতকাল জাহাঙ্গীরের বোন সুলতানা আপার সাথে কথা হলো। তার কাছে থেকে জানলাম জাহাঙ্গীরের অনেক ঋণ। বাড়ি করতে গিয়ে অনেক টাকা ঋণ করতে হয়েছে। ঋণের পরিমান প্রায় ১০ লাখ টাকা। আমি বুঝি না এত বছর বিদেশ করার পর ঋণ কেন থাকবে? জাহাঙ্গীর তো বিদেশে ভালো টাকা ইনকাম করতো। জায়গা কিনেছে আর সেই জায়গাতে বাড়ি করতে গিয়ে ধারদেনা কেন করতে হবে? তাহলে এত বছর বিদেশে থেকে লাভ কি হলো? আজও বাড়ির কাজ কমপ্লিট হয়নি। ব্যাপারটা যেন কেমন? এদিকে জাহাঙ্গীরের ভাই করিম ভাইও দীর্ঘদিন বিদেশ ছিলেন। তাহলে তার টাকা পয়সা কোথায়? তার কাছেও নাকি কোনো টাকা পয়সা নেই। সে একেবারে দেশে ফিরে এসেছেন! এখন এক বছর ধরে বেকার বসে আছেন। তাহলে এখন জাহাঙ্গীরদের সংসার চলবে কেমন করে? ১০ লাখ টাকা দেনা শোধ হবে কেমন করে? আমি কিচ্ছু বুঝতে পারছি না। আমার মাথা কাজ করছে না।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে আগস্ট, ২০১৮ সকাল ৮:৫০
১৭টি মন্তব্য ১৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চাকরির জন্য সুপারিশ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৩ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৫৮



গত কয়েকদিন যাবত ফেসবুক, ইউটিউব সহ অনলাইন সকল পত্র-পত্রিকা, টিভি নিউজ সহ এমন কোনো স্থান বাদ নেই যেইখানে এক ব্যক্তির রাজনীতি, সাংসদ, সংসদ, চরিত্র, বিবাহ, কাবিন নামা, প্রথম স্ত্রী,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার একান্ত মুহূর্ত কি লুকানো ক্যামেরায় বন্দি হচ্ছে, জেনে নিন শনাক্তের উপায়

লিখেছেন নতুন নকিব, ২৩ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:৩৬

আপনার একান্ত মুহূর্ত কি লুকানো ক্যামেরায় বন্দি হচ্ছে, জেনে নিন শনাক্তের উপায়

USB Charger এর ভেতরে লুকানো ক্যামেরার ছবিটি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

ভূমিকা

ভ্রমণ মানেই নতুন জায়গা দেখা, প্রিয়জনের সাথে সময় কাটানো... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের সেই মানুষগুলো কোথায় গেলো

লিখেছেন অর্ক, ২৩ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:২৬



স্বাধীনতা পরবর্তী, পচাত্তর পরবর্তী সময়ের ঘটনা। পচাত্তরের পনেরোই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে নৃশংসভাবে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছে। ক্যু হয়েছে দেশে। সামরিক বাহিনীতে সংঘাত। বহু সদস্য হতাহত। জেনারেল জিয়া অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাঝা

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৩ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:০৬



বর্তমানে জনসংখ্যার বিচারে 'বিহার' ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম রাজ্য।
বিহারের রাজধানী পাটনা। বিহার মূলত দরিদ্র অঞ্চল বলা যেতে পারে। এখানে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় আছে। অনেক পুরাতন বিশ্ববিদ্যালয়। নালন্দা ছিলো মূলত... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ কি ক্যাশলেস সোসাইটি এর জন্য কি পারফেক্ট?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২৩ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৪০



এটা বাংলা কিউ আর কোড। বাংলাদেশ ব্যাংক সকল ব্যাবসায়ীদের বাংলা কিউ আর কোড বাধ্যতামূলক করেছেনভ এটার ভালো দিক ও খারাপ দিক দুইটাই আছে। বাংলাদেশের সিস্টেম, কারিগরি দক্ষতা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×