
১। "বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে"
খুবই সুন্দর এবং বাস্তব একটি কথা।
দয়া করে কেউ পাখি কিনে বা অন্যায় ভাবে ধরে খাঁচায় বন্দি করে রাখবেন না।দেখতে হয়তো আপনার ভাল লাগতে পারে , কিন্তু যে খাঁচার ভিতরে ছটফট করছে তার কথা ভাবার কি সময় আছে আপনার?
একবার শুধু নিজেকে জেল খানার বন্দি অবস্থায় দেখুন। ঠিক বুঝতে পারবেন যে বন্দি জীবন কতটা কষ্টের।
২। সবাই যদি মানুষ হতো তাহলে মানব জাতি সুখে শান্তিতে থাকতো। আইন, আদালত, থানা, পুলিশ, পার্লামেন্ট কোন কিছুর প্রয়োজন হতো না।
৩।

সুরভি'র শিল্পকর্ম।
৪।আমরা বাংলাদেশীরা কোন এক বিচিত্র কারনে মানুষ কে তামাশা অথবা অপমান করে আনন্দ পাই। হয়ত কাউকে পছন্দ হচ্ছে না, তাকে নানা ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য উঠে পড়ে লেগে যাই। অন্যকে তামাশা হেয় অপমান, সমালোচনা আমাদের এক প্রকারের পৈশাচিক আনন্দ দেয়।
মানুষকে হেনস্তা করা আর অপমান করা যেন আমাদের সংস্কৃতি!
৫। তখন আমার ৭ বা ৮ বছর হবে।
সব ছেলেরা মাঠে ঘুড়ি উড়াচ্ছে। আমি খুব মন দিয়ে তাদের ঘুড়ি উড়ানো দেখছি। আমার নাটাই নেই, কাজেই অন্যদের ঘুড়ি উড়ানো দেখেই আমার আনন্দ।
সবচেয়ে বেশি আনন্দ হয়, যখন কারো ঘুড়ি কেটে যায়। আমি আকাশের দিকে তাকিয়ে সেই ঘুড়ির পেছনে ছুটি। সুতা কেটে যাওয়া ঘুড়িটাকে আমার ধরতেই হবে।
একদিন বিকেলে একটি ঘুড়ি কেটে দূরে জংলা মত একটা জায়গায় পেয়ারা গাছে ঝুলে ছিল। আমি পা টিপে টিপে খুব সাবধানে সেই পেয়ারা গাছের সামনে গিয়ে হাজির হই। পেয়ারা গাছটির পেছনে একটা দোতলা ভাঙ্গা বাড়ি।
ঘুড়ি ধরার জন্য পেয়ারা গাছে উঠতেই বাতাসে উড়ে উড়ে ঘুড়িটি মাটিতে পড়ল। ঠিক তখন দেখি, একটি খুব সুন্দর তরুনী মেয়ে মাদুর পেতে বসে আছে। তার মাথা ভর্তি চুল, দুই হাত ভর্তি কাঁচের চুরি। চোখে মোটা করে কাজল দিয়েছে। মেয়েটি একটু মিষ্টি হেসে বলল, এই বাবু, আসো কাছে আসো। তুমি কোন বাড়ির ছেলে?
হঠাত করে আমি খুব ভয় পেলাম। মাটি থেকে ঘুড়িটি তুলেই এক দৌড় দিলাম।
আজ বাংলামটর-এ এই মেয়েটিকে আমি দেখেছি। তার একটুও বয়স বাড়েনি। সেই আগের মতোই আছে। এক নজর দেখেই চিনে ফেলি। আমি মেয়েটির কাছে গিয়ে বললাম, তুমি কেমন আছো? তারপর ...
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




