
১ জন্মের সময় আমাকে যদি বলা হতো- 'তুমি কি পৃথিবীতে যেতে চাও?
আমি চিৎকার করে বলতাম- না, আমি যাব না।
এখন আমাকে প্রতিটা দিন যুদ্ধ করতে হয়, আমি শান্তিতে নিঃশ্বাস নিতে পারি না। কোথাও শান্তি নেই। মানুষ আর মানুষ নেই, তারা পশুর চেয়ে বেশি নিষ্ঠুর। তাদের মন মানসিকতা নোংরা। হিংসুটে, লোভী, চতুর। যত খারাপ বিশেষণ আছে- সব বললেও কম বলা হবে। আমার বাবা-মা যদি আমাকে পৃথিবীতে না আনতো- তাহলে কি আমাকে প্রতিদিন যুদ্ধ করতে হতো? হিমসিম খেতে হতো? মিথ্যা বলতে হতো? প্রতারনার স্বীকার হতে হতো? কুকুরের মতো পরিশ্রম করতে হতো? অভাবে-অভাবে জীবন যাপন করতে হতো? টেনশনে থাকতে হতো? ভয়ে থাকতে হতো? কারো গোলাম হতে হতো? খাওয়া পড়ার চিন্তা করতে হতো? অসুখ বিসুখের চিন্তা করতে হতো? আরও কত কি...
২। শুধু অর্থ মানুষকে সুখী করে না।
অর্থ যে সুখী করে না এটা প্রমাণিত সত্য। তবুও মানুষ জ্ঞানশূন্য হয়ে অর্থের পেছনে ছুটছে কেন? এটা তো একটা ভুল দৌড় মাত্র। এই ভুল দৌড়ের ব্যাপারেও আমাদের ধর্মগ্রন্থ আল-কুরআনে অনেক কথা বলা আছে। মানুষ যদি বুঝত তার জীবনটা অতি সংক্ষিপ্ত, এরপর তার জবাবদিহিতার মুখোমুখি হতে হবে, তা হলে তো এই পৃথিবীতে আরো অনেক বেশি শান্তি বিরাজ করত।
৩। জোড়াসাঁকোতে থাকতে রবীন্দ্রনাথের ধর্মীয় চিন্তা-ভাবনা যে রকম ছিল শান্তিনিকেতনে যাওয়ার পর তা কিন্তু ধীরে ধীরে বদলে গিয়েছিল। বিশেষ করে বিভিন্ন ধর্মের অনুসারী ছাত্রদের কাছে বক্তব্য তুলে ধরতে গিয়ে তার ধর্মীয় ভাবনায় পরিবর্তন এসেছিল। গৌতম বুদ্ধ, যীশু খ্রিস্ট, গুরু নানক প্রমুখ ধর্মগুরুর সম্মানে তিনি কবিতা ও গান রচনা ও পরিবেশন করেছেন। তাঁদের জীবন ও দর্শন সম্পর্কে আলোচনাও করেছেন।
হযরত মোহাম্মদ (সা
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১২:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




