somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

আমি কিছু বলতে চাই

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



মনে করুন, ব্লগার চাঁদগাজী বা সনেট কবির লেখা আমার ভালো লাগে না। আমি স্পষ্ট তাদের পোষ্টে গিয়ে জানিয়ে দিলাম- 'দুঃখিত আপনার লেখা আমার ভালো লাগে না। বরং বিরক্ত লাগে।' এখন সনেট কবি বা চাঁদগাজী কি আমার উপর রাগ করবেন? হয়তো রাগ করবেন। কিন্তু আমি মনে করি- তাদের মোটেও রাগ করা উচিত না। তাদের চিন্তা করা উচিত, ভাবা উচিত কেন তাদের লেখা ভালো লাগছে না। সমস্যাটা কোথায়? সমস্যা খুঁজে নিয়ে সমাধান করা উচিত। রাগ করে যা-তা বলা মোটেও ঠিক না। ব্লগে অনেককেই দেখি, তার পোষ্ট নিয়ে কেউ বিরুপ মন্তব্য করলে সহ্য করতে পারে না। আমি মনে করি, তাদের করা কঠোর মন্তব্য থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। তাতে বরং আপনার উপকার'ই হবে। একসময় ব্লগে আমি অনেক আকথা-কুকথা শুনেছি। কিন্তু আমি আমার সমস্ত মেধা দিয়ে, সমস্ত ভালোত্ব দিয়ে অনেক কিছু জয় করেছি। যারা একসময় আমাকে খোঁচা দিয়ে মন্তব্য করতো, তারাই আজ আমাকে বাহবা দেয়। এটা আমার জন্য অনেক বড় আনন্দের।

ধরুন, নায়ক ফেরদৌস বা ইলিয়াস কাঞ্চনের অভিনয় আমার ভালো লাগে না। এখন তাদের যদি আমি চিৎকার করে বলি, স্যরি স্যার আপনার অভিনয় আমার ভালো লাগে না। খুব বিরক্ত লাগে। আমার কথা শুনে যদি এই দুই নায়ক বুদ্ধিমান হয় তাহলে তারা রাগবেন না। বরং হাসিমুখে আমার মন্তব্য মেনে নিবেন। এবং বলবেন, ঠিক আছে আগামীতে আমরা অনেক সুন্দর অভিনয় করবো। সে অভিনয় দেখে মুগ্ধ হয়ে যাবেন! যদি তা না বলে দুই নায়ক রেগে মেগে আমাকে মারে বা কলার চেপে ধরে তাহলে তাদের সেটা অন্যায় হবে। বোকামো হবে। সহজভাবে মেনে নেওয়া অনেক বড় গুন, অনেকেই সেটা পারে না। সব অবস্থায় মাথা ঠান্ডা রাখতে হয়। রেগে গিয়ে চিৎকার চেচামেচি করা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

সব খারাপের মধ্যেও কিছু ভালো দিক থাকে। দেশের দুর্নীতিবাজদের আমি ধন্যবাদ দেই। তারা কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি করেন। সেই টাকা দিয়ে তারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করেন। সেই সব প্রতিষ্ঠানে অসংখ্য বেকার মানুষের কর্মসংস্থান হয়। যেমন ধরুন টিভি চ্যানেল, দৈনিক পত্রিকা অথবা ব্যাংক- এসব প্রতিষ্ঠান গুলোতে অসংখ্য লোকের কর্মসংস্থান হয়। অনেকে মিল ফ্যাক্টরি করেন সেখানেও প্রচুর বেকার মানুষের কর্মসংস্থান হয়। দুর্নীতিবাজের উছিলায় অনেক মানুষ খেয়ে পড়ে বেঁচে থাকতে পারে। দুর্নীতিবাজদের অনেক লোকবল প্রয়োজন। কাজেই দুর্নীতির ফলে বেশ উপকার পাওয়া যায়। আর অন্যদিকে দুর্নীতিবাজরা অপরাধবোধ থেকে মানুষের কল্যানের জন্য কিছু করতে চায়।

ঢাকা শহরের মানুষের মধ্যে মানবতা নেই। সবাই খুব অস্থির, সবার মধ্যে বড্ড তাড়াহুড়া ভাব। রাস্তায়, ফুটপাতে, শপিং মলে সব জাগায় মানুষের মধ্যে বড্ড ব্যস্ততা। যে লোকটি তার নিজ বাসায় ভদ্র-অমায়িক বলে গন্য, সে-ও রাস্তায় বের হলে অমানুষ হয়ে যায়। তার মনমানসিকতা তৃতীয় শ্রেণির হয়ে যায়। একজন বাসের ড্রাইভারের চেয়েও হোন্ডাওয়ালারা সবচেয়ে বেয়াদপ। তারা ফাঁক পেলেই ঢুকিয়ে দেয়। অপ্রয়োজনেই বিকট হর্ন দেয়। দিতেই থাকে। সিগনাল তারা একেবারেই মানে না। এবং তাদের কিচ্ছু বলা যাবে না। কিছু বলতে গেলেই তেড়ে মারতে আসবে। তাদের লজ্জাবোধও খুব কম, ব্যস্ত ফুটপাতে অবিবেচকের মতোন বাইক উঠিয়ে দেয়। সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না। তারা আইনের তোয়াক্কা করে না। রংসাইড দিয়ে গাড়ি চালানোটা তারা ফ্যাশন মনে করে। ব্যস্ত রাস্তায় গাড়ি ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড় করিয়ে রাখে। ঘর থেকে বের হলেই মানুষ গুলো কেমন অমানুষে পরিনত হয়।

বাপ মা আমাদের কাছে জীবনের সবচেয়ে বড় শ্রদ্ধার পাত্র। কিন্তু সব বাপ মা ভালো হয় না। সমাজে খারাপ বাপ মার অভাব নাই। কিছুদিন আগে আমার এক বন্ধু মারা গেল সৌদিতে। এখন তারা লাশ ঢাকাতে আনবেন না। লাশ ঢাকা আনতে অনেক টাকা খরচ। অথচ আমার বন্ধু তার সারা জীবনের ইনকাম তার মায়ের হাতে তুলে দিয়েছে। জায়গা জমি কিনেছে। আমার বন্ধুর মা এখন, বন্ধুর বউ এবং বাচ্চাসহ তাড়িয়ে দিতে চাচ্ছে। কারন তাহলে সম্পত্তি ছেলের বউ আর সন্তান পাবে বলে। সে কিছুতেই জমি, বাড়ি কিছুতেই মৃত ছেলের বউ বাচ্চাকে দিবে না।
নিজের চোখে দেখা ঘটনা, এক, ছেলের পরীক্ষার ফিশ না দিয়ে বাপ রাতে মদ খেয়ে বাসায় ফিরে। ঘটনা দুই, যে ছেলের ইনকাম কম সে ছেলের সাথে মা এবং বাবা খারাপ ব্যবহার করে।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:১৬
২৮টি মন্তব্য ২৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ফুনফুনা ফুন

লিখেছেন রাজীব নুর, ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৩৩



ছয় হাজার হাজার আগে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিলো মাত্র দশ লাখ।
হ্যা দশ লাখ। পুরো পৃথিবীর সব জায়গায় মানুষ থাকতো না। বনজঙ্গল ছিলো। আর সমুদ্র এবং নদী। পাহাড় পর্বত।... ...বাকিটুকু পড়ুন

মহিউদ্দিন মোহাম্মদের জেন জি নিয়ে মূল্যায়ন এবং জেন জি'কে নিয়ে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, মূল্যায়ন

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৯



লেখক মহিউদ্দিন মোহাম্মদের এইসব কথার সাথে একটু দ্বিমত আছে। কারণটা বলছি..

২০১৯ থেকে আমার যে বিপুল সংখ্যক নারীদের সাথে সুন্দর, নির্ভেজাল ও পরিচ্ছন্ন বন্ধুত্ব হয়েছে, এর ৬০%-ই হচ্ছে জেন জি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সর্বজনীন পেনশন: সুবিধা বাড়ছে, ভবিষ্যৎ কতটা নিশ্চিত ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৪৪


সরকারের মনোভাব সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা কঠিন। ফ্যাসিস্ট আমলের বিতর্কিত 'সর্বজনীন পেনশন' প্রকল্পটি বাতিল না করে বর্তমান সরকার উল্টো নতুন নতুন স্কিম চালু করছে এবং এর সুযোগ-সুবিধা দিন দিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অচেনা মাটিই আমার শেষ ঠিকানা !

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৫১

অচেনা মাটিই আমার শেষ ঠিকানা !



পাথর বা গ্রানাইটে বেঁধো না তো আমার শেষ শয্যা,
নাম খোদাই করে রেখো না আমায়, দিতে একা থাকার লজ্জা।
চাই না উপাধি, চাই না তারিখ, ধূসর... ...বাকিটুকু পড়ুন

কাতুকুতু'র কাহিনীনামা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭

কাতুর সাথে কুতু দিয়ে হচ্ছো পগারপাড়,
ফের যদি আসো কাছে বলবো- 'খবরদার!'
একটু হেসে, কাছে এসে, দিচ্ছো বুঝি কাশি,
ঝুলিয়ে দাড়ি, যাচ্ছো বাড়ি, যেথায় আছেন মাসি।

তোমার সাথে, দুধে-ভাতে, গপ্প করছি কত,
তবু কেন, ঘন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×