
আগামীকাল নির্বাচন।
লেখা শুরু করার আগে একটা কৌতুক ''প্রেমিকা: তুমি আমাকে স্পর্শ করতে পারবে না। আমাকে কোনো কিছুর জন্য জোর করতে পারবে না। বারবার ‘আই লাভ ইউ’ শুনতে আমার ভালো লাগে না।
প্রেমিক: আপা, আপনে বাড়িতে যান। আপনার বাবা-মা চিন্তা করছেন!''
ঢাকা শহর খুব সুনসান, নিরব। রাস্তা ঘাটে বাস, গাড়ি সিএনজি। বাইক একেবারেই নেই। তবে রিকশা আছে। চারিদিকে কেমন একটা ঈদের আমেজ। অফিস আদালত মনে হয় সব বন্ধ। যেহেতু রাস্তায় লোকজন নেই- অর্থ্যাত সবাই বাসায় আছে। কিছু লোক মনে হয় গ্রামে চলে গেছে। অবশ্য পুরো ডিসেম্বর মাসটাই যানজট তুলনামূলক খুব কম ছল। সমস্ত দেশের মানুষ চায় নির্বাচনটা সুন্দরভাবে হয়ে যাক। ফেসবুকে নানান রকম ভিডিও দেখা যাচ্ছে। দেখা যাচ্ছে নানান রকম স্ট্যাটাস।
রাস্তার পাশের বেশির ভাগ চায়ের দোকান বন্ধ। আমি তথ্য পাই চায়ের দোকান গুলো থেকে। সকালে হাঁটতে বের হয়েছি। নানান রকম কথা ভাবছি। সব আসন থেকে যদি সতন্ত্রপ্রার্থী জিতে তাহলে কি হবে ? জনগন তো সব দলের উপরেই ক্ষ্যাপা। বিএনপির সব বড় নেতাই বুঝে গেছেন যে, তাদের ভরাডুবি আসন্য। সময় বদলে যায় জীবনের সাথে, জীবন বদলে যায় সম্পর্কের সাথে, সম্পর্ক কিন্তু বদলায় না আপনজনদের সাথে, শুধু কিছু আপনজন বদলে যায় সময়ের সাথে। এক ঘণ্টা হেঁটে একটা চায়ের দোকান খোলা পেলাম। সেখানে দুইজন চা খাচ্ছে আর গল্প করছে। একজন বললেন, Life is very important than one vote. Don't worry your vote will be casted safely.
আমার ভোট অন্য কেউ দিয়ে দিলে এর জন্য সম্পূর্ণভাবে দায়ী থাকবে নির্বাচন কমিশন। ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন দেয়ার জন্য পরোক্ষভাবে দায়ী থাকবে সরকার। আমি না ভোট দিতে চাই। নৌকা এবং ধান দুটোর শাসনবিধি দেখেছি! এখন সময় এসেছে ক্ষমতার পালাবদলের। না ভোটে জনপ্রতিনিধি হওয়া আটকাবে না। তাই কাউকে না কাউকে ভোট দিতে হবে। শিল্লী, মডেলসহ সবাই যদি প্রকাশ্যে তাদের অবস্থান জানাতে পারে আমি জানাতে অসুবিধা কী? ভোট এখন শুধু অধিকারই নয়, খুনি-ডাকাতদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও ঘৃণার প্রকাশও!
অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক ও শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন এই যুগে থাকলে এই নির্বাচনে তার ভূমিকা কি হৈতো খুব জানতে ইচ্ছা করে! ইয়াবাব্যবসায়ী, ব্যাঙ্ক ডাকাত, লুটেরা, খুনী, ধর্ষক, সন্ত্রাসীদের জন্যেও আপনি ভোট চাইতে পারেন, কিন্তু দয়া করে তার সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে জড়াবেন না। এতে মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অপমানিত ও ছোট করা হয়। ভোট কেন্দ্রে যান। নিজের ভোট নিজে দেন। আওয়াজ তোলো: ভোট আমার অধিকার। আমার ভোট আমি দিব।আমার অধিকার কাউকে হরণ করতে দিব না। আমি ভোট দেবো, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ থেকে সরে যাননি এমন প্রার্থীকে।
"আঘাতে আঘাতে জীবন মোদের গর্জিয়া উঠেছে নতুন করি।"
----কাজী নজরুল ইসলাম।

সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




