
সারাদিন ঢাকা শহরের রাস্তায় ঘুরে বেড়াই।
নানান জিনিস চোখে পড়ে। মুড ভালো থাকলে ছবি তুলি। ছবি গুলো মোবাইলে জমা হতে-হতে অনেক ছবি হয়ে যায়। সেই ছবি গুলো দিয়েই এই ছবি ব্লগ পোষ্ট। এই ছবি তোলার সময় কোনো চিন্তা ভাবনা করি নাই। কোনো সময় লাগে নাই, এমনকি ফ্রেমিং, লাইটিং, কম্পোজিশন কোনো হিসান নিকাশ করি নাই। মোবাইল বের করেছি আর ক্লিক করেছি। ছবির মান বিচার করলে এগুলো কোনো ছবির আওতায় পড়বে না। ছবি তুলতে আমার খুব ভালো লাগে। এই একটা নেশাই আমার দীর্ঘদিন ধরে আছে। এর আগেও তিনটা ছবি ব্লগ দিয়েছি। একটা ছবি একটা ইতিহাস। প্রতিটা ছবির পেছনে চমৎকার সব গল্প আছে। অনেকদিন পর গল্পটা ভুলে যাই। কিন্তু যখন ছবিটা দেখি- সাথে সাথে ম্যাজিকের মতোন গল্পটা মনে পড়ে যায়। খুব আনন্দ হয়। সহজ সরল আনন্দ। দুঃখের ভাগ কাউকে দিতে ইচ্ছা করে না। কিন্তু আনন্দের ভাগ সকলে দিতে ইচ্ছা করে। আনন্দ ভাগাভাগি করে নিলেই আনন্দ বেড়ে যায়। আর বক বক করবো না। আসুন ছবি দেখুন। ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

১। এক পিচ্চি রাজরানীর মতোন সিংহাসনে বসে আছে। পিচ্চিটার জীবন আনন্দময় হোক।

২। এই চিংড়ী গুলো বোধহয় স্যুপে দেওয়া হয়।

৩। এক বাড়ির সামনে এই ফুল ফুটে আছে। আমি মোবাইল বের করলাম। ছবি তুললাম।

৪। দেখুন খাম্বার সাথে ছোবা বাঁধা আছে। একসময় মানুষ এগুলো দিয়ে শরীর ঢলতো।

৫। গুলশান এলাকার একজন মাছ বিক্রেতা।

৬। এই শহরের দু'জন সুখী মানুষ।

৭। ছবিতে সবজি বিক্রেতাকে কি খুঁজে পেয়েছেন?

৮। ড্রাইভাররা একটু সুযোগ পেলেই ঘুমিয়ে নেয়। তাদের আছে ইচ্ছাঘুমের ক্ষমতা।

৯। পরীর খেলনা।

১০। একুরিয়াম ভরতি মাছ। কাটাবন।

১১। ছবিটা আমার বাসার ছাদ থেকে তোলা।

১২। গুলশান লেক।

১৩। দেশ উন্নয়নের মহাসড়লে অথচ এই পিচ্চির মা পিচ্চিকে কোলে নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ভিক্ষা করে বেড়ায়।

১৪। প্রতিদিন এরা যথাসময়ে বাড়ি বাড়ি এসে ময়লা নিয়ে যায়।

১৫। এখান থেকে মাছ কিনলে ফ্রি কেটে দেওয়া হয়।

১৬। এক রকমের মরিচ। ঝাল কম।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




