
মোবাইল পকেটে থাকাতে অনেক সুবিধা।
ইচ্ছা হলেই সাথে সাথে ছবি তুলে ফেলতে পারি। সেই ছবি গুলো আবার আপনাদের সাথে শেয়ার করি। যদিও ছবির মান বিচারে এগুলো অতি নিম্মমানের ছবি। এই সমস্ত ছবি গুলো হুট করে তোলা। কোনো রকম পরিকল্পনা ছিল না। এক অর্থে বলা যায় অপ্রয়োজনীয় ছবি। তারপরও এই ছবি গুলো আমাকে অনেক আনন্দ দেয়। ছবি গুলো দেখলে চট করে ওই দিনের সমস্ত ঘটনা গুলো মনে পড়ে যায়। ছবিটা না দেখলে অই দিনের ঘটনা কিছুতেই মনে করতে পারতাম না। অবশ্য ছবি জমিয়ে রাখার অভ্যাস আমার নেই। আমি ছবি মুছে ফেলি। তাছাড়া এত ছবি কোথায় রাখবো? যাই হোক, কথা আর বাড়াবো না। আপনারা ছবি গুলো দেখুন। আমি বিদায় নিচ্ছি আপাতত। সবাই ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন। সুখি থাকুন।

১। এখনও মানুষ রাস্তা থেকে এসব আচার কিনে খায়। মানুষ কবে সচেতন হবে?

২। চোরাই জুতো ওপেন বিক্রি হচ্ছে।

৩। এই ছবির ঘটনা নিয়ে আমি একটা গল্প লিখব। পিচ্চিটার নাম মানিক। মানিক পৃথিবীতে আসার তিন দিন আগে তার বাপ পেট ব্যাথায় মরে যায়। এখন তাদের থাকার জায়গা নেই। রেলওয়ে কলোনীর বিল্ডিং এর নিচে ঘুমিয়ে থাকে। সারাদিন মানিকের মা মানিককে কোলে নিয়ে ভিক্ষা করে বেড়ায়। রাস্তার ধুলো বালু, আর গাড়ি বাসের বিকট হর্নে মানিকের কষ্ট হয় না। আমি চেয়েছিলাম মানিককে নিতে। মানিকের মা রাজী হয়নি।

৪। বিয়ের বাড়ির লাইট দেখতে আমার খুব ভালো লাগে।
৫।

সেদিন দুপুরে ২০ টাকার কিনলাম। খেলাম। ভাত খেলে লাগতো ১৬০ টাকা। অথচ আমি ২০ টাকা দিয়ে লাঞ্চ শেষ করে ফেলেছি। হি হি হি

৬। সেদিন বেলী রোড দিয়ে যাওয়ার সময় দেখি পিচ্চিটা ফুটপাতে ঘুমিয়ে আছে। আর তার মা হয়তো ভিক্ষা করতে গিয়েছে। যে দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে চলে গেছে, সেই দেশের একটি শিশু কেন ফুটপাতে ঘুমাবে?

৭। এবার ছাদে আমার আম গাছে মাশাল্লাহ বেশ আমের মুকুল ধরেছে।

৮। পেঁয়াজ বোঝাই ভ্যান নিয়ে যেতে চালকের বেশ কষ্ট হচ্ছে।

৯। একটি ছবি, একটি গল্প। বাবা রিকশার মিস্ত্রী। ছেলে ও মা বসে গল্প করছে। এদের নিয়ে কেউ গল্প কবিতা লিখে না!

১০। এই ভেড়া বাজারে ছাগলের মাংস বলে বিক্রি করে। শহরের প্রতিটা বাজারে একই অবস্থা।

১১। রাস্তার পাশে তাদের হোটেল। প্রতিদিন দুই বস্তা আটা দিয়ে তারা রুটি বানায়। বুঝা যাচ্ছে বিক্রি বেশ ভালোই।

১২। অবৈধ দোকান পাট সিটি করপোরেশন ভেঙ্গে দিচ্ছে। বেলী রোড।

১৩। এই মহিষ গুলোকে গরু বলে বিক্রি করা হয় ঢাকা শহরের সমস্ত বাজারে। অথচ বাজারে সমিতি আছে। সমিতি কেন তাদের বাঁধা দেয় না?

১৪। মেট্রোরেলের কাজ চলছে। স্থানঃ বাংলামটর। খিলগা ফ্লাই ওভারের সময় সীমাহীণ কষ্ট সহ্য করলাম। এরপর মগবাজারের ফ্লাইওভারের জন্য কষ্ট করলাম। এখন কষ্ট করছি মেট্রোরেলের জন্য। এই শহরে কষ্ট করতে-করতে জীবন পার।

১৫। ঘুরে ফিরে এই হাতিটার সাথে আমার প্রায়ই দেখা হয়ে যায়।

১৬। এক কাজে এখানে গিয়েছিলাম।

১৭। মধ্যদুপুরে তেজগাঁ।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


