
পরীর স্কুলে পিঠা উৎসব।
ঢাকা শহরে অনেক জায়গায় পিঠা উৎসব হয়। আমি কখনই এসবে যাই না। কিন্তু মেয়ের স্কুলের পিঠা উতসবে তো যেতেই হবে। অবশ্য সুরভি আর পরী আগে গিয়েছে। আমি পিঠা উৎসব শেষ হবার কিছুক্ষন আগে গিয়েছি। সুরভি এবছর পিঠা বানিয়েছি। ভাবী পিঠা বানিয়েছেন। সুরভিদের বাসা থেকেও পিঠা এসেছে। আমার মা বাসায় বেশ কয়েক রকমের পিঠা বানিয়েছে। সত্য কথা বলতে কি মা'র হাতের বানানো পিঠাই আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে। খেয়ে আরাম পেয়েছি। আমি দোকান থেকে বেশ কয়েকবার পিঠা কিনে এনেছি। আজ পরীর স্কুলের পিঠা উৎসবের অনুষ্ঠান থেকে অনেক রকম পিঠা কিনেছি। খেয়েছি। আমি প্রায়'ই রাস্তা থেকে চিতই পিঠা কিনে খাই। সাথে তিন রকমের ভর্তা ফ্রি। এই ভর্তা গুলো ভয়াবহ ঝাল হয়। যাই হোক আর বক বক করবো না। এবার ছবি দেখুন। আল্লাহ হাফেজ।

১। স্কুলে গিয়ে মেয়েকে খুঁজে পাই না। সে খেলায় ব্যস্ত।

২। বাচ্চারা মন দিয়ে সেলফি তুলছে।

৩। এক পিচি চিৎকার করে কাঁদছে। মনে হয় ক্ষুধা লাগছে।

৪। পরীর স্কুল ফ্রেন্ড।

৫। নানান রকম পিঠা বিক্রি হচ্ছে।

৬। দুইজন খালা চিতই আর ভাপা পিঠা বানাতে ভীষণ ব্যস্ত।

৭। পিঠা খুব বিক্রি হচ্ছে।

৮। দুইজন লুকিয়ে আছে। আমরা ওদের খুঁজেই পাচ্ছিলাম না!

৯। অন্য বাচ্চারাও খুব খেলাধূলায় ব্যস্ত।

১০। আমাদের সেলফি।

১১। পিঠা উৎসবে দুইজন দর্শনার্থী।

১২। বাংলাদেশের পতাকা। পুরো পতাকা জুড়ে আছে আমাদের জাতীয় সংগীত।

১৩। মেয়ে আরো খেলবে। বাসায় যাবে না।

১৪। পিঠা উৎসব শেষ। এবার বাসায় ফিরছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

