১। রাস্তাতে এক ফকির কে দেখে এক মহিলা বলছে- এই তোমাকে কোথায় যেন দেখছি মনে হচ্ছে !!
ফকিরঃ হ্যাঁ ম্যাডাম কালকেই না আপনে আমার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করলেন !! আর আমার প্রোফাইল পিকচার এ তো কমেন্ট ও দিছেন।
২। রবীন্দ্রনাথের একটা গানে তাঁর রাষ্ট্রদর্শন প্রকাশ পেয়েছে। সে বিস্ময়কর বিপুল জনপ্রিয় গানটিতে রবীন্দ্রনাথ জানিয়ে দিয়েছেন রাষ্ট্রের শাসক ও শাসিতের সর্ম্পক কেমন হওয়া উচিত। কেমন হওয়া উচিত নাগরিকের কার্যবিধি ও প্রশাসকের ক্ষমতার প্রকৃত সরূপ। গানটিতে আমরা রবীন্দ্রনাথের কল্যাণরাষ্ট্রের ধারনা পেয়ে যাই। রবীন্দ্রনাথের যে কটি গান প্রতিটি বাঙালির চেতনা ধারন করা উচিৎ - আমরা সবাই রাজা আমাদের এই রাজার রাজত্বে -এই গানটি তেমনই একটি গান।
৩। পবিত্র কোরআনে আছে, একটি ভালো কথা এমন একটি ভালো গাছের মতো, যার শেকড় রয়েছে মাটির গভীরে আর শাখা-প্রশাখার বিস্তার দিগন্তব্যাপী, যা সারা বছর ফল দিয়ে যায়।
প্রতিটি ভালো কাজই মানুষের মন জয় করে করতে হয়। আর মানুষের মন জয় করার একটি অব্যর্থ অস্ত্র হলো সুন্দর কথা।
একবার রাজার এক ভৃত্য পলায়ন করেছে। রাজা তাকে প্রাণদন্ডের আদেশ দিলেন। তাকে নিয়ে যাওয়া হলো জলল্লাদের কাছে। জল্লাদ খড়গ তুলতে উদ্যত। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে বেচারা কাতর স্বরে প্রার্থনা করলো, হে করুণাময় যারা আমাকে হত্যা করতে চাইছে তাদেরকে তুমি ক্ষমা কর। কারণ আমি তাদের ক্ষমা করেছি। বাদশা আমাকে প্রাণদন্ডের আদেশ দিয়েছেন এতে আমার কোনো দুঃখ নেই কারণ এই বাদশাহ আমাকে প্রতিপালন করেছে। তুমি এদের সবার পাপ ক্ষমা করো। বাদশাহ ভৃত্যের ফাসির মঞ্চেই ছিলেন। ভৃত্যের মৃত্যুকালীন প্রার্থনা শুনে তার চিত্ত বিগলিত হলো। তার সমস্ত রাগ পানি হয়ে গেল। সঙ্গে সঙ্গে আদেশ দিলেন, ওকে মুক্ত করে দাও।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে তার গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্যে নোবেল পুরস্কার পান। পশ্চিমাদের অনেকেরই এটা সহ্য হচ্ছিলো না বরং গাত্রদাহ হচ্ছিলো। একবার এক পশ্চিমা সাহেব রবীন্দ্রনাথকে বলেই বসলেন, গীতাঞ্জলি বইটি দারুণ হয়েছে। আসলে কে তোমার হয়ে ওটা লিখে দিয়েছিলো? সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ে এলো কবিগুরুর বুদ্ধিদীপ্ত উত্তর, তার আগে বলো দেখি, কে আসলে তোমাকে পড়ে দিয়েছিলো, গীতাঞ্জলির মতো কাব্য।
৪। পশু পশুত্ব নিয়ে জন্মায় এবং সারাজীবন পশুই থাকে । কিন্তু মানুষ মনুষ্যত্ম নিয়ে জন্মায়না তাকে মনুষ্যত্ম অর্জন করতে হয় । ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ব্যাকটেরিয়া থেকে শুরু করে অনেক প্রাণী আছে যারা জন্ম থেকেই আত্মনির্ভরশীল হয়, কিন্তু মানব শিশু তা পারেনা । মানুষ জন্ম হয় পরনির্ভরশীল হয়ে পরে সে আত্মনির্ভরতা অর্জন করে । সকল প্রাণী আহার করে, বিশ্রাম করে, ভোগ করে, যৌন তারনা অনুভব করে, ক্ষুধার তীব্রতা বুঝতে পারে, মানুষও এসব পারে । মানুষ আরো অনেক কিছু পারে যা অপর কোন সৃষ্টি পারেনা ।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





